"যোগান ও চাহিদা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
== ইতিহাস ==
“যোগান ও চাহিদা” শব্দগুচ্ছ সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন [[জেমস ডানহ্যাম স্টুয়ার্ট]] তার ১৭৬৭ সালে প্রকাশিত “রাজনৈতিক অর্থনীতির কার্যকারণ অনুসন্ধান” বইটিতে। ১৭৭৬ সালে [[অ্যাডাম স্মিথ]] তার “জাতিসমূহের সম্পদ” বইটিতে এবং [[ডেভিড রিকার্ডো]] তাঁরতার “রাজনৈতিক অর্থনীতির কার্যকারণ ও করারোপ” বইটিতেও এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেন।
 
“জাতিসতক সম্পদ” বইটিতে স্মিথ ধরে নিয়েছিলেন যে সরবরাহ মূল্য সর্বদা স্থির থাকবে এবং দাম কমলে বা বাড়লে চাহিদা বাড়বে বা কমবে। রিকার্ডো তার ধারণাগুলো প্রকাশ করার সময় এই অনুমানগুলোর উপর আর অধিক জোর দিয়েছিলেন। ১৮৩৮ সালে সম্পদের গাণিতিক বিধিমালা সংক্রান্ত গবেষণা প্রবন্ধে তিনি চাহিদা ও যোগানের মধ্যে একটি গাণিতিক সম্পর্ক দাঁড় করান।
উনিশ শতকের শেষদিকে প্রান্তিক(marginalist) চিন্তাধারার সূচনা ঘটে। স্ট্যনলি জেভন্স, কার্ল মেঞ্জার ও লিও ওয়াল্রস এই বিষয়টির সূচনা করেন। মূল ধারণাটি ছিলো এই যে, মূল্য নির্ধারিত হয় সর্বাধিক মূল্য দ্বারা,আর এটাই প্রান্তিক মূল্য। অ্যাডাম স্মিথ যে ধারণা করেছিলেন যে মূল্য নির্ধারিত হয় সরবরাহ মূল্য থেকে, তার থেকে এটা ছিল অনেকদূর সরে আসা।
 
১৮৯০ সালে [[আলফ্রেড মার্শাল]] রচিত “অর্থনীতির কার্যকারণ” গ্রন্থটিতে এই ধারণাটি আরো উন্নতি লাভ করে। লিও ওয়াল্রস এর সাথে মার্শালও একটি সাম্যাবস্থার খোঁজ করতে থাকেন যেখানে চাহিদা ও যোগান রেখা দুটি মিলিত হবে। তাঁরাতারা বাজারের ওপর এদের প্রভাবও বোঝার চেষ্টা করলেন। উনিশ শতকের শেষ থেকেই চাহিদা ও যোগানের এই সম্পর্কগুলো মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে। আর অধিকাংশ গবেষণায় হয়েছে এদের ব্যতিক্রমগুলোকে পর্যালোচনা করা নিয়ে।
 
{{অর্থনীতি-keyconcepts}}
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা