"সৎসঙ্গ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎যতি-আশ্রম: এই উদ্দেশ্যেই শ্রীশ্রীঠাকুর ২৬শে আশি^ন,> এই উদ্দেশ্যেই শ্রীশ্রীঠাকুর ২৬শে আশ্বিন,
(→‎যতি-আশ্রম: শ্রীশ্রীঠাকুরের ব্যবহৃত শয্যাসহ অনান্য পবিত্র নিদর্শনগুলি সযত্নে রক্ষিত আছে।>শ্রীশ্রীঠাকুরের ব্যবহৃত শয্যাসহ অন্যান্য পবিত্র নিদর্শনগুলি সযত্নে রক্ষিত আছে।)
(→‎যতি-আশ্রম: এই উদ্দেশ্যেই শ্রীশ্রীঠাকুর ২৬শে আশি^ন,> এই উদ্দেশ্যেই শ্রীশ্রীঠাকুর ২৬শে আশ্বিন,)
 
=====যতি-আশ্রম=====
শ্রীশ্রীঠাকুর চেয়েছিলেন এমন কতকগুলো মানুষ, যাদের মধ্যে ধর্ম ও কৃষ্টি রূপ-পরিগ্রহ করবে। যাদের চরিত্র ও চলন অমৃত জালুস বিকিরণ করে মানুষকে শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভাবে ইষ্টে কেন্দ্রায়িত করে তুলবে। এই উদ্দেশ্যেই শ্রীশ্রীঠাকুর ২৬শে আশি^নআশ্বিন, ১৩৩৫, মঙ্গলবার (ইং ১২-১০-১৯৪৮) শুভ বিজয়ার দিন থেকে কতিপয় প্রবীণ কর্মীকে নিয়ে ‘যতি-আশ্রম’-এর সূত্রপাত ঘটান। ঠাকুর-বাংলার মধ্যেই তাদের থাকার পৃথক ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে বসে যতিদের নিয়ে বহুদিন বহু আলোচনা ও বাণী প্রদানের মাধ্যমে চলার পথের অমৃত-সঙ্কেতগুলি লিপিবদ্ধ করে দেন। যতি-জীবনে পালনীয় সে-সব বাণী সঙ্কলিত করে পরে ‘যতি-অভিধর্ম্ম’ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। বর্তমানে যতি-আশ্রমে শ্রীশ্রীঠাকুরের ব্যবহৃত শয্যাসহ অন্যান্য পবিত্র নিদর্শনগুলি সযত্নে রক্ষিত আছে। সংলগ্ন দীক্ষাগৃহগুলি যথাযথ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সাথে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আশ্রমে আগত দীক্ষা প্রার্থী ব্যক্তিগণকে ঐ গৃহগুলিতে বসেই দীক্ষাদান করা হয়।<ref>দয়াল ঠাকুর, পৃষ্ঠা:৬৭-৬৮</ref>
 
=====সৎসঙ্গ প্রেস=====
৩১৯টি

সম্পাদনা