"দিনাজপুর জেলা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
পঞ্চনগরী বিষয় কোথায় ছিল, তা আজ পর্যন্ত নির্ধারিত হয়নি। গ্রীক ইতিহাসে বর্ণিত পেন্টাপলিস এবং গুপ্ত ও পালযুগের বিভিন্ন তাম্রলিপিতে উল্লিখিত পঞ্চনগরী যে অভিন্ন, তাতে কোন সন্দেহ নেই। প্রথম মহীপালের রাজত্বের পর পরই যে পঞ্চনগরীর অবনতি ঘটে, তার প্রমাণ পাওয়া যায় প্রথম মহীপাল ও তৃতীয় বিগ্রহ পালের বেলওয়া তাম্রলিপি থেকে। বানগড় তাম্রলিপি ও দামোদরপুর তাম্রলিপিগুলি থেকে জানা যায় যে, কোটিবর্ষ বিষয়ের পূর্ব সীমানা ছিল খুব সম্ভবত ফুলবাড়ি থানার পূর্ব দিক দিয়ে প্রবাহিত করতোয়া নদী এবং করতোয়ার যে প্রবাহটি বিরামপুরের উত্তরে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছিল, তা বোধহয় ফুলবাড়ি-বিরামপুর অঞ্চলে কোটিবর্ষ বিষয়ের দক্ষিণ সীমা নির্দেশ করত। এর পরে যমুনা নদীই ছিল কোটিবর্ষ বিষয়ের পূর্ব সীমানা। দামোদরপুর তাম্রলিপির চন্ডিগ্রাম খুব সম্ভব বর্তমান চন্ডীপুর।
 
বৈগ্রাম ও বেলওয়া তাম্রলিপিদ্বয় থেকে ধারনা করা যায় যে, পঞ্চনগরী বিষয়ের পশ্চিম সীমানা ছিল খুব সম্ভব প্রাচীন যমুনা নদী এবং উত্তর ও পূর্ব সীমানা ছিল খুব সম্ভব যথাক্রমে করতোয়া নদীর একটি প্রবাহ ও করতোয়া নদী। দক্ষিণ দিকে এ বিষয়ের সীমানা কতদূর পর্যন্ত প্রসারিত ছিল, তার সঠিক বিবরণ পাওয়া যায় না। তবে পুণ্ড্রবর্ধনের নিকটবর্তী অঞ্চলে শিলবর্ষ নামক একটি বিষয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। এ বিষয়ের উত্তরেই ছিল খুব সম্ভব পঞ্চনগরীর দক্ষিণ সীমানা। এ তথ্য থেকে ধারণা করা যায় যে, দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার প্রায় সম্পূর্ণ এলাকা, ঘোড়াঘাট থানার সম্পূর্ণ অংশ, হাকিমপুর ও বিরামপুর থানার অধীনে যমুনা নদীর পূর্বতীরবর্তী এলাকা, রংপুর জেলার [[গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা।গোবিন্দগঞ্জ]] থানার অধীনে করতোয়ার পশ্চিমে তীরবর্তী অঞ্চল, বগুড়া জেলার ক্ষেতলাল ও পাঁচবিবি থানাদ্বয়ের সমগ্র অঞ্চল এবং জয়পুরহাট থানার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল পঞ্চনগরী।
 
এই সমগ্র এলাকায় অনেকগুলি প্রাচীন জনপদ আছে। সেগুলির মধ্যে সীতাকোট-নবাবগঞ্জ, চকজুনিদ-দারিয়া, ভাদুরিয়া-হরিনাথপুর, বেলওয়া-পল্লরাজ ঘোড়াঘাট-রোগদহ-সাহেগঞ্জ, বিরাটনগর, টুঙ্গিশহর, পাথরঘাটা, (মহীগঞ্জ) ও চরকাই-বিরামপুরের নাম উল্লেখের দাবি রাখে। এগুলির মধ্যে নানা কারণে পাথরঘাটা ও চরকাই-বিরামপুরের মধ্যে একটিকে পঞ্চনগরী বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।
 
=== প্রাচীন যুগ ===
দিনাজপুর একসময়ে [[পুণ্ড্রবর্ধন|পুণ্ড্রবর্ধনের]] অংশ ছিল। [[গৌড় অঞ্চল|লক্ষ্ণৌতি]]র রাজধানী [[দেবকোট|দেবকোটের]] অবস্থান ছিল দিনাজপুর সদরের ১১ মাইল দক্ষিণে।
 
সম্প্রতি [[ঘোড়াঘাট উপজেলা]]র সুর মসজিদের পাশের পুকুর থেকে [[গুপ্ত সাম্রাজ্য|গুপ্ত যুগের]] একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে।
== প্রতিষ্ঠা ও নামকরণ ==
দিনাজপুর জেলা ১৭৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
জনশ্রুতি আছে, জনৈক দিনাজ অথবা দিনারাজ দিনাজপুর রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তার নামানুসারেই রাজবাড়িতে(রাজবাটী) অবস্থিত মৌজার নাম হয় "দিনাজপুর"। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসকরা ঘোড়াঘাট সরকার বাতিল করে নতুন জেলা গঠন করে এবং রাজার সম্মানে জেলার নামকরণ করে "দিনাজপুর"।
 
== ভৌগোলিক সীমানা ==
** [[দিনাজপুর নার্সিং কলেজ]]
* কলেজ:
** ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, পার্বতীপুর(১৯৯৪)
** সেতাবগঞ্জ সরকারি কলেজ (১৯৬৭),
** আমবাড়ী ডিগ্রী কলেজ
** রাজারামপুর এসইউ উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৩),
** মোল্লাপাড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৩),
** ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়, পার্বতীপুর(১৯৯৪)
** পার্বতীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৪),
** আমবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
৩৭টি

সম্পাদনা