"আতা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎প্রজাতিসমূহ: ব্যাকরণ ঠিক করা হয়েছে, তথ্য যোগ করা হয়েছে
(→‎প্রজাতিসমূহ: ব্যাকরণ ঠিক করা হয়েছে, তথ্য যোগ করা হয়েছে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
== প্রজাতিসমূহ ==
 
বর্তমানে সাতটি এনোনা ([[Annona]]) গণভুক্ত '[[প্রজাতি]]' এবং একটি '[[শঙ্কর]] জাত' পৃথিবীজুড়ে বাড়ির আশেপাশে বা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে [[চাষ]] করা হয়। সবগুলোই সুস্বাদু ফল। <ref name="icuc">{{ওয়েব উদ্ধৃতি
|ইউআরএল = http://www.icuc-iwmi.org/files/News/Resources/Factsheets/annona.pdf
|শিরোনাম = Factsheet No. 5. ''Annona''
জনপ্রিয় প্রজাতিগুলো হচ্ছে-
 
* '''''[[Annona squamosa]]''''' -এটিই বাংলাদেশে[[বাংলাদেশ]]ে সবচেয়ে বেশি জন্মে। স্বাদেও এটিই সেরা। সুমিষ্ট এই ফলটি আতা নামে বেশিরভাগ স্থানে পরিচিত। তবে কোথাও একে মেওয়া এবং কোথাও একে শরিফা বলা হয়। হিন্দিতেও একে শরিফা (शरीफा) বলা হয়। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম সীতাফলম। এর চামড়ায় গুটি গুটি চোখ আছে।
* '''''[[Annona reticulata]]''''' -এর চামড়া মসৃণ, লালচে রঙ, স্বাদে কিছুটা নোনতা।[[নোনতা]]। নোনাফল নামে বেশি পরিচিত; তবে কোথাও কোথাও এটিকেই আতা বলা হয়। সংস্কৃত ভাষায় একে রামফলম বলা হয়।
* '''''[[Annona senegalensis]]''''' -ইংরেজিতে একে 'আফ্রিকান কাস্টার্ড অ্যাপল' বলা হয়। এরও চামড়া মসৃণ, হলদেটে রঙ। এটিও নোনাফল নামে বেশি পরিচিত। আফ্রিকান নোনা নামেও ডাকা হয়।
* '''''[[Annona muricata]]''''' -ইংরেজিতে একে 'সাওয়ার-সপ' (soursop বা graviola) বলা হয়। এরও চামড়া প্রায় মসৃণ, সবুজ রঙ। এটি 'শুল-রাম ফল' বা 'লক্ষ্মণ ফল' নামেও পরিচিত। [[মধ্য আমেরিকা]], [[দক্ষিণ আমেরিকা]], [[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া]], [[প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল]]আফ্রিকায়[[আফ্রিকা]]য় এটি জন্মে।
* '''''[[Annona cherimola]]''''' -এটি বাংলাদেশে কমই জন্মে। এর চামড়াও অনেকটা মসৃণ। হিন্দিতে একে হনুমান ফল বলা হয়।
 
২৪৮টি

সম্পাদনা