"মহাসাগর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
:# [[ভারত মহাসাগর]]: এটি [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়াকে]] ঘিরে রেখেছে এবং আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়াকে বিভক্ত করেছে।
:# [[এন্টার্কটিক মহাসাগর]] বা ''এন্টার্কটিকা মহাসাগর'': এ মহাসাগর [[এন্টার্কটিকা|এন্টার্কটিকা মহাদেশকে]] ঘিরে রেখেছে এবং প্রশান্ত, আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগরের বহিরাংশ হিসেবে নির্দেশিত হচ্ছে।
:# [[উত্তরআর্টিক মহাসাগর]] বা ''আর্কটিক মহাসাগর'': এ মহাসাগরটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সমুদ্র হিসেবে মর্যাদা পাচ্ছে যা আর্কটিকের অধিকাংশ এলাকা এবং উত্তর আমেরিকা ও ইউরেশিয়ার একাংশকে ঘিরে রেখেছে।
 
প্রশান্ত এবং আটলান্টিক মহাসাগর [[বিষুবরেখা]] কর্তৃক উত্তরাংশ ও দক্ষিণাংশকে আন্তঃবিভাজন করেছে। ক্ষুদ্রতম এলাকাগুলোয় মহাসাগরকে [[সাগর]], [[উপসাগর]], [[উপত্যকা]], [[প্রণালী]] ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। ভৌগোলিক দৃষ্টিকোণে মহাসাগর বলতে সুবিশাল মহাসাগরীয় জলাধারকে বুঝায়। মহাসাগরীয় জলাধার হচ্ছে [[আগ্নেয়গিরি]]র বাসাল্টের পাতলা স্তর যা পৃথিবীর অগ্নিকুণ্ডস্বরূপ। [[মহাসাগরীয় প্লেট|মহাসাগরীয় প্লেটের]] কঠিন আবরণের তুলনায় এর আবরণ পুরু হলেও কম ঘণপূর্ণ। এ দৃষ্টিকোণে পৃথিবীতে তিনটি মহাসাগর আছে যা বিশ্ব মহাসাগর, [[কাস্পিয়ান সাগর]] এবং [[কৃষ্ণ সাগর]] বা [[ব্ল্যাক সি]] নামে পরিচিত। শেষোক্ত দু’টি লওরেসিয়াসহ কাইমেরিয়া এলাকায় একত্রিত হয়েছে। [[ভূ-মধ্যসাগর]] ঐ সময়েই মহাসাগর থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, [[টেকটোনিক প্লেট]] নড়াচড়ার ফলে [[জিব্রাল্টার প্রণালী]] থেকে বিশ্ব মহাসাগরের সাথে সম্পর্কচ্যুত হয়। কৃষ্ণ সাগর [[বসফরাস প্রণালী|বসফরাস প্রণালীর]] মাধ্যমে ভূ-মধ্যসাগরের সাথে সংযুক্ত হয়। কিন্তু বসফরাস প্রণালীর প্রাকৃতিক খালটি [[মহাদেশীয় শিলাচ্যুতি|মহাদেশীয় শিলাচ্যুতির]] কারণে প্রায় ৭,০০০ বছর পূর্বে বিচ্ছিন্ন হয় এবং মহাসাগরীয় সাগরতলের একটি টুকরো [[জিব্রাল্টার প্রণালী|জিব্রাল্টার প্রণালীর]] উদ্ভব ঘটে।
বেনামী ব্যবহারকারী