মাধ্যমিক পরীক্ষা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(সংশোধন)
 
২০১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নম্বর বিভাজন পরিবর্তন করে সমস্ত অত্যাবশ্যকীয় বিষয়ের জন্যে ৯০ নম্বর ধার্য করা হয়। অধিকন্তু, প্রত্যেক বিষয়ের ক্ষেত্রে অনুরূপ ৯০ নম্বর (বলা ভালো ১০০ নম্বর) রাখা হয়, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে ১০ নম্বর বরাদ্দ হয়। একটা অন্যথা হল যখন এক পরীক্ষার্থী কোনো বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা না-দেয়, সেক্ষেত্রে লিখিত পত্রে ১০ নম্বর অতিরিক্ত থাকে। পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উত্তীর্ণ হওয়ার নম্বর হল ২৫ শতাংশ। এবং প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে অবশ্যই প্রত্যেক বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়।
 
পর্ষদের মনোনীত এক দীর্ঘ বিষয় তালিকার মধ্যে থেকে বিদ্যালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী একটা অতিরিক্ত বিষয় ছাত্রছাত্রীরা নিতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ পছন্দ হল কর্ম শিক্ষা এবং শারীর শিক্ষা। অন্যান্য পছন্দের মধ্যে আছে বলবিজ্ঞান ও গণিত (অতি উচ্চ-নম্বর পাওয়া প্রায় সব ছাত্রছাত্রীর সর্বজনীন পছন্দ)। যদি একজন শিক্ষার্থী একটা বিষয় অতিরিক্ত হিসেবে নেওয়ার ইচ্ছা করে, এটা হতে পারে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, কম্পিউটার সায়েন্স এবং অন্যান্য বিষয়। যদিও বিষয়টা ঐচ্ছিক, অতি অল্প ছাত্রছাত্রী এটা পছন্দ করে। যদি অতিরিক্ত বিষয়ের নম্বর ৩৪ থেকে বেশি হয়, তাহলে ৩৪ বাদ দিয়ে বাকি নম্বর সর্বমোট নম্বরের সঙ্গে যোগ হয়। ৩৪ নম্বরের সমান অথবা কম হলে সর্বমোট নম্বরে কোনো বাড়তি নম্বর যোগ হয়না। এই বিষয় থাকা সত্ত্বেও ৯০০ নম্বর না-করে ৮০০ নম্বরের ওপর শতাংশের হিসেব কষা হয়; এভাবে ১০০ শতাংশের বেশি নম্বর তোলার সুযোগের প্রস্তাবনা থাকে। পরের দিকে এই পদ্ধতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ছাত্রছাত্রীরা একটা অতিরিক্ত বিষয় কেবলমাত্র জ্ঞান লাভের জন্যে নিয়ে থাকে। কোনো নম্বর এই বিষয় থেকে হিসেবের মধ্যে ধরা হয়না, একটা সিদ্ধান্ত বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রীর এই বিষয় ছেড়ে দেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি পরীক্ষার ফলাফল পরিবর্তন করার জন্যে অতিরিক্ত বিষয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়না।<ref> name=WBBSE_History</ref>
 
[[কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশন্স]] এবং [[সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন]]-এর মতো কেন্দ্রীয় পর্ষদগুলো জাতীয় পাঠ্যক্রমের প্রস্তাব দেয় যেখানে পাঠ্যসূচিকে খুব সহজ এবং উচ্চ-নম্বর পাওয়ার (কিন্তু দীর্ঘায়ত, গভীরতা কম, বিষয়বস্তু বেশি) ব্যবস্থাকে যাচাই করার প্রচেষ্টা চলেছিল। সেখানে পরামর্শ ছিল যে, মাধ্যমিক পরীক্ষা শুধুমাত্র দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচি অনুযায়ী নেওয়া হবে, যেমন উচ্চ মাধ্যমিকে অবতারণা করা হয়েছিল। চলতি বছরের (২০১১) ছাত্রছাত্রীরা আগের মতোই নবম এবং দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পরীক্ষা দেবে। যাইহোক, ২০১২ থেকে শুধুমাত্র দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ওপরই পরীক্ষা নেওয়া হবে।<ref> name=WBBSE_History</ref>
 
2007 খ্রিস্টাব্দের মাধ্যমিকের জন্যে সকল [[কোর্স (শিক্ষা)|বিষয়]]ভিত্তিক পাঠ্যসূচিতে ছাত্রছাত্রীদের ওপর চাপ কমাবার জন্যে বদল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে সব বিষয়েই কিছু-না-কিছু সংযোজন এবং ছাঁটাই করা হয়েছে।<ref> name=WBBSE_History</ref>
<br />
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা]]
১,৮৭৫টি

সম্পাদনা