"কাস্তিও দে গিরিবাইলে" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(সম্প্রসারণ)
১২২৭ খ্রিস্টাব্দে দুর্গটি ''আবু মোহাম্মদ'' [[কাস্তিয়া|কাস্তিয়ার]] রাজা [[তৃতীয় ফের্নান্দো (কাস্তিয়া)|তৃতীয় ফের্নান্দোর]] হাতে তুলে দেন। ১২৭৪ সালে ধর্মীয় মিলিশিয়া ''অর্ডার অফ কালাত্রাভা'' দুর্গটি অধিকার করার পর
কাস্তিয়ার রাজা [[দশম আলফোনসো (কাস্তিয়া)|দশম আলফোনসোর]] নির্দেশে এটির অধিকার [[বায়েথা]] পুর কর্তৃপক্ষের হাতে অর্পণ করা হয়। পরে ১২৯২ সালে রাজা [[চতুর্থ সাঞ্চো (কাস্তিয়া)|চতুর্থ সাঞ্চোর]] নির্দেশে [[গুয়াদালিমার]] ও [[গুয়াদালেন]] নদীর মধ্যবর্তী ভূভাগসহ দুর্গটি তুলে দেওয়া হয় বায়েথার বিচারক ''দন খিল বাইলে দে কাব্রেরা'' (''Gil Bayle de Cabrera'') -র হাতে। এই খিল বাইলে'র নাম থেকেই বর্তমানে স্থানটির নাম ''খিরিবাইলে'' বা গিরিবাইলে।<ref name="Dema" /><ref name="Barragán" />
 
==বিবরণ==
দুর্গটি কোনও সুসম পরিকল্পনার ভিত্তিতে তৈরি হয়নি। বর্তমানে এর অবশেষ হিসেবে দুটি বর্গাকার মিনারের ভগ্নাবশেষ ও দেওয়ালের কিছু অংশ দেখতে পাওয়া যায়। এগুলি নির্মাণের ক্ষেত্রে পাথর জোড়া লাগানোর জন্য মর্টার ব্যবহৃত হয়েছিল। এর মধ্যে একটি মিনার দৈর্ঘ্যে ৭.৪৫ মিটার ও প্রস্থে ৬.২০ মিটার একটি নিরেট বেদীর উপর নির্মিত। এর মধ্যে তিনটি ঘর রয়েছে। এই বেদীর উপরে আরও পুরনো আমলের একটি ইসলামি শৈলীর মিনারের অস্তিত্বও পরিলক্ষিত হয়।
 
==তথ্যসূত্র==