শাহাদাৎ হোসেন (লেখক): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বি)
সম্পাদনা সারাংশ নেই
তিনি দীর্ঘদীন সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন এবং পরবর্তী কালে ঢাকা বেতার কেন্দ্রের সাথে যুক্ত ছিলেন। তাঁর কবিতায় মুসলিম
ঐতিহ্য সচেতনতা ও নিসর্গপ্রীতি লক্ষ করা যায়। তাঁর শব্দচয়ন ও ছন্দরীতি রবীন্দ্র প্রভাবিত হলেও বিষয় বৈশিষ্ট্যে তিনি ছিলেন
স্বতন্ত্র। তিনি একজন খ্যাতিমান নাট্যকারও। সফররাজ খাঁ,আনার কলি,মসনদের মোহ ইত্যাদি তাঁর বিখ্যাত নাটক। বর্তমানে "মসনদের মোহ" এর একাংশ পশ্চিমবঙ্গের প্রবেশিকা পরীক্ষার পাঠ্যসূচীতে এবং "শাজাহানের মৃত্যুস্বপ্ন" বাংলাদেশের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভূক্ত আছে। জীবদ্দশায় কবির মূল্যায়ণ ঘটেনি। এমনকি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের পর পাকিস্তান সরকার তাকে নাগরিকত্ব আইনের অধীনে ভারতের নাগরিক ঘোষণা করে। কবির অপরাধ ছিল তিনি মাতৃভূমি-জন্মভূমি তার গ্রামের টানে বার বার ফিরে যেতেন সেখানে। পাকিস্তানবাদী কবিতা লিখেও তিনি পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীকে সন্তুষ্ট করতে পারেন নি। বাংলাদেশে এই কবি রীতিমত অবহেলিত। তার কবিতাটি সংকলনে অন্তর্ভূক্ত হলেও শিক্ষাব্যবস্থার কল্যাণে কখনো পাঠ্য হয়ে উঠেনি।
স্বতন্ত্র। তিনি একজন খ্যাতিমান নাট্যকারও। সফররাজ খাঁ,আনার কলি,মসনদের মোহ ইত্যাদি তাঁর বিখ্যাত নাটক। কল্পরেখা,
 
রূপছন্দা,মধুছন্দা ইত্যাদি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। [[১৯৫৩]] সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
সম্প্রতি ২০০৮ সালে পশ্চিম্বঙ্গের সি পি এম সরকারের উদ্যোগে তার শততম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয় এবং এই প্রথম তার মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হলো।
 
কল্পরেখা, রূপছন্দা,মধুছন্দা ইত্যাদি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। [[১৯৫৩]] সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর তারিখ ৩০শে ডিসেম্বর, ১৫ ই পৌষ ১৩৬০ বুধবার।
{{অসম্পূর্ণ}}
[[category:১৮৯৩-এ জন্ম]]
৯০টি

সম্পাদনা