"আবুল কাশেম ফজলুল হক" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(আব্দুল্লাহ আল-গালিব-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Asik12-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
=== বাংলার প্রধানমন্ত্রী ===
তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীমুখ্যমন্ত্রী ।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এ. কে. ফজলুক হক বহু কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। শিক্ষা ক্ষেত্রেই জোড় দিয়েছিলেন বেশি। তার আমলে দরিদ্র কৃষকের উপরে কর ধার্য না করে সারা বাংলায় প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়। “বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ”-এর পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেন। এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য বৃটিশ সরকার [[১৯৩৮]] সালে “ক্লাউড কমিশন” গঠন করে। [[১৯৩৮ সালের [[আগস্ট ১৮|১৮ আগস্ট]] বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন সংশোধনী পাস হয় এবং জমিদারদের লাগামহীন অত্যাচার চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়। [[১৯৩৯]] সালের “বঙ্গীয় চাকুরি নিয়োগবিধি” প্রবর্তন অরে হম মন্ত্রী পরিষদ মুসলমানদের জন্য শতকরা ৫০ ভাগ চাকুরি নির্দিষ্ট রাখার ব্যবস্থা করে। এ বছরেই “চাষী খাতক আইন”-এর সংশোধনী এনে ঋণ সালিশী বোর্ডকে শক্তিশালী করা হয়। ক্লাউড কমিশনের সুপারিশ অণুসারে [[১৯৪০]] সালে হক সাহেব আইন পরিষদে “মহাজনী আইন” পাস করান। এ বছরই “দোকান কর্মচারী আইন” প্রণয়ন অরে তিনি দোকান শ্রমিকদের সপ্তাহে একদিন বন্ধ ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের নির্দেশ জারী করেন। কৃষি আধুনিকায়নের জন্য [[ঢাকা]], [[রাজশাহী]] এবং খুলনার [[দৌলতপুর|দৌলতপুরে]] কৃষি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। [[পাট]] চাষীদের নায্য মূল্য পাওয়ার লক্ষ্যে [[১৯৩৮]] সালে “পাট অধ্যাদেশ” জারী করা হয়। [[১৯৪১]] সালের [[ডিসেম্বর ১২|১২ ডিসেম্বর]] আবুল কাশেম ফজলুল হক দ্বিতীয় বারের মত মন্ত্রী পরিষদ গঠন করেন। [[শরৎচন্দ্র বসু]] ও [[হিন্দু মহাসভা|হিন্দু মহাসভার]] সহ-সভাপতি [[শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী|শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির]] সঙ্গে প্রগতিশীল যুক্ত পার্টি গঠন করে তিনি সেই দলের নেতা হয়েছিলেন। [[ডিসেম্বর ১৭|১৭ডিসেম্বর]] এই মন্ত্রী পরিষদ [[বাংলার গভর্ণর জেনারেল]] [[হার্বাটের]] কাছে শপথ গ্রহণ করেন।<ref>“ছোটদের জননায়ক শেরে বাংলা” - রুহুল আমিন বাবুল; পৃষ্টা- ২৯-৩০</ref>
 
=== লাহোর প্রস্তাব ===
৫৩টি

সম্পাদনা