"রাশোমোন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
=== আবার কাঠুরে ===
কাঠুরে সাধারণ লোক এবং ধর্মপ্রচারককে বলে, আদালতে দেয়া তার সাক্ষ্যটি মিথ্যা ছিল। সে বেশীবেশি জড়িত হয়ে যাওয়ার ভয়ে এই মিথ্যা বলেছে। এরপর স্বীকার করে, সে আসলে ধর্ষণ এবং খুন দুটোই সচক্ষে দেখেছে। সে বলে ধর্ষণের পর তাজোমারু হাটু গেড়ে বসে মেয়েটিকে তার স্ত্রী হওয়ার অনুরোধ করছিল। মেয়েটি বলে, এই সিদ্ধান্ত সে দিতে পারে না। সে নিজের স্বামীকে মুক্ত করে বুঝিয়ে দেয়, সামুরাই ও তাজোমারুকে লড়তে হবে; তাকে পাওয়ার জন্য। সামুরাই এই নিকৃষ্ট মেয়ের জন্য মরতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বলে, স্ত্রী হারানোর থেকে তার কাছে ঘোড়া হারানোর কষ্ট অনেক বেশী।বেশি। এ কথা শুনে তাজোমারু মেয়েটির প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলে এবং চলে যেতে উদ্যত হয়। মেয়েটি অঝোরে কাঁদতে থাকে। এক পর্যায়ে সামুরাই তাকে কান্না থামাতে বলে। তাজোমারু সামুরাইয়ের এই কথাকে অপুরুষোচিত বলে। সে আরও বলে, মেয়েরা দুর্বল এবং কান্না ছাড়া আর কিছু পারে না। এই পর্যায়ে মেয়েটি দুজনকেই ধিক্কার দিতে থাকে; সামুরাইকে নিজের স্ত্রীকে রক্ষা করতে না পারার জন্য এবং তাজোমারুকে নিজের ভালোবাসার গুরুত্ব না বোঝার জন্য। উস্কানিমূলক কথার মাধ্যমে সে দুজনের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেয়। কিন্তু দুজনে ভয়ংকরভাবে লড়তে শুরু করার পর সে ভীত হয়ে নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হতে শুরু করে। তারা লড়ছিলো নিজেদের সম্মান রক্ষার জন্য, মেয়েটির প্রতি ভালোবাসা কারোই খুব একটা ছিল না। বিভৎস দ্বন্দ্বযুদ্ধ শেষে তাজোমারু জয়ী হয়, কোনরকম দক্ষতা দেখিয়ে নয়, বরং ভাগ্যগুণে। বিজয়ী হওয়ার পর সে সামুরাইকে খুন করে। সচক্ষে স্বামীর বিভৎস মৃত্যু দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠে মেয়েটি। আহত তাজোমারু তাকে ধরতে গেলে সে পালিয়ে যায়। মেয়েটিকে ধরতে না পেরে তাজোমারু সামুরাইয়ের তরবারি নিয়ে খোড়াতে খোড়াতে দৃশ্য ছেড়ে চলে যায়।
 
=== চরম পরিণতি ===
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা