"বাংলাদেশ বার কাউন্সিল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রচনাশৈলী
(রচনাশৈলী)
# কাউন্সিলের অর্থ বা তহবিল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ফাইন্যান্স কমিটি
# আইনজীবীদের আইনগত শিক্ষার মান নির্ধারণের জন্য আইনি শিক্ষা কমিটি।
# অন্যান্য কাজের জন্যে বার কাউন্সিলের সদস্য সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন সময়ে কর্মসূচি ভিত্তিক কমিটি।<ref name="Sangram">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.dailysangram.com/?post=376092-আইনজীবী-তৈরির-কারখানা-বাংলাদেশ-বার-কাউন্সিল|শিরোনাম=আইনজীবী তৈরির কারখানা ‘বাংলাদেশ বার কাউন্সিল’|ওয়েবসাইট=The Daily Sangram|সংগ্রহের-তারিখ=2019-11-13}}</ref>
 
== ইতিহাস ==
 
=== গঠনপূর্ব পটভূমি ===
ভারতীয় উপমহাদেশে ১৭৭৪ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অ্যাটর্নিদের নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব লেটার্স প্যাটেন্টের ১১ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত হয়। ১৭৯৩ সালের ৭ নং প্রবিধান অনুযায়ী কলকাতায় কোম্পানির সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে সদর দেওয়ানি আদালতে ও অধস্তন কোম্পানি আদালতগুলিতে আইনপেশায় নিয়োজিত উকিলদের নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করতো।<ref name="Sangram"/>
 
১৮৬২ সালে  সুপ্রিম কোর্ট, সদর দেওয়ানি আদালত ও সদর নিজামত আদালত তুলে দিয়ে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে জজিয়তি হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠার পর এ আদালত অ্যাডভোকেটআইনজীবী, অ্যাটর্নি (রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োগকৃত সর্বোচ্চ আইনকর্মকর্তা), উকিল, কৌঁশুলি ও মোক্তারদের নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা পায়। তখন আইনজীবীরা ছিলেন ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড থেকে ডিগ্রি অর্জন করা ব্যারিস্টার অথবা স্কটল্যান্ডের ফ্যাকাল্টি অফ অ্যাডভোকেট্স-এর সদস্য। <ref name="Sangram"/>
 
অ্যাটর্নি জেনারেলদের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনজীবীরা কলকাতা হাইকোর্টের মূল বিভাগে হাজিরা দেয়াসহ ওকালতি করতে পারতেন এবং ওই আদালতের আপিল বিভাগ ও অন্যান্য অধস্তন আদালতে ওকালতি করার অনুমতি নিতে পারতেন। তবে এতে যোগ্যতাসম্পন্ন দেশীয় আইনজীবীদের মধ্য থেকে কলকাতা হাইকোর্টে মূল বিভাগে কাজ করার অধিকার ছিলো না। তাই দেশে একটি সর্বভারতীয় বার গঠন এবং অ্যাডভোকেট ও উকিলদের মধ্যে পার্থক্য নিরসনের দাবি ওঠে। এ দাবির প্রেক্ষিতে ১৯২৩ সালে [[স্যার এডওয়ার্ড চ্যামিয়ার|স্যার এডওয়ার্ড চ্যামিয়ারকে]] সভাপতি করে ইন্ডিয়ান বার কমিটি গঠন করা হয়। ১৯২৪ সালে ওই কমিটি প্রতিবেদন পেশ করে এবং ইন্ডিয়ান বার কাউন্সিল অ্যাক্ট ১৯২৬ কার্যকর হয়।<ref name="Sangram"/>
 
ইন্ডিয়ান বার কাউন্সিল অ্যাক্ট অনুযায়ী প্রথমবারের মতো প্রত্যেক হাইকোর্টে যৌথ সংগঠন হিসেবে একটি করে বার কাউন্সিল গঠনের বিধান রাখা হয়। ওই বিধানে ১৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত প্রতিটি বার কাউন্সিলে থাকতেন অ্যাডভোকেট জেনারেল, হাইকোর্ট কর্তৃক মনোনীত ৪ জন সদস্য এবং হাইকোর্টের অ্যাডভোকেটদের নিজেদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১০ জন সদস্য।
 
তখন হাইকোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে বার কাউন্সিলকে আইনজীবীদের নিবন্ধন ও তাদের নিয়ন্ত্রণের নিয়মকানুন তৈরি করার দায়িত্ব দেয়া হয়। তবে কোনও ব্যক্তিকে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে হাইকোর্ট আপত্তি জানালে তা খর্ব করার অধিকার বার কাউন্সিলের ছিলো না। এ আইনে হাইকোর্টের মূল বিভাগে আইন ব্যবসায়ে আগ্রহী আবেদনকারীদের যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষমতা এবং তাদের গ্রহণ ও প্রত্যাখ্যান বা কী কী শর্তে বা পরিস্থিতিতে তারা ওই আদালতের অধীনে আইনব্যবসা করতে পারবেন কি পারবেন না তা নির্ধারণের ক্ষমতা একমাত্র হাইকোর্টের হাতেই ন্যস্ত থাকে।<brref name="Sangram"/>
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা|1, colwidth=২}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা ভিত্তিক সংগঠন]]