"সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
যখন আব্দুল জলিল গ্রেপ্তার হন, তখন সৈয়দ আশরাফুল আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
 
২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মন্ত্রীসভামন্ত্রিসভা গঠিত হলে তিনি [[স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়|স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের [[১০ম জাতীয় সংসদ]] নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পুনরায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করেন। এক মাস এক সপ্তাহ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী থাকার পর ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে রাখা [[জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)|জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্ব দেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.mzamin.com/details.php?mzamin=ODQxMTU=&sMQ== |শিরোনাম=জনপ্রশাসন মন্ত্রী হলেন সৈয়দ আশরাফ |ওয়েবসাইট=মানবজমিন |সংগ্রহের-তারিখ=১২ নভেম্বর ২০১৮}}</ref>
 
== ব্যক্তিগত জীবন ==
[[বিষয়শ্রেণী:দশম জাতীয় সংসদ সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:শেখ হাসিনার তৃতীয় মন্ত্রীসভারমন্ত্রিসভার সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:শেখ হাসিনার দ্বিতীয় মন্ত্রীসভারমন্ত্রিসভার সদস্য]]
১,৮২,৩৮১টি

সম্পাদনা