"কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(২টি উৎস উদ্ধার করা হল ও ০টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল।) #IABot (v2.0)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
== স্থাপত্য নকশা ==
শেরেবাংলা [[এ.কে. ফজলুল হক]] এবং [[আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগের]] উদ্যোগে [[যুক্তফ্রন্ট সরকার]] কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়।<ref>ইসলাম, সৈয়দ মঞ্জুরুল (১৯৯৪)। একুশে উপর প্রবন্ধ: ভাষা আন্দোলন ১৯৫২। ঢাকা, বাংলা একাডেমি। {{আইএসবিএন|984-07-2968-3}}।</ref> এর ফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী [[হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)|হামিদুর রহমান]] মহান [[ভাষা আন্দোলন|ভাষা আন্দোলনের]] স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Picture BD. Retrieved 12 November 2010. |ইউআরএল=http://www.picturebd.com/shaheed_minar.htm |সংগ্রহের-তারিখ=৩ ডিসেম্বর ২০১২ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130426114338/http://www.picturebd.com/shaheed_minar.htm |আর্কাইভের-তারিখ=২৬ এপ্রিল ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> তারই রূপকল্পনায় ছিল স্নেহময়ী আনত মস্তক মাতার প্রতীক হিসেবে মধ্যস্থলে সুউচ্চ কাঠামো, এবং দুই পাশে সন্তানের প্রতীক স্বরূপ হ্রস্বতর দুটি করে কাঠামো। সামনে বাঁধানো চত্বর। পেছনভাবে দেয়ালচিত্র। সম্মুখ চত্বরে ভাস্কর নভেরা আহমেদের দুটি ম্যুরাল স্থাপনের পরিকল্পনাও ছিল। এছাড়া ছিল বেদনাঘন শহীদ দিবসের প্রতীক হিসেবে একটি ফোয়ারা স্থাপনের পরিকল্পনা। এ পরিকল্পনা মফিক ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। এ নকশায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখভাগের বিস্তৃত এলাকা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীকালে দ্রুত কাজ সমাপ্তির উদ্দেশ্যে মূল নকশার সরলীকরণ করা হয়। <ref name="bpedia"/>
 
=== কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পবিত্রতা ও মর্যাদা ===
বেনামী ব্যবহারকারী