"চল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
(সংশোধন)
উপরোক্ত সংজ্ঞার পাশাপাশি আরেকটি বিশেষায়িত সংজ্ঞাও লক্ষণীয়। একেও ইংরেজিতে "ফ্যাশন" শব্দটি দিয়ে নির্দেশ করা হয়, যা কৃতঋণ শব্দ হিসেবে সমসাময়িক বাংলায় বহুল প্রচলিত। বাংলায় এটিকে '''পোশাকের ধারা''' (বা '''পোশাকধারা'''), '''পোশাকের চল''' বা '''কেতা''' বলা হয়। চলতি কেতা কিংবা চলতি পোশাকধারা অর্থাৎ চলতি ফ্যাশন (বা হালফ্যাশন) অনুসরণ করাকে ''কেতাদুরস্ত'', ''কেতামাফিক'', ''রেওয়াজমাফিক'', ''ফ্যাশন-সচেতন'' ইত্যাদি বিশেষণ দিয়ে বর্ণনা করা হয়।
 
আরও সংকীর্ণ একটি সংজ্ঞানুযায়ী ইংরেজি "ফ্যাশন" শব্দটি দিয়ে নিত্যনতুন শৈলীর অভিজাত, জমকালো ও বিলাসবহুল পোশাক ও আনুষাঙ্গিক পরিধেয় দ্রব্য নকশা ও বিক্রয় সংক্রান্ত গবেষণা ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডকে বোঝানো হয়। একে বাংলায় '''পোশাকশৈলী''' বা '''চলতি পোশাকশৈলী''' নাম দেওয়া যায়। সমসাময়িক যুগে বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে এবং একে কেন্দ্র করে স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুঁজিবাদী অর্থনীতিঅর্থনৈতিক ব্যবস্থাতে এক বিশেষ ধরনের শিল্পখাতের উত্থান ঘটেছে, যাকে "ফ্যাশন শিল্প" (ইংরেজি Fashion industry) বা "পোশাকশৈলী শিল্প" বলা হয়। এই ফ্যাশন শিল্পের সাথে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি, দল ও প্রতিষ্ঠানগুলি যুগের সাথে সাথে সমাজের বিভিন্ন স্তরে পোশাকধারায় পরিবর্তন আনয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
==তথ্যসূত্র==
৩৮,৮৬২টি

সম্পাদনা