"জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিষ্কারকরণ, অন্য সবকিছু যুক্ত করতে চাইলে তথ্যসূত্র দিয়ে যুক্ত করুন এবং উল্লেখযোগ্য নয় এমন সংগঠন যুক্ত করবেন না।
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
(পরিষ্কারকরণ, অন্য সবকিছু যুক্ত করতে চাইলে তথ্যসূত্র দিয়ে যুক্ত করুন এবং উল্লেখযোগ্য নয় এমন সংগঠন যুক্ত করবেন না।)
}}
[[চিত্র:Jagannath University Campus Sculpture.jpeg|thumb|240px|বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য]]
'''জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়''' (সংক্ষিপ্ত রূপ '''জবি''') [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] রাজধানী [[ঢাকা|ঢাকার]] সদরঘাটে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। পূর্বতন জগন্নাথ কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু। অধ্যাপক ড: এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে ১৮৫৮ সালে এবং ২০০৫ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ পাশ করার মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়। এখানে প্রায় ১৭,১৩৪ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং ৯৬০ জন শিক্ষক রয়েছেন।
 
== ইতিহাস ==
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অব্যবহিত প্রাক্তন নামপূর্বনাম জগন্নাথ কলেজ,কলেজ। এই নামেই বিংশ শতাব্দীর অধিকাংশ সময় জুড়ে পরিচিত ছিল। এটি ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী কলেজ। [[১৮৫৮]] সালে ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল নামে এর প্রতিষ্ঠা হয়। [[১৮৭২]] সালে এর নাম বদলে জগন্নাথ স্কুল করা হয়। বালিয়াটির জমিদার [[কিশোরীলাল রায় চৌধুরী]] তার বাবার নামে জগন্নাথ স্কুল নামকরণ করেন। উল্লেখ্য কিশোরীলাল রায় শিক্ষাবিস্তারে আগ্রহী ছিলেন।<ref name="সংসদ">সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, ''সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান'', প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, নভেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ১৪০, {{আইএসবিএন|978-81-7955-135-6}}</ref>
 
[[১৮৮৪]] সালে এটি একটি দ্বিতীয় শ্রেণীর কলেজে ও [[১৯০৮]] সালে প্রথম শ্রেণীর কলেজে পরিণত হয়। এসময় এটিই ছিল ঢাকার উচ্চ শিক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা শুরু হলে জগন্নাথ কলেজের স্নাতক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গ্রন্থাগারের বই পুস্তক, জার্নাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সাজাতে জগন্নাথ কলেজ গ্রন্থাগারের ৫০ ভাগ বই দান করা হয়। জগন্নাথ কলেজে আই,এ, আই,এসসি, বি,এ (পাস) শ্রেণী ছাড়াও ইংরেজি, দর্শন ও সংস্কৃতি অনার্স এবং ইংরেজিতে মাস্টার্স চালু করা হলেও [[১৯২১]] সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর তা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং ইন্টারমিডিয়েট কলেজে অবনমিত করা হয় জগন্নাথকে। পুরানো ঢাকার নারী শিক্ষায় বাধা দূর করতে [[১৯৪২]] সালে সহশিক্ষা চালু করা হয়। [[১৯৪৮]] সালে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে [[১৯৪৯]] সালে আবার এ কলেজে স্নাতক পাঠ্যক্রম শুরু হয়।[[১৯৫২]] সালে ভাষা আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ রফিকউদ্দিন (ভাষা শহীদ রফিক) আত্মত্যাগ করেন । [[১৯৬৩]] সালে অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান পুনরায় কো-এডুকেশন চালু করেন। [[১৯৬৮]] সালে এটিকে সরকারীকরণ করা হয়, কিন্তু পরের বছরেই আবার এটি বেসরকারী মর্যাদা লাভ করে।<!-- পুনঃলিখন দরকার
[[১৯৭১]] সালের ২৬ মার্চ জগন্নাথ কলেজে পাকিস্তানী হানাদাররা হামলা চালায়। ছাত্ররা অনেকে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জবি ক্যাম্পাসে গণহত্যা চালানো হয় । ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথের কয়েক হাজার শিক্ষক , শিক্ষার্থী শহীদ হন । ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে এবং মুক্তির সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে। জগন্নাথ কলেজে হানাদারদের ক্যাম্প করা হয়। যুদ্ধ শেষে এখানে গণকবরের সন্ধান মেলে উদ্ধার করা হয় কয়েক ট্রাক ভর্তি মানুষের কঙ্কাল। [[১৯৮২]] সাল থেকে শুরু হয় এলাকার প্রভাবশালীদের জগন্নাথ কলেজের হল দখলের পাঁয়তারা। ছাত্রদের সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ বাধে বারবার। প্রথমে বেদখল হয়ে যায় কুমারটুলি ছাত্রাবাস। এরপর একের পর এক বেদখল হয় ৮৪ জিএল পার্থ লেন, কুমারটুলিতে (ওয়াইজঘাট ষ্টার সিনেমা হলের পিছনে) অবস্থিত হলগুলো। [[১৯৯২]] সালে ১৪টি হলের মাত্র ৩টি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাকিগুলো পুলিশ ও এলাকাবাসীরা দখল করে নেয়। ৩টি হলের দুটি (মাহমুদা স্মৃতি ভবন ও এরশাদ হল) বর্তমানে ভেঙ্গে মসজিদ ও কলা অনুষদ করা হয়েছে।
-->
*শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (IER)
 
== উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থীসংগঠন ==
* [[তাজউদ্দীন আহমেদ]] - (বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী);
* [[রফিকউদ্দিন আহমদ]] (ভাষা শহীদ);
* [[জহির রায়হান]] (কথা শিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক);
* [[দীনেশচন্দ্র সেন]](মৈয়মনসিংহ গীতিকার লেখক);
* [[যোগেশচন্দ্র ঘোষ]] (প্রখ্যাত আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বিশারদ এবং শিক্ষাবিদ);
* [[আনিসুজ্জামান]] (শিক্ষাবিদ);
* [[মানকুমার বসু ঠাকুর]] (ব্রিটিশবিরোধী নৌ বিদ্রোহের শহীদ);
* [[শওকত আলী (রাজনীতিবিদ)]](ভাষা আন্দোলনের নেতা);
* [[সৈয়দ শামসুল হক]] (সাহিত্যিক);
* [[আবুল মনসুর আহমেদ]](সাহিত্যিক);
* [[ব্রজেন দাস]] (ইংলিশ চ্যানেল পাঁড়ি দেয়া সাঁতারু);
* [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]] (বাঙালি কবি, ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক এবং চিত্রপরিচালক);
* [[জয়নুল আবেদীন]] (চিত্রশিল্পী);
* [[এটিএম শামসুজ্জামান]] (অভিনেতা);
* [[ইমদাদুল হক মিলন]] (লেখক , সম্পাদক - দৈনিক কালের কণ্ঠ);
* [[জাহিদ হাসান]] (অভিনেতা);
* [[শামীম জামান]](অভিনেতা);
* [[বিপ্লব]] (শিল্পী);
* [[জুয়েল আইচ]] (যাদুকর);
* [[ফারুক]] (অভিনেতা);
* [[রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজু]] (সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী;
* [[প্রবীর মিত্র]] (অভিনেতা)
;
* [[মীর সাব্বির]] (অভিনেতা)
;
* [[নাসির উদ্দীন ইউসুফ]](মঞ্চনাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক)
;
* [[শামসুজ্জোহা]] (প্রথম শহীদ)
* [[হায়দার হোসেন]] (সঙ্গীত শিল্পী);
* [[কাজী মোতাহার হোসেন]] (লেখক);
* [[ফকির আলমগীর]] (মুক্তিযোদ্ধা ও বিখ্যাত শিল্পী);
* [[কিরণ চন্দ্র রায়]] (শিল্পী);
* [[আবদুল হালিম চৌধুরী জুয়েল]] (বীর বিক্রম);
* [[এম হামিদুল্লাহ খান]] (বীর প্রতীক;
* [[মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া]] (বীর বিক্রম;
* [[সাদেক হোসেন খোকা]] (সাবেক মেয়র, ঢাকা)
* [[আতাউর রহমান খান]] (সাবেক প্রধানমন্ত্রী);
* [[শেখ ফজলুল হক মনি]]
* [[সাঈদ খোকন]] (মেয়র,ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন)
* [[ভবতোষ দত্ত]] (অর্থনীতিবিদ);
* [[মোহাম্মদ নাসিম]](স্বাস্থ্যমন্ত্রী);
* [[আসাদুজ্জামান খান কামাল]](স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী;
* [[নুরুল মোমেন]] (নাট্যকার);
* [[শামসুজ্জামান খান]] (মহাপরিচালক,বাংলা একাডেমি)
* [[ব্যারিস্টার এম আমীরুল ইসলাম]](স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রচয়িতা)
* [[কাজী আরেফ আহমেদ]] (মুজিব বাহিনীর গোয়েন্দা প্রধান)
* [[এ আর ইউসুফ]] (সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী)
 
==উল্লেখযোগ্য শিক্ষক==
* ড.আবুল কালাম আজাদ,গণিত বিভাগ(শহীদ বুদ্ধিজীবী)
* [[মমতাজউদদীন আহমদ]],বাংলা বিভাগ (নাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ)
* [[মুনীর চৌধুরী]]<ref name="লক্ষ্মীপুর ">শামসুজ্জামান খান সম্পাদিত, ''বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা লক্ষ্মীপুর'', বাংলা একাডেমি,ঢাকা,জুন ২০১৪, পৃষ্ঠা ৪৬, {{আইএসবিএন|984-07-5323-1}}</ref>
* [[মো. কামরুল আলম খান]],পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ(পাথরকুচি থেকে বিদ্যুত্ উদ্ভাবক)
* [[হাসান হাফিজুর রহমান]],বাংলা বিভাগ(কবি ও সাংবাদিক)
* [[আলাউদ্দিন আল আজাদ]],বাংলা বিভাগ(ঔপন্যাসিক)
* [[শওকত আলী]],বাংলা বিভাগ(কথাসাহিত্যিক)
* [[আখতারুজ্জামান ইলিয়াস]],বাংলা বিভাগ(কথাসাহিত্যিক)
* [[রাহাত খান]],বাংলা বিভাগ(সাংবাদিক ও সাহিত্যিক)
* [[সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য]],ইতিহাস বিভাগ(শহীদ বুদ্ধিজীবী)
* [[সৈয়দ আব্দুল হাদী]],বাংলা বিভাগ(সঙ্গীত শিল্পী)
* [[অজিত কুমার গুহ]],বাংলা বিভাগ(ভাষা সৈনিক ও সাহিত্য সমালোচক)
 
== সংগঠন ==
;সাংস্কৃতিক ও সামাজিক
 
* [[জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব]]
* [[উদীচী]]
* [[চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র]]
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র
* জবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি
*জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি
*জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব
* জবি আবৃত্তি সংসদ
* জবি থিয়েটার ও চলচ্চিত্র সংসদ
*[[জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি]]
* জবি রোভার স্কাউট
* [[বিএনসিসি]]
*[[বাংলাদেশ ছাত্রলীগ]]
* জবি শিক্ষক সমিতি
*[[জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল]]
* জকসু
*[[সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট]]
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি
*[[বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা]]
* বাঙালি সংস্কৃতি ও সাহিত্য পরিষদ,জবি শাখা
*[[বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন]]
* প্রতিরুদ্ধ
*[[বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন]]
* বাঁধন।
* কনজ্যুমার ইউথ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। (২০১৬ সালের ১৩ই মার্চ প্রতিষ্ঠিত ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতিঃ আশিকুর রহমান সাদ ও সাধারণ সম্পাদক ঝুমুর বিশ্বাস। প্রধান উপদেষ্টাঃ অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দিন, ডিন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদ,জবি।)
*এমসিজে ক্লাব
;বিজ্ঞান
* [[বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ]]
* [[বাংলাদেশ ওপেন সায়েন্স অর্গানাইজেশন]]
 
;বিবিধ
*[[জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ফায়ারফক্স ক্লাব]]
*জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মুটকোর্ট সোসাইটি
;ছাত্র সংগঠন
বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলো হল [[বাংলাদেশ ছাত্রলীগ]], [[জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল]], [[সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট]], বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী, [[বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা]], [[বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন]] এবং [[বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন]]।
 
== স্বাস্থ্য কেন্দ্র ==
জবিতে স্বাস্থ্য রক্ষার মৌলিক সুবিধাদি সম্বলিত একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। রোগ নির্ণয়ে সহায়ক অত্যাধুনিক এক্স-রে মেশিন, আলট্রাস্নোগ্রাম, ই.সি.জি. মেশিন এবং আধুনিক স্বয়ংপূর্ণ একটি প্যাথলজিক্যাল ল্যাব আছে।
এটি নতুন ভবনের নিচতলায় অবস্থিত।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আধুনিক আ্যামবুলেন্স ও রয়েছে
 
== আবাসিক হল ==
ছাত্রদের থাকার সুবিধার্থে ডিসেম্বর, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত সর্বমোট ১০টি হল বা [[ছাত্রাবাস]] রয়েছে; তন্মধ্যে ১টি ছাত্রীদের হল। উল্লেখ্য এই সবগুলো হলই বেদখল হয়ে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পূর্ব থেকেই।<ref>দৈনিক প্রথম আলো, বিশেষ প্রতিবেদন, মুদ্রিত সংস্করণ, ২১ ডিসেম্বর, ২০১১ইং</ref> হলগুলো হলোঃ
* বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল (নতুন ছাত্রী হল)
* বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরড.হাবিবুর রহমান হল (প্রস্তাবিত)
* বাণী ভবন হল
* ড.হাবিবুর রহমান হল,
* বাণীআব্দুর ভবনরহমান হল,
* শহীদ আনোয়ার শফিক হল
* আব্দুর রহমান হল,
* সাইদুর রহমান হল
* শহীদ আনোয়ার শফিক হল,
* রউফ মজুমদার হল
* সাইদুর রহমান হল,
* শহীদ আজমল হোসেন হল
* রউফ মজুমদার হল,
* বজলুর রহমান হল
* শহীদ আজমল হোসেন হল,
* নজরুল ইসলাম খাঁন হল
* বজলুর রহমান হল,
* শহীদ শাহাবুদ্দিন হল
* নজরুল ইসলাম খাঁন হল,
* শহীদ শাহাবুদ্দিন হল।
 
== কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও শরীরচর্চা কেন্দ্র ==
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই ধুপখোলায় অবস্থিত। খেলার মাঠের পাশেই শরীরচর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।
 
== তথ্যসূত্র ==