"দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
=== ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ ===
১০ই মে ১৯৪০ একসাথে চারটি দেশ আক্রমণ করে জার্মানি। ফরাসিরা ভেবেছিল আক্রমণ আসবে ফ্রান্স জার্মানি সীমান্তের রণরেখা ম্যাগিনোট লাইনের ওপর। অথবা বেলজিয়ামের ভিতর দিয়ে আরদেন হয়ে। তারা ভেবেছিল জার্মানির প্যানজার বাহিনী আরদেনের [[জঙ্গল]] ভেদ করে আসতে পারবে না। ১৪ই মে নেদারল্যান্ডের পতন ঘটলো। ১৪ই মে আরদেন থেকে জার্মান বাহিনী বেরিয়ে এসে দিশেহারা মিত্র সেনাদের ছিন্নবিছিন্ন করে প্রবল বেগে এগোতে থাকল। ডানকার্ক বন্দর দিয়ে তড়িঘড়ি ফরাসি ও ব্রিটিশ অভিযানবাহিনীর সেনা পশ্চাদপসরণ শুরু হলো। ২৬শে মে থেকে ৪ঠা জুন ইতিহাসের বৃহত্তম সেনা অপসারণের কাজ শেষ হলো। তবে ফেলে আসতে হলো বেশীরভাগবেশিরভাগ যন্ত্রাদি। এরমাঝে ২৭শে মে বেলজিয়ামের পতন হলো।
 
১০ই জুন ইতালিও যুদ্ধ ঘোষণা করল। তবে তারা আক্রমণ শুরু করে ২০শে জুন থেকে। ফরাসি সরকার প্রথমে তুর ও পরে বোর্দোতে সরে গেল। ১৪ই জুন প্যারিসের পতন ঘটল। ১৬ই জুন প্রধানমন্ত্রী [[রেনো]] পদত্যাগ করলেন ও তার বদলে এলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নায়ক [[পেত্যাঁ]]। ২২শে জুন জার্মান-ফরাসি এবং ২৪শে জুন জার্মান-ইতালীয় শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফ্রান্সের বেশিরভাগ এলাকা জার্মানি নিয়ে নেয়। অল্প কিছু জায়গা জুড়ে পেঁত্যা একটি নিরপেক্ষ কিন্তু জার্মানির প্রভাবাধীন সরকার গঠন করেন। এটি ''ভিশি ফ্রান্স'' নামে পরিচিত হয়।
বিশ্বযুদ্ধের শেষ মাসে প্রায় পাঁচ মিলিয়ন জার্মান বেসামরিক নাগরিক [[পূর্ব প্রুশিয়া]], [[পোমারানিয়া]] এবং [[সিলেসিয়া]] রাজ্য থেকে [[রেড আর্মি|রেড আর্মির]] প্রচণ্ড আক্রমণের হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যে [[ম্যাকলেনবার্গ]], [[ব্রান্ডেনবার্গ]] এবং [[স্যাক্সনি|স্যাক্সনিতে]] [[উদ্বাস্তু]] হিসেবে [[আশ্রয়]] নেয়।
 
[[পটসড্যাম সম্মেলন|পটসড্যাম সম্মেলনের]] সিদ্ধান্ত মিত্রশক্তি অনুমোদন না করায় [[যুগোস্লাভিয়া]] এবং [[রোমানিয়া|রোমানিয়ায়]] অবস্থানরত হাজার হাজার জাতিগত জার্মানদেরকে [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নে]] দাস শ্রমের জন্য ফেরত পাঠানো হয়। বিশ্বের ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে বেশীবেশি শরণার্থী স্থানান্তর প্রক্রিয়া। ১৫ মিলিয়ন জার্মানদের সবাই এতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এছাড়াও, দুই মিলিয়নেরও অধিক জার্মান বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে বিতাড়িত হয়ে প্রাণ হারান।<ref>{{বই উদ্ধৃতি| শিরোনাম=Statistisches Bundesamt, Die Deutschen Vertreibungsverluste |অবস্থান=Wiesbaden |বছর= 1958}}</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Forced Resettlement", "Population, Expulsion and Transfer", "Repatriation" |কর্ম= Encyclopaedia of Public International Law |প্রকাশক=North Holland Publishers |সংস্করণ=Volumes 1–5 |অবস্থান=Amsterdam |তারিখ= 1993–2003}}</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি| লেখক=Norman Naimark |শিরোনাম= The Russians in Germany |প্রকাশক= Harvard University Press |বছর= 1995}}</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি| লেখক=Alfred de Zayas |শিরোনাম=Nemesis at Potsdam |প্রকাশক=Routledge |অবস্থান= London and Boston |বছর= 1977}}</ref><ref>{{বই উদ্ধৃতি| লেখক=Alfred de Zayas |শিরোনাম=A Terrible Revenge |প্রকাশক=Palgrave/Macmillan |বছর= 2006}}</ref>
 
আরও দেখুন
১,৭৮,৫৭৪টি

সম্পাদনা