"সুসমাচার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] শাস্ত্রীয় সুসমাচারগুলিরই মর্যাদা বেশি। এগুলিকে [[খ্রিস্টধর্মে ঈশ্বর|ঈশ্বর]]-কর্তৃক প্রকাশিত মনে করা হয়। এগুলি খ্রিস্টধর্মের ধর্মীয় ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।<ref>Stott, John R.W. "Basic Christianity". Inter-Varsity Press, 1971. p. 12</ref> চারটি শাস্ত্রীয় সুসমাচারে প্রকাশিত খ্রিস্টের জীবনকথাই যথাযথ ও প্রামাণ্য বলে খ্রিস্টানদের বিশ্বাস।<ref>Keller, Timothy. "The Reason for God". Dutton, 2008. p. 100</ref> তবে অনেক গবেষকের মতে, এই চারটি সুসমাচারের সবকিছু ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বাসযোগ্য নয়।<ref name="TheMyth">The Myth about Jesus, Allvar Ellegard 1992,</ref><ref name="CraigEvans">Craig Evans, "Life-of-Jesus Research and the Eclipse of Mythology", Theological Studies 54 (1993) p. 5,</ref><ref name="Charles">Charles H. Talbert, What Is a Gospel? The Genre of Canonical Gospels pg 42 (Philadelphia: Fortress Press, 1977).</ref><ref name="TheHistorical">“The Historical Figure of Jesus", Sanders, E.P., Penguin Books: London, 1995, p., 3.</ref><ref name="Fireof">Fire of Mercy, Heart of the Word (Vol. II): Meditations on the Gospel According to St. Matthew – Dr Erasmo Leiva-Merikakis, Ignatius Press, Introduction</ref><ref name="religion-online">Grant, Robert M., "A Historical Introduction to the New Testament" (Harper and Row, 1963) http://www.religion-online.org/showchapter.asp?title=1116&C=1230 {{ওয়েব আর্কাইভ|ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20100621102923/http://www.religion-online.org/showchapter.asp?title=1116&C=1230 |তারিখ=২১ জুন ২০১০ }}</ref><ref name="church">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.church.org.uk/resources/csdetail.asp?csdate=01/04/2007 |শিরোনাম=Main Body |প্রকাশক=Church.org.uk |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=2012-12-25 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140404151506/http://www.church.org.uk/resources/csdetail.asp?csdate=01%2F04%2F2007 |আর্কাইভের-তারিখ=২০১৪-০৪-০৪ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
 
[[ইসলাম]] ধর্মে ''[[ইঞ্জিল]]'' ([[আরবি ভাষা|আরবি]]: إنجيل) নামে একটি বইয়ের উল্লেখ আছে। ইসলাম মতে, এই বইটি ঈশ্বর যিশুর কাছে প্রকাশ করেছিলেন। ইঞ্জিল শব্দটি কোনো কোনো অনুবাদে 'গসপেল' অর্থাৎ সুসমাচার হয়েছে। ''[[কুরআন]]''-এ যে চারটি বইকে [[আল্লাহ্‌]]-কর্তৃক প্রকাশিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি তার একটি। তবে ইসলাম মতে, পরবর্তী যুগে ইঞ্জিলের কথা পালটে দেওয়া হয়েছিল। তাই ঈশ্বর নবী [[মুহাম্মদ (সাঃ)]] 'কে পাঠিয়েছিলেন শেষ বই ''[[কুরআন]]'' প্রকাশ করার জন্য।<ref>''Historical Dictionary of Prophets in Islam and Judaism'', B.M. Wheeler, ''Injil''</ref>
 
== ব্যুৎপত্তি ==
১,৭৭,৩৮৩টি

সম্পাদনা