দ্য মুসলমান (সংবাদপত্র): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎দল: তথ্যসূত্র যোগ
(→‎ধরণ: তথ্যসূত্র)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(→‎দল: তথ্যসূত্র যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
লিপিবিশারদগণ, যারা কাতিব নামেও পরিচিত, ৮০০ ফিটের একটি ছোট এক-ঘর কার্য্যালয়ের এক কোণে কাজ করেন। তাদের কাছে বিশেষ সুবিধা থাকে না, শুধু দুইটি দেওয়াল পাখা, তিনটি বাতি এবং একটি ফ্লুরোসেন্ট বাতি। প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লাগে। চার পাতার দৈনিকের কাজ শুরু হয় সকাল ১০টায়। দু’জন অনুবাদক খবরগুলো [[উর্দু ভাষা]]<nowiki/>য় লিখে দেন। ঘণ্টা দু’য়েক ধরে অনুবাদের কাজ চলে। তারপর চারুলিপি ও মূল কাগজ লেখার কাজ শুরু হয়। মূল কপি তৈরি হওয়ার পর প্রায় দুপুর ১টায় প্রিন্টের মাধ্যমে ও ফটো নেগেটিভে প্রসেস হয়ে বাকি কপিগুলো তৈরি হয়। সন্ধের মধ্যে খবরের কাগজ পৌঁছে যায় প্রায় ২২ হাজার পাঠকের হাতে।
 
এই দৈনিকটির তিনজন কাতিব।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.ntvbd.com/world/5516/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8--%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A7%AE%E0%A7%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0|শিরোনাম=দ্য মুসলমান: হাতে লিখেই ৮৮ বছর|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=০৫ এপ্রিল ২০১৫|ওয়েবসাইট=NTV|সংগ্রহের-তারিখ=২৫ জুন ২০১৮}}</ref> প্রধান কাতিবের নাম রাহমান হোসেইনি। ১৯৮০ সালে তিনি এ পত্রিকায় যোগ দেন। মাস শেষে বেতন পান আড়াই হাজার রুপি। এখানে কাতিব হিসেবে লেখার কাজ করেন শাবানা বেগম ও খুরশিদ বেগম। প্রতি পৃষ্ঠার জন্য প্রতিদিন ৬০ ভারতীয় টাকা করে আয় করেন উভয়ে। চিন্নাস্বামী বালাসুব্রামোনিয়াম প্রধান প্রতিবেদক, যিনি সংবাদপত্রটির সঙ্গে আছেন প্রায় ২০ বছর। দৈনিকটির ক্রেতা সারা ভারতে আছে, [[নয়া দিল্লী]], [[কলকাতা]] ও [[হায়দরাবাদ, ভারত|হায়দরাবাদ]] অন্তর্গত।<ref name="ToI_Each">{{সংবাদ উদ্ধৃতি| ইউআরএল= http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2008-04-30/chennai/27749690_1_evening-paper-newspaper-office-urdu| title = Each page of this Urdu newspaper is handwritten by 'katibs' |লেখক=Kamini Mathai |সংবাদপত্র=[[The Times of India]]| তারিখ=৩০ এপ্রিল ২০০৮| সংগ্রহের-তারিখ=৩০ এপ্রিল ২০০৮}}</ref>
 
== ধরণ ==
১,৮৯৫টি

সম্পাদনা