"মহাসাগর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

103.96.36.6-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে NahidSultanBot-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
(103.96.36.6-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে NahidSultanBot-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
[[চিত্র:World ocean map.gif|right|thumb|240px|মহাসাগর ভাগের বিভিন্ন পদ্ধতি।]]
'''মহাসাগর''' (বা '''মহাসমুদ্র''', '''মহাসিন্ধু''') অতি প্রকাণ্ড ও লবণযুক্ত বিপুল জলরাশি যা পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ ''ওসেন'' শব্দটির উৎস হল
[[প্রাচীন গ্রিক ভাষা|প্রাচীন গ্রিক]] শব্দ ‘ওকিআনোজ’ (Ὠκεανός)।<ref name="tufts.pers">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.perseus.tufts.edu/hopper/text?doc=Perseus%3Atext%3A1999.04.0057%3Aentry%3D*%29wkeano%2Fs |শিরোনাম=Ὠκεανός |কর্ম=[[Perseus Project|Perseus Digital Library]] |সংগ্রহের-তারিখ=May 17, 2012 }}</ref> স্বীকৃত ৫ টি মহাসাগর : [[Pacific Ocean|প্রশান্ত]], [[Atlantic Ocean|আটলান্টিক]], [[Indian Ocean|ভারতীয়]], [[Arctic Ocean|আর্টিক]], এবং [[Southern Ocean|এন্টার্কটিকদক্ষিণ]]<ref name="oed.130201">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.oed.com/view/Entry/130201?redirectedFrom=ocean#eid |শিরোনাম=ocean, n |প্রকাশক=Oxford English Dictionary |সংগ্রহের-তারিখ=February 5, 2012 }}</ref><ref name="mw.ocean">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.merriam-webster.com/dictionary/ocean |শিরোনাম=ocean |প্রকাশক=Merriam-Webster |সংগ্রহের-তারিখ=February 6, 2012 }}</ref>। মহাসাগরগুলি একত্রে [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] মোট আয়তনের (৩.৬১×১০<sup>১৪</sup> বর্গ মিটার) প্রায় ৭০.৯% স্থান দখল করে আছে। এ বিপুল জলরাশি আবার অনেকগুলো মহাসাগর ও ছোট ছোট [[সমুদ্র|সমুদ্রে]] বিভক্ত।
 
মহাসাগরের অর্ধেকেরও বেশি জায়গার গড় গভীরতা ৩,০০০ [[মিটার|মিটারের]]ও (৯,৮০০ বর্গফুট) বেশি। মহাসাগরের জলের গড় লবণাক্ততা ৩.৫% এবং প্রায় সকল সমুদ্রের গড় লবণাক্ততা ৩% থেকে ৩.৮%৮। বৈজ্ঞানিকেরা হিসেব করে দেখেছেন যে, মহাসাগরে প্রায় ২,৩০,০০০ সামুদ্রিক ও জলজ প্রাণী রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সামুদ্রিক ও [[জলজ প্রাণী|জলজ প্রাণীর]] সংখ্যা নির্ণিত সংখ্যার তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।
:# [[আটলান্টিক মহাসাগর]]: এটি আমেরিকাকে ইউরেশিয়া এবং [[আফ্রিকা]] থেকে বিভক্ত করেছে।
:# [[ভারত মহাসাগর]]: এটি [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়াকে]] ঘিরে রেখেছে এবং আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়াকে বিভক্ত করেছে।
:# [[এন্টার্কটিকদক্ষিণ মহাসাগর]] বা ''এন্টার্কটিকা মহাসাগর'': এ মহাসাগর [[এন্টার্কটিকা|এন্টার্কটিকা মহাদেশকে]] ঘিরে রেখেছে এবং প্রশান্ত, আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগরের বহিরাংশ হিসেবে নির্দেশিত হচ্ছে।
:# [[আর্টিকউত্তর মহাসাগর]] বা ''আর্কটিক মহাসাগর'': এ মহাসাগরটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সমুদ্র হিসেবে মর্যাদা পাচ্ছে যা আর্কটিকের অধিকাংশ এলাকা এবং উত্তর আমেরিকা ও ইউরেশিয়ার একাংশকে ঘিরে রেখেছে।
 
প্রশান্ত এবং আটলান্টিক মহাসাগর [[বিষুবরেখা]] কর্তৃক উত্তরাংশ ও দক্ষিণাংশকে আন্তঃবিভাজন করেছে। ক্ষুদ্রতম এলাকাগুলোয় মহাসাগরকে [[সাগর]], [[উপসাগর]], [[উপত্যকা]], [[প্রণালী]] ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। ভৌগোলিক দৃষ্টিকোণে মহাসাগর বলতে সুবিশাল মহাসাগরীয় জলাধারকে বুঝায়। মহাসাগরীয় জলাধার হচ্ছে [[আগ্নেয়গিরি]]র বাসাল্টের পাতলা স্তর যা পৃথিবীর অগ্নিকুণ্ডস্বরূপ। [[মহাসাগরীয় প্লেট|মহাসাগরীয় প্লেটের]] কঠিন আবরণের তুলনায় এর আবরণ পুরু হলেও কম ঘণপূর্ণ। এ দৃষ্টিকোণে পৃথিবীতে তিনটি মহাসাগর আছে যা বিশ্ব মহাসাগর, [[কাস্পিয়ান সাগর]] এবং [[কৃষ্ণ সাগর]] বা [[ব্ল্যাক সি]] নামে পরিচিত। শেষোক্ত দু’টি লওরেসিয়াসহ কাইমেরিয়া এলাকায় একত্রিত হয়েছে। [[ভূ-মধ্যসাগর]] ঐ সময়েই মহাসাগর থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, [[টেকটোনিক প্লেট]] নড়াচড়ার ফলে [[জিব্রাল্টার প্রণালী]] থেকে বিশ্ব মহাসাগরের সাথে সম্পর্কচ্যুত হয়। কৃষ্ণ সাগর [[বসফরাস প্রণালী|বসফরাস প্রণালীর]] মাধ্যমে ভূ-মধ্যসাগরের সাথে সংযুক্ত হয়। কিন্তু বসফরাস প্রণালীর প্রাকৃতিক খালটি [[মহাদেশীয় শিলাচ্যুতি|মহাদেশীয় শিলাচ্যুতির]] কারণে প্রায় ৭,০০০ বছর পূর্বে বিচ্ছিন্ন হয় এবং মহাসাগরীয় সাগরতলের একটি টুকরো [[জিব্রাল্টার প্রণালী|জিব্রাল্টার প্রণালীর]] উদ্ভব ঘটে।
== আঞ্চলিকতা ==
মহাসাগরবিশারদরা ভূ-গঠন এবং জীবনধারার উপযোগী পরিবেশকে উপজীব্য করে মহাসাগরকে বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করেছেন।
 
== ভূ-তত্ত্ব ==
 
== জলবায়ুর প্রভাব ==
 
== জীবতত্ত্ব ==
 
== অর্থনীতি ==
 
== প্রাচীন মহাসাগরসমূহ ==
 
== সংস্কৃতি ==
 
== আরও দেখুন ==
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
 
== বহিঃসংযোগ ==
{{ভৌত সমুদ্রবিজ্ঞান}}
{{Five oceans}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:ভূগোল]]