"বার্মায় ব্রিটিশ শাসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
বর্মার কম্যিউনিস্ট দলের বামপন্থী সদস্যরা এবং এ.এফ.পি.এফ.এল এর রক্ষণশিল সদস্যরা এই চুক্তির কিছু দাবী মেনে নিতে পারেনি ফলে সদস্য কর্তৃৃত্ব দ্বারা বামপন্থীরা সদস্যরা দুর্ব্যবহার পায় ও রক্ষণশীলরা সদস্যরা এর বিপক্ষে কথা বলে৷ আং সান ভাষাগত সংখ্যালঘুদের সমর্থন জোগাড় করে একটি একত্রিত অখণ্ড বর্মা গঠনের লক্ষ্যে ১২ই ফেব্রুয়ারী পাংলং সম্মেলন|পাংলং সম্মেলনে একটি চুক্তিপত্র পেশ করতে সক্ষম হন এবং দিনটি বর্মায় "ঐক্যের দিবস" নামে পরিচিতি পায়৷<ref name="ms"/><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.ibiblio.org/obl/docs/panglong_agreement.htm| শিরোনাম=The Panglong Agreement, 1947|প্রকাশক=Online Burma/Myanmar Library}}</ref> চুক্তি সাক্ষরের অল্প সময়ের মধ্যেই আরাকান প্রদেশে এক অভিজ্ঞ সন্যাসী উ শেইন্দার নেতৃৃত্বে বিদ্রোহ ঘোষিত হয়, যা সমগ্র জেলাটিতে ছড়িয়ে পড়ে৷<ref name="ms"/> এইসময়ে এ.এফ.পি.এফ.এল - এতে আং সান এবং সমাজবাদীদের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে৷ এর প্রভাবে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে এপ্রিল মাসে বিধানসর্ভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে নিরঙ্কুশভাবে আং সানের দল বিজয়ী ঘোষত হয়৷<ref name="ms"/>
 
১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে জুলাই বর্মাতে ঘটে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা দেশজুড়ে স্তব্ধতা সৃষ্টি করে৷ এক রক্ষণশীল প্রাকযুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী "উ সাও" নেতা আং সানের গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা করে৷ আলোচনা সভায় একত্রিত হয়ে "উ সাও", তার মন্ত্রীসভারমন্ত্রিসভার বিশ্বস্ত সদস্যগণ এবং বর্তমান [[গণতন্ত্রের জন্য জাতীয় লীগ|গণতন্ত্রের জন্য জাতীয় লীগের]] জনক এবং তার জ্যেষ্ঠভ্রাতা "শেইন উইন" এবং তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা "বা উইন" এই গুপ্তহত্যার ছক কষেন৷<ref name="ms"/><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.irrawaddy.org/database/1997/vol5.4.5/aungsan.html|শিরোনাম=Who Killed Aung San? – an interview with Gen. Kyaw Zaw|তারিখ=August 1997|কর্ম=The Irrawaddy|সংগ্রহের-তারিখ=30 October 2006 |আর্কাইভের-ইউআরএল = https://web.archive.org/web/20060819090402/http://www.irrawaddy.org/database/1997/vol5.4.5/aungsan.html |আর্কাইভের-তারিখ = 19 August 2006}}</ref> এরপর থেকে বর্মাতে ১৯ শে জুলাই দিনটিকে জাতীয় বর্মী শহিদ দিবস হিসাবে পালন করা হয়৷ সমাজবাদী দলের দলনেতা "থাকিন নু" এরপরে নতুন মন্ত্রীসভামন্ত্রিসভা গঠন করে এবং ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা জুলাই মন্ত্রীত্ব পদে আসিন হয়ে [[বর্মা স্বাধীনতা অধিনিয়ম, ১৯৪৭]]-এর বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে থাকেন৷ বর্মা একটি পূর্ণ স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে সায় দেয় এবং স্বাধীনতার পরে ব্রিটিশ অধিরাজ্য হয়ে থাকতে নাকচ করে৷ এটি ছিলো [[ভারত]] এবং [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] যুগ্ম স্বাধীনতা সিদ্ধান্তের পারভাব কারণ তারা উভয়ই স্বশাসিত অধিরাজ্য এবং পূর্ণ স্বাধীনতাকে বেছে নিয়েছিলো৷ শুধু তাই নয় উভয় দেশের স্বাধীনতার প্রভাবে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ থেকেই বর্মাতে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতাকামী মনোভাব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিলো৷<ref name="ms"/>
 
==তথ্যসূত্র==
১,৭৪,২৯৯টি

সম্পাদনা