"আপার্টহাইট" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
[[চিত্র:ApartheidSignEnglishAfrikaans.jpg|right|250px|thumb|আপার্ট্‌হাইট আমলের একটি বিজ্ঞপ্তি: "শ্বেতাঙ্গদের ব্যবহারের জন্য। এই সাধারণ সুবিধা ও সম্পত্তি কেবলমাত্র শ্বেতাঙ্গদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত। আদেশক্রমে: প্রাদেশিক সচিব"]]
 
'''বর্ণবাদী''' বা '''আপার্টহাইট''' [[আফ্রিকান্স ভাষা|আফ্রিকান্স ভাষায়]]: [[Apartheid]] । ''আপার্টহাইট''অর্থাৎ "বিভাজন" বা "বিচ্ছিন্নতা")। [[দক্ষিণ আফ্রিকা]] আর দক্ষিণ পশ্চিম আফ্রিকা (বর্তমান [[নামিবিয়া]])তে [[১৯৪৮]] থেকে [[১৯৯০]] দশক পর্যন্ত চলা জাতিগত বিভাজনের একটি ব্যবস্থা।<ref>https://www.c-span.org › video › re...
Repeal of Population Registration Act | C-SPAN.org</ref>'''শ্বেতাঙ্গশাসিত''' সরকার এ সময় আইন করে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিবাসীদের '''কৃষ্ণাঙ্গ''', '''শ্বেতাঙ্গ''',[[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশীয়]],'''বর্ণসংকর''' ইত্যাদি বর্ণে ভাগ করে এবং রাজনৈতিক,সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দেশের সংখ্যালঘু '''শ্বেতাঙ্গ''' জনগোষ্ঠীর দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিল।
 
== ইতিহাস ==
[[১৯৩০]] সালে প্রথম এই শব্দের উৎপত্তি হয় এবং ১৯৪০-এর দশকের শুরু থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় পার্টি রাজনৈতিক স্লোগানে এই শব্দটি ব্যবহার শুরু করে। তবে শব্দটির সাথে জড়িত যে নীতি তার উদ্ভব আরও আগে। [[১৬৫২]] সালে দক্ষিণ আফ্রিকাতে শ্বেতাঙ্গ মানুষের বসতি স্থাপন শুরুর সাথে সাথে এই নীতির প্রচলন শুরু হয়।
 
=== ঔপনিবেশ ===
দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকার সে সময় একটি আইন প্রণয়ন করেছিল, যেটি ''[[পাসপত্র আইন]]'' নামে পরিচিত। ওই আইনে বলা হয়েছিল, কৃষ্ণাঙ্গদের সব সময় তাদের পরিচয়সংক্রান্ত [[নথিপত্র]] বহন করতে হবে। ১৯৬০ সালের ২১ মার্চ রাজধানী [[জোহানেসবার্গ|জোহানেসবার্গের]] থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে শার্পভিল শহরতলির থানার বাইরে বর্ণবৈষম্য আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে জড়ো হন কৃষ্ণাঙ্গরা। এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। নিহত হন ৬৯ জন ও আহত হন অন্তত ১৮০ জন।<ref>[http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=22-03-2010&type=single&pub_no=112&cat_id=1&menu_id=60&news_type_id=1&index=13 শার্পভিলে গণহত্যার ৫০তম বার্ষিকী]</ref>
 
[[১৯৭৬]] সালে ভাষার প্রশ্নে কৃষ্ণাঙ্গরা ন্যাশনাল পার্টি নিয়ন্ত্রিত সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। আফ্রিকান্স ভাষাকে স্কুলের ভাষা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রধান মন্ত্রী পি ডবলিউ বোথা। [[ডেসমন্ড টুটু]] দেশের বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামের যোগ। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকীয় পণ্য [[বয়কট]] করতে ডাক দেন এবং অবিনিয়োগ আন্দোলন শুরু করেন। যার ফলে [[যুক্তরাষ্ট্র]] ও [[যুক্তরাজ্য]] দক্ষিণ আফ্রিকায় বিনিয়োগ বন্ধ রাখে। তার ডাকে কেপ টাইনের রাস্তায় ৩০ হাজার মানুষ নেমে আসে এবং বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য নীতির প্রতি প্রতিবাদ শুরু হয়।
 
প্রচন্ড প্রতিরোধের মুখে সরকার নেলসন ম্যানডেলাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি তিনি কারামুক্ত হন। এর পর তিনি তার দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকারের সাথে শান্তি আলোচনায় অংশ নেন। এর ফলশ্রুতিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসান ঘটে এবং সব বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে ১৯৯৪ সালে [[গণতন্ত্র]] প্রতিষ্ঠিত হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা নেলসন ম্যাণ্ডেলার মুক্তি |ইউআরএল=http://bengali.cri.cn/1/2006/02/10/41@23037.htm/ |সংগ্রহের-তারিখ=২ ডিসেম্বর ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160304220632/http://bengali.cri.cn/1/2006/02/10/41@23037.htm |আর্কাইভের-তারিখ=৪ মার্চ ২০১৬ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
১,৬৪,৩৯৫টি

সম্পাদনা