"সময় ভ্রমণ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
===== কোয়ান্টাম তত্ত্বে সময় ভ্রমণ =====
 
পদার্থবিদ্যার সনাতন তত্ত্ব অনুযায়ী যে কোনো সংকেত সর্বাধিক আলোর বেগে বিস্তারলাভ করতে সক্ষম। কিন্তু কোয়ান্টাম তত্ত্বে সংকেত বিস্তারের গতিবেগ আলোর গতিবেগের চেয়েও বেশীবেশি হতে পারে। কোনো সংকেত আলোর সমান বা তার চেয়ে কম গতিবেগে বিস্তার লাভ করলে সমস্ত পর্যবেক্ষক এ বিষয়ে সহমত হবেন যে, সংকেত প্রেরণের ঘটনাটি সংকেতপ্রাপ্তির আগে ঘটেছে। কিন্তু সংকেত আলোর চেয়ে অধিকতর বেগে বিস্তার লাভ করলে সমস্ত পর্যবেক্ষক এর ঠিক বিপরীত ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করবেন। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে সংকেতপ্রাপ্তির ঘটনাটি সংকেত প্রেরণের আগে ঘটবে। পক্ষান্তরে বলা যেতে পারে যে প্রেরিত সংকেত সময়ের বিপরীত অভিমুখে সঞ্চারিত হয়েছে। এটি কোয়ান্টাম তত্ত্বে 'ট্যাকিওনের বিপ্রতীপ দূরভাষ' ([[Tachyonic antitelephone]]) নামে জনপ্রিয়।
 
কোয়ান্টাম তত্ত্বের বহু বিশ্বের অস্তিত্বের ব্যাখ্যা অনুসারে কোনরকম সমস্যা ছাড়াই সময় পরিভ্রমণ সম্ভব। তবে এই তত্ত্ব অনুযায়ী একজন সময় ভ্রমণকারী সময় অক্ষ বরাবর সঞ্চারণের সময় কেবলমাত্র নিজস্ব বিশ্বের অনুরূপ সেই সমস্ত বিশ্বেই উপনীত হতে সক্ষম যাতে এই প্রক্রিয়ায় কার্যকারণ সম্পর্কটি বিঘ্নিত না হয়। এই ধারণাটি কল্পবিজ্ঞানে খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করে।
===== পরীক্ষালব্ধ ফলাফল =====
 
বিভিন্ন সময়ে বহু বিজ্ঞানী দাবী করেছেন যে তারা আলোর চেয়ে বেশীবেশি গতিবেগে সংকেত প্রেরণের মাধ্যমে সময় ভ্রমণের ধারণাটি বাস্তবায়িত করেছেন। এঁদের মধ্যে লিজুং ওয়াং, গুন্টার নিমস, অ্যালফন্স স্তালহফেন প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলির কোনটিরই ফলাফল এবং ব্যাখ্যা এখনো সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকৃত নয়।
 
== ভবিষ্যতের সময়সঞ্চারীরা ==
১,৭৭,৩৮৩টি

সম্পাদনা