"ইভা পেরন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(→‎top: বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
== পেরেনের সঙ্গে প্রণয় ও পরিণয় ==
ইভার জীবনে পেরন অধ্যায়টি ছিলো মূলত তার জীবনের পটপরিবর্তনের সূচনা। সুদর্শন পেরন মেয়েদের নিজের দিকে আকর্ষণ করতে পারতেন সহজে। তার ঝোঁক ছিলো [[কিশোরীদের]] প্রতি। যখন এই দুজনের সাক্ষাৎ ঘটে তখন ইভার বয়স ২৪ আর পেরনের ৪৮। পরিচয়ের প্রথম রাতেই বিছানায় আর অল্পদিনে প্রণয়। এর মাঝেই ইভা তার প্রেমিকের মনে এই বিশ্বাস জন্মাতে সক্ষম হন, সরকার প্রধানের পদটি তার দখল করা উচিত। এভাবে ইভা হয়ে উঠেন পেরনের প্রেরণার উৎস, , প্রচারক ও তার পরামর্শদাত্রী। ইভার মৃত্যুর পর প্রেসিডেন্ট পেরন তার কুখ্যাত [[‘মাধ্যমিক স্কুল]] [[ছাত্র সমিতি]] গঠন করান। এটি ছিলো পেরন ও তার অফিসারদের আমোদ-ফূর্তির জন্য অল্পবয়স্কা মেয়ে ধরার ফাঁদ। সমিতিটি ছিলো সংগঠিত। মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ছিলো এর শাখার বিস্তৃতি। পেরনের করিৎকর্মা অফিসাররা সম্ভাবনাময়ী [[সুন্দরী]] ছাত্রীদের বাছাই করতো। তাদের মধ্যে সবচেয়ে লোভনীয়াদের আঞ্চলিক [[অবসরযাপন কেন্দ্রগুলোতে]] পাঠানো হতো। এইসব কেন্দ্রের সঙ্গে ছিলো বিলাসবহুল কোয়ার্টার আর স্থায়ীভাবে নিযুক্ত [[ডাক্তার]]। যারা ছাত্রীরা [[অন্তঃসত্ত্বা]] হলে বা [[যৌনরোগে]] আক্রান্ত হলে নিরাময়ের ব্যবস্থা করতো। জুয়ান পেরনের নিজস্ব ব্যক্তিগত অবসরযাপন কেন্দ্র ছিলো আর মাঝে মাঝে সন্ধ্যা কাটাতেন এমন কিশোরী মেয়েদের নিয়ে যারা বাড়ি থেকে এতো দূরে এসে দেশের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে ঠেকাতে পারতো না। পেরন [[১৯৫৫]] সালে [[সামরিক অভ্যুত্থানে]] ক্ষমতাচ্যুত হন এবং [[স্পেনের]] মাদ্রিদে বসবাস করতে থাকেন।
রাজনৈতিক ওলটপালটে [[১৯৭৩]] সালে তিনি আবার আর্জেন্টিনায় ফিরে গিয়েছিলেন, কিন্তু আর তেমন জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেন নি। আর তখন তার পাশে ঝলমলে দামি ফারকোর্ট ও [[হীরার]] গয়না পরা ইভাও ছিলেন না।
 
== বিবাহিত জীবন ==
১,৬৪,৩৯৫টি

সম্পাদনা