"সৎসঙ্গ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎সৎসঙ্গ রসৈষণা মন্দির: শ্রীশ্রীবড়দা (শ্রীশ্রীঅমরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী) বিভিন্ন রোগের নিদানহেতু বহু ফর্মূলা দিয়েছেন।
(→‎সৎসঙ্গ ফিলানথ্রপি: এখানে তার উদ্দেশ্যে নিবেদিত ভক্ত-অনুরাগীদের স্বতঃস্বেচ্ছ ইষ্টার্ঘ্য(ইষ্টভৃতি সহ অনান্য) গৃহিত হয় >এখানে তার উদ্দেশ্যে নিবেদিত ভক্ত-অনুরাগীদের স্বতঃস্বেচ্ছ ইষ্টার্ঘ্য(ইষ্টভৃতি সহ অনান্য) গৃহীত হয়)
(→‎সৎসঙ্গ রসৈষণা মন্দির: শ্রীশ্রীবড়দা (শ্রীশ্রীঅমরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী) বিভিন্ন রোগের নিদানহেতু বহু ফর্মূলা দিয়েছেন।)
শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে আগত ভক্তবৃন্দ যাতে অভুক্ত হয়ে ফিরে না যান, তার জন্য মাতা মনোমোহিনী দেবী সর্বদা সচেষ্ট থাকতেন এবং তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতেন। কালে কালে তা ‘আনন্দবাজার’ হিসাবে পরিচিত হয়। পরিস্থিতির পরিবর্তনে এখন এটি ব্যাপক রূপ ধারণ করেছে। এখন নিত্য হাজার হাজার ভক্তগণ দুইবেলা নিঃশুল্ক প্রসাদ গ্রহণ করেন। এছাড়াও উৎসব উপলক্ষে আগত লক্ষাধিক ভক্তজন ও নিকটবর্তী অঞ্চলের অধিবাসীগণ প্রসাদ গ্রহণ করে ধন্য হন। বর্তমানে ডিজেলজালিত চুল্লির সাহায্যে রন্ধন করা হয়। দেওঘরে নির্মিত বিশাল অট্টালিকায় এখন আনন্দবাজারের কার্যাবলি সম্পাদিত হয় যা ‘আনন্দবাজার ভবন’ নামে পরিচিত। । <ref>দয়াল ঠাকুর, পৃষ্ঠা:৬২-৬৩</ref>
=====সৎসঙ্গ রসৈষণা মন্দির=====
যখনই কেউ জটিল রোগগ্রস্ত হয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে উপস্থিত হতো শ্রীশ্রীঠাকুর সেগুলোর ফরমূলা দিতেন। এভাবে তিনি বহু জটিল রোগের ফরমূলা দিয়ে গেছেন। আর তাই নিয়ে গড়ে ওঠে সৎসঙ্গ রসৈষণা মন্দির। অত্যাধুনিক প্রক্রিয়া দ্বারা ভেষজ ঔষধাদি প্রস্তুত ও ঔষধের গুণমান বজায় রাখার জন্য এবং নিত্যনতুন ঔষধের অনুসন্ধানের জন্য অত্যাধুনিক সাজসজ্জাযুক্ত গবেষণাগারও নির্ম্মাণ করা হয়েছে। এখানে মধুমেয় (ডায়াবেটিস), ব্লাড কোলেস্টেরল ইত্যাদি ব্যাধিগুলির থেকে মুক্তির জন্যে ফলপ্রসু গবেষণা সম্পাদিত হয়েছে। শ্রীশ্রীবড়দা (শ্রীশ্রীঅমরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী) বিভিন্ন রোগের নিদানহেতু বহু ফর্মূলা দিয়েছেনÑদিয়েছেন। সেগুলির সাহায্যেও ঔষধ বানানো হয়। বর্তমানে আশ্রমে আগত নিত্য অসংখ্য যাত্রীদের মধ্যে রোগক্লিষ্ট মানুষের কষ্ট নিবারণের জন্যে শ্রীশ্রীদাদাও (শ্রীশ্রীঅশোক চক্রবর্তী) স্বয়ং বহুবিধ জটিল রোগের অব্যর্থ জীবনদায়ী ঔষধ উদ্ভাবন করেছেন। <ref>দয়াল ঠাকুর, পৃষ্ঠা:৬৩</ref>
 
=====সৎসঙ্গ ভেষজ উদ্যান=====
৩১৯টি

সম্পাদনা