"দেবহাটা উপজেলা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(সংশোধন)
{{Distinguish|দেবহাটা ইউনিয়ন}}{{তথ্যছক বাংলাদেশের প্রশাসনিক অঞ্চল
|নাম = দেবহাটা
|অফিসিয়াল_নাম =
|মোট_আয়তন = ১৭৬
|আয়তন_টীকা =
|জনসংখ্যার_পাদটীকা = <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://debhata.satkhira.gov.bd/nodesite/52071page/d49429d2-1c4a-11e7-8f57-286ed488c766/%E0%A6%8F%E0%A6%95%20%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE |শিরোনাম= এক নজরে দেবহাটা |লেখক= বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন |তারিখ= জুন, ২০১৪ |ওয়েবসাইট= |প্রকাশক= গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার |সংগ্রহের-তারিখ= ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ |আর্কাইভের-ইউআরএল= https://web.archive.org/web/20131024005656/http://debhata.satkhira.gov.bd/node/52071 |আর্কাইভের-তারিখ= ২৪ অক্টোবর ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল= হ্যাঁ }}</ref>
|মোট_জনসংখ্যা = ১,৫১,৭১৭
|এই_অনুযায়ী_জনসংখ্যা =
|পাদটীকা =
}}
'''দেবহাটা উপজেলা''' বাংলাদেশের [[সাতক্ষীরা জেলা]]র অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা।
 
== অবস্থান ==
== প্রশাসনিক এলাকা ==
এই উপজেলার ইউনিয়নসমূহ -
#* [[কুলিয়া ইউনিয়ন, দেবহাটা|কুলিয়া ইউনিয়ন]]
#* [[পারুলিয়া ইউনিয়ন]]
#* [[সখিপুর ইউনিয়ন]]
#* [[নওয়াপাড়া ইউনিয়ন]]
#* [[দেবহাটা ইউনিয়ন]]
 
==ইতিহাস==
উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের পৈতৃক নিবাস ছিল সাতক্ষীরার আজপাড়াগাঁ দেবাটার টাউন শ্রীপুর গ্রামে। প্রায় ১৫০ বছর আগে দেবাটার টাউন শ্রীপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল দেবহাটা পৌরসভা। ব্রিটিশ শাসনামলে টাউন শ্রীপুরকে বলা হতো এ আঞ্চলের বধি‌ষ্ণু অঞ্চল। ১৮ জমিদারের বাস ছিল এই গ্রামে। কিন্তু কালের বিবর্তনে সব কিছু হারিয়ে গেছে। ভারত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা ইছামতি নদী সাতক্ষীরা উপজেলার সীমান্ত ঘেষা হাড়দ্দার পাশ দিয়ে ছুটে চলেছে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে। ব্রিটিশ শাসনামলে এ অঞ্চলে মানুষের আনাগোনা ছিল কলকাতায়। ইছামতি নদীর তীর ঘেষা টাউন শ্রীপুর, সুশীলগাঁতী ও দেবহাটা পাশাপাশি তিনটি গ্রাম। ইছামতির ওপারে ভারতের হাসনাবাদ রেল স্টেশন। যার কারণে ব্রিটিশ শাসনামলে এ অঞ্চলে মানুষের দ্বিতীয় ঠিকানা ছিল কলকাতা। একসময়ের দেবহাটা গ্রাম এখন উপজেলা সদর। কিন্তু টাউন শ্রীপুর এখন পৌরসভা থেকে এক অনুন্নত গ্রামে রুপ নিয়েছে। সাতক্ষীরা শহর খেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে ইছামতি নদীর তীর ঘেষা গ্রামটির নাম টাউন শ্রীপুর। ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মের আগেই ব্রিটিশ সরকার ১৮৬৭ সালে দেবহাটাকে পৌরসাভা ঘোষণা করে। আর এই পৌরসভার কার্যালয় ছিল দেবহাটা টাউন শ্রীপুর গ্রামে। ঐ সময় বিভাগীয় শহর খুলনাতেও পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ভারতের সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান শঙ্কর রায় চৌধুরী ভারতের সেনাপ্রধানের দ্বায়ীত্ব পালনকালেই ১৯৯৭ সালে শঙ্কর রায় চৌধুরী তার জন্ম ভিটা টাউন শ্রীপুর গ্রামে এসেছিলেন। পাকিস্তান সরকার সম্ভবত ১৯৫০-১৯৫১ সালে টাউন শ্রীপুর পৌরসভা বিলুপ্ত ঘোষণা করে। পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাওয়ালপিন্ডি হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন জমিদার অনীল স্বর্ণকার। কিন্তু দেবহাটা টাউন শ্রীপু্রে আর পৌরসাভা ফিরে আসেনি। ১৮ জমিদারের বাস দেবহাটা টাউন শ্রীপু্র ও সুশীলগাঁতী গ্রামে। জমিদারদের কেউ কেউ ছিলেন অত্যচারী, আবার কেউ কেউ ছিলেন মানবদরদী। আবার কোনো কোনো জমিদার সমাজে কিছু অবদানও রেখে গেছেন। দেবহাটার টাউন শ্রীপুরে জমিদারদের বিশাল অট্টালিকা, পূঁজা, মুন্দির ও থিয়েটার রুমের এখন আর কনো অস্তীত্ব নেই। ব্রিটিশ আমলের আধাপাঁকা রাস্তা এখন পিচঢালা পথ। দেবহাটা খেকে এই রাস্তা চলে গেছে পারুলিয়া বাজারে।
 
== জনসংখ্যার উপাত্ত ==
==বহিঃসংযোগ==
* {{বাংলাপিডিয়া}}
 
{{সাতক্ষীরা জেলা}}
{{খুলনা বিভাগের উপজেলা}}
[[বিষয়শ্রেণী:সাতক্ষীরা জেলার উপজেলা]]
[[বিষয়শ্রেণী:দেবহাটা উপজেলা]]
 
 
{{Khulna-geo-stub}}