"কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বিষয়বস্তু যোগ, চরিত্রসমূহ সম্প্রসারণ)
হুমায়ুন আজাদ এই উপন্যাস উৎসর্গ করেছেন, ফরাসী কবি [[শার্ল বোদলেয়ার|শার্ল বোদলেয়ারের]] প্রতি যাকে তিনি দণ্ডিত মহাকবি বলে উল্লেখ করেছেন।<ref name="কবি">{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=আজাদ |প্রথমাংশ১=হুমায়ুন |তারিখ=ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ |শিরোনাম=কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ |প্রকাশক=[[আগামী প্রকাশনী]] |পাতা=৫ |আইএসবিএন=984-7-000-61208-3 |সংগ্রহের-তারিখ={{#time: F j, Y}} }}</ref>
==বিষয়বস্তু==
হাসান রশিদ নামের এক কবিকে নিয়ে উপন্যাসের মূল কাহিনী যে এক নিসঃঙ্গ মানুষ, নিজস্ব বাসা আছে কিন্তু বাসায় সে ছাড়া আর কেউ থাকেনা, হাসান কবিতা লেখে, কবি-বন্ধু/অন্যান্য কবিদের সঙ্গে আড্ডা দেয়, পতিতালয়ে যায় - এভাবেই চলে তার জীবন। একদা সে আলাউদ্দীন রেহমান নামের এক বন্ধুর বিশেষ অনুরোধে বিজ্ঞাপনের চিত্রনাট্য-কাহিনী লিখার কাজে তার কম্পানি এ্যাড ২০০০ -এ যোগ দেয় যদিও এর আগে হাসান পেশা হিসেবে একটি গ্রামের কলেজে শিক্ষকতা করতো কিন্তু পড়ে তা ছেড়ে দিয়েছিলো। হাসানের জীবনের শ্যামলী নামের এক নারীসঙ্গ আসে যে বিবাহিত কিন্তু একদিন হাসানের কাছে অপরাধবোধ হবার কারণে সে নিজেই শ্যামলীর স্বামীকেস্বামী ফরহাদকে টেলিফোন করে তাদের তার সঙ্গে শ্যামলীর পরকীয়ার কথা জানিয়ে দিয়ে সম্পর্কটা নষ্ট করে দেয়। উপন্যাসের শেষে হাসানের জীবনে মেঘা নামের একটা মেয়ে আসে যে হাসানের চেয়ে অনেক ছোটো কিন্তু এই মেঘার কারণেই হাসানের জীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
==চরিত্রসমূহ==
*হাসান রশিদ - পুরোনাম মোহাম্মদ আবুল হোসেন তালুকদার, একজন নিসঙ্গ মানুষ যিনি কবিতা লেখেন,
*আলাউদ্দীন রেহমান - একজন ব্যবসায়ী, নিজস্ব কম্পানি আছে, হাসানের বন্ধু, হাসান তার কম্পানিতে চাকরি পায়
*শ্যামলী - এক বিবাহিত নারী যার সঙ্গে হাসানের পরকীয়া প্রেম থাকে, হাসানের চেয়ে ছয় বছরের বড়
*ফরহাদ - শ্যামলীর স্বামী
*মেঘা - হাসানের সঙ্গে বিয়ে ছাড়াই একত্রবাসকারী এক অল্পবয়স্ক মেয়ে
*ইয়াসমীন - উঠতি বয়সী এক তরুণী যে হাসানের সঙ্গে প্রেম করতে চায়
বেনামী ব্যবহারকারী