"ভোলা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
|postal_code =
}}
 
 
'''ভোলা''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[বরিশাল বিভাগ|বরিশাল বিভাগের]] [[ভোলা জেলা]]র সদরদপ্তর ও জেলা শহর। ভোলা শহর ঢাকা থেকে নদী পথে দূরত্ব ১৯৫ কি.মি.। ভোলা শহর [[ভোলা সদর উপজেলা]]রও প্রশাসনিক সদরদপ্তর। ৪৫.৪০ বর্গকিলোমিটার আয়তন এবং ৭১,৬৯৮ জন জনসংখ্যা বিশিষ্ট শহরটি [[ভোলা পৌরসভা]] দ্বারা শাসিত হয়। শহরটি নদীপথেই মূলত অন্যান্য অঞ্চলের সাথে যুক্ত।
ভোলার নামকরণের পেছনে স্থানীয়ভাবে একটি কাহিনী প্রচলিত আছে । ভোলা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছে '''বেতুয়া''' নামক একটি খাল। খালটি এখনকার মত এত অপ্রশস্ত ছিলনা । একসময় এটা প্রশস্ত ছিল যে খালটি পরিচিত ছিল বেতুয়া নদী নামে। খেয়া নৌকার সাহায্যে নদীতে পারাপার করা হতো।
ভোলা গাজি পাটনি নামে এক বৃদ্ধ মাঝি খেয়া নৌকার নৌকার সাহায্যে লোকজনকে পারাপারের কাজ করতো। বর্তমান যোগীর ঘোলের কাছেই তার আস্তানা ছিল । এই ভোলা গাজির নামানুসারেই একসময় এ অঞ্চলের নামকরণ হয় ভোলা ।
<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://www.bhola.gov.bd/site/page/af3801ed-17a2-11e7-9461-286ed488c766/%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF|titleশিরোনাম= ভোলা জেলার পটভূমি|publisherপ্রকাশক=bhola.gov.bd |accessdateসংগ্রহের-তারিখ= 2019-11-03}}</ref>
 
==ইতিহাস==
বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে ভোলা শহর [[ভোলা জেলা]]র প্রশাসনিক দপ্তর এবং সর্ববৃহৎ শহর।
এর পূর্বের নাম ছিল দক্ষিণ শাহবাজপুর। ১৮২২ অবধি শাহবাজপুর তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার একটি অংশ ছিল। ঊনিশ শতকের গোড়ার দিকে মেঘনা নদীর সম্প্রপ্রসারণের কারণে জেলা সদর থেকে দক্ষিণ শাহবাজপুরের সাথে সংযোগ স্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এরপরে সরকার দক্ষিণ শাহবাজপুর এবং হাতিয়াকে নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৮৪৫ সালে ভোলা নোয়াখালী জেলার অধীনে মহকুমা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। তখন এর প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল বর্তমান [[দৌলতখান]]। পরবর্তীতে ১৮৬৯ সালে ভোলা মহকুমা বৃহত্তর [[বরিশাল জেলা]]র [[মহকুমা]]য় উন্নীত হয় এবং ১৮৭৬ সালে এর সদর দপ্তর দৌলতখান হতে ভোলা শহরে স্থানান্তরিত করা হয়। মূলত তখন হতেই ভোলা শহরাঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠতে থাকে। ১৯৮৪ সালে ভোলা মহকুমা স্বতন্ত্র [[জেলা]] হিসেবে উন্নীত হয় এবং ভোলা ''জেলা শহর'' হিসেবে মর্যাদা পায়। এলাকার কিংবদন্তী, মসজিদ মন্দিরের স্থাপত্য ও নানা ঐতিহাসিক নিদর্শণ বিশ্লেষণ করলে অনুমিত হয় এ জনপদ মাত্র ৭/৮ শত বছর আগে সভ্যতার আলোকপ্রাপ্ত হয়েছে। মহারাজা কন্দর্প নারায়ণের কণ্যা বিদ্যাসুন্দরী ও কমলা রাণীর দিঘির ইতিহাস এ অঞ্চলের লোক সংস্কৃতির একটি অংশ। এ দিঘির কাহিনী নিয়ে সুদুর তামিলনাড়ুর নিম্নাঞ্চলে এখনও গান পরিবেশিত হয়।
<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://www.bhola.gov.bd/site/top_banner/4d62f221-1796-11e7-9461-286ed488c766/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%B0|titleশিরোনাম= ভোলা জেলার পটভূমি|publisherপ্রকাশক=bhola.gov.bd |accessdateসংগ্রহের-তারিখ= 2019-11-03}}</ref>
 
<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://www.bhola.gov.bd/site/page/7996fc7f-17a2-11e7-9461-286ed488c766/%E0%A6%AD%E0%A7%8C%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF|titleশিরোনাম= ভোলা জেলার পটভূমি|publisherপ্রকাশক=bhola.gov.bd |accessdateসংগ্রহের-তারিখ= 2019-11-03}}</ref>
পরবর্তীতে ১৯২০ সালে এবং পুনরায় ১৯৭২ সালে শহর পরিচালনার উদ্দেশ্যে [[ভোলা পৌরসভা]] গঠিত হলে ভোলা পৌরশহরের মর্যাদা লাভ করে।
 
১,৭৮,৫৭৪টি

সম্পাদনা