"চল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(সংশোধন)
'''চল''' হল কোনও নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে ও ইতিহাসের নির্দিষ্ট কোনও পর্বে সেখানকার জনসাধারণের মধ্যে বিরাজমান সৌন্দর্য ও শৈলীর বহুল-গৃহীত ও বহুল-প্রচলিত অভিব্যক্তি। এই পরিভাষাটি মূলত পোশাক ও আনুষাঙ্গিক পরিধেয় (যেমন গহনা, বন্ধনী, ওড়না, ইত্যাদি), জুতো, কেশবিন্যাস, চেহারার প্রসাধন (মেক-আপ), শরীরের গড়ন, জীবনধারা, ভাষা ও বাচনভঙ্গি, ব্যবহারিক জিনিস (যেমন আসবাবপত্র), ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।<ref>Fashion (2012, March 29). Wwd. (n.d.). Retrieved from http://www.wwd.com/fashion-news.</ref> একে '''চলতি রীতি''', '''ধারা''', '''হাওয়া''', '''ভাও''', '''রেওয়াজ''', ইত্যাদি সমার্থক শব্দ দিয়েও নির্দেশ করা হয়। ইংরেজিতে একে '''ফ্যাশন''' (ইংরেজি Fashion) বলে। বৃহত্তর অর্থে '''সাংস্কৃতিক গতিধারা''', '''সাংস্কৃতিক ধারা''', '''সাংস্কৃতিক প্রবণতা''', '''সাংস্কৃতিক হালচাল''' (ইংরেজি Cultural trend) পরিভাষাগুলিও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। চল বা চলতি রীতি নিয়ত পরিবর্তনশীল। আজ যা জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত অর্থাৎ আজ যে জিনিসের চল বা রেওয়াজ রয়েছে, তা ভবিষ্যতে এমনটি নাও থাকতে পারে। যেসমস্ত ধারা বা রীতি স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত ক্ষণস্থায়ী হয় বা হবে বলে ধারণা করা হয়, সেগুলিকে নেতিবাচক অর্থে '''হুজুগ''' বা '''হিড়িক''' নামে অভিহিত করা হয়।
 
উপরোক্ত সংজ্ঞার পাশাপাশি আরেকটি বিশেষায়িত সংজ্ঞাও লক্ষণীয়। একেও ইংরেজিতে "ফ্যাশন" শব্দটি দিয়ে নির্দেশ করা হয়, যা কৃতঋণ শব্দ হিসেবে সমসাময়িক বাংলায় বহুল প্রচলিত। বাংলায় এটিকে '''পোশাকধারা''', '''পোশাকের চল''' বা '''কেতা''' বলা হয়। যিনি চলতি কেতা কিংবা চলতি পোশাকধারা অর্থাৎ চলতি ফ্যাশন (বা হালফ্যাশন) অনুসরণ করেন, তাকে ''কেতাদুরস্ত'' বা ''ফ্যাশন-সচেতন'' বলা হয়। সমসাময়িক যুগে বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে পোশাকধারা সামাজিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে এবং একে কেন্দ্র করে স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুঁজিবাদী অর্থনীতি ব্যবস্থাতে এক বিশেষ ধরনের শিল্পখাতের উত্থান ঘটেছে, যাকে "ফ্যাশন শিল্প" (ইংরেজি Fashion industry) বলা হয়। এই ফ্যাশন শিল্পের সাথে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি, দল ও প্রতিষ্ঠানগুলি যুগের সাথে সাথে সমাজের বিভিন্ন স্তরে পোশাকধারায় পরিবর্তন আনয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
৩৮,৮৬২টি

সম্পাদনা