"নাসিম-উল-গণি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট - নতুন অনুচ্ছেদ!
(প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট - অনুচ্ছেদ সৃষ্টি!)
(আন্তর্জাতিক ক্রিকেট - নতুন অনুচ্ছেদ!)
}}
 
'''নাসিম-উল-গণি''' ({{lang-ur|نسیم الغنی}}; [[জন্ম]]: [[১৪ মে]], [[১৯৪১]]) তৎকালীন [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ ভারতের]] দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী সাবেক পাকিস্তানী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। [[পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল|পাকিস্তান ক্রিকেট দলের]] অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৮ থেকে ১৯৭৩ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।
 
ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান, করাচী, মাইনর কাউন্টিজ, পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংক, পাকিস্তান ইউনিভার্সিটিজ, পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট ও স্টাফোর্ডশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকরী ব্যাটিং করেছেন তিনি।
 
== প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ==
১৯৫৬-৫৭ মৌসুম থেকে ১৯৭৪-৭৫ মৌসুম পর্যন্ত নাসিম-উল-গণি’র [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর]] খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে বেশ প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন নাসিম-উল-গণি। তবে, পরবর্তীতে এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারেননি। আংশিকভাবে নিজস্ব ব্যর্থতা আর কিছুটা [[পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড|দল নির্বাচকমণ্ডলীর]] উপেক্ষা দায়ী ছিল। মূলতঃ বামহাতি স্পিনার হলেও মিডিয়াম পেস বোলিংয়েও দক্ষ ছিলেন তিনি। তার বোলিংয়ে ফ্লাইটই প্রধান অস্ত্র ছিল। ব্যাটিং উদ্বোধনে কিংবা ১১ নম্বরে ব্যাটিং করেছেন তিনি।
 
== আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ==
সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ঊনত্রিশটি [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্ট]] ও একটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন নাসিম-উল-গণি। ১৭ জানুয়ারি, ১৯৫৮ তারিখে ব্রিজটাউনে স্বাগতিক [[ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল|ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের]] বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। টেস্ট অভিষেককালীন ঐ সময়ে তিনি তার বয়স ছিল ১৬ বছর। ঐ সময়ে তিনি বিশ্বের কনিষ্ঠতম টেস্ট খেলোয়াড়ের মর্যাদা লাভ করেছিলেন।<ref name="may14">[http://www.espncricinfo.com/magazine/content/story/149496.html What a waste] Espncricinfo. Retrieved 20 March 2011</ref> ৬ জানুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে সিডনিতে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। অংশগ্রহণকৃত একমাত্র ওডিআইটি ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে খেলেছিলেন।
 
প্রথম [[nightwatchman (cricket)|নাইটওয়াচম্যান]] হিসেবে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। ১৯৬২ সালে লর্ডসে স্বাগতিক [[ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল|ইংল্যান্ড দলের]] বিপক্ষে ১০১ রানের মনোরম ইনিংস খেলেছিলেন। এটিই টেস্ট ক্রিকেটে তার একমাত্র [[শতক (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরি]] ছিল। এছাড়াও, ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম পাকিস্তানী হিসেবে এ সাফল্যের অধিকারী হন।<ref name="may14"/>
 
১৯৯৬ সালে পাকিস্তান দলকে নিয়ে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে ইংল্যান্ড গমন করেন। আইসিসি’র দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
৭৬,৩৪৯টি

সম্পাদনা