"কল্লোল যুগ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(তথ্য সংযোজন)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
[[১৯২৩]] সালে প্রবর্তিত ''কল্লোল'' পত্রিকার কর্ণধার ছিলেন [[দীনেশরঞ্জন দাশ]] ও [[গোকুলচন্দ্র নাগ]]। ''কল্লোল'' পত্রিকার আবহে দ্রুত অনুপ্রাণিত হয় [[প্রগতি (মাসিক পত্রিকা)|প্রগতি]], [[উত্তরা]], [[কালিকলম]], [[পূর্বাশা]] ইত্যাদি পত্রপত্রিকা। অন্যদিকে আধুনিকতার নামে যথেচ্ছাচারিতা ও অশ্লীলতার প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে এই রকম অভিযোগ এনে [[শনিবারের চিঠি]] পত্রিকাটি ভিন্ন বলয় গড়ে তোলে [[মোহিতলাল মজুমদার]], [[সজনীকান্ত দাস]], [[নীরদ চৌধুরী]] প্রমুখের সক্রিয় ভূমিকায়।
 
কবিতার ক্ষেত্রে যাদের নাম কল্লোল যুগের শ্রেষ্ঠ নায়ক বিবেচনায় প্রচারিত তাঁরাতারা হলেন কবি [[সুধীন্দ্রনাথ দত্ত]], [[বুদ্ধদেব বসু]], [[অমিয় চক্রবর্তী]], [[জীবনানন্দ দাশ]], [[বিষ্ণু দে]]। এই পাঁচজন বিশিষ্ট কবিকে একসাথে বলা হয় [[পঞ্চপাণ্ডব|বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব]]। এ পঞ্চপাণ্ডবই ছিলেন মূলত কল্লোল যুগের কাণ্ডারি। তবে [[কাজী নজরুল ইসলাম]], [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], [[অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত]], [[সঞ্জয় ভট্টাচর্য]] প্রমুখ অনেকেরই ভূমিকা কোন অংশে খাটো করে দেখবার উপায় নেই।
 
অচ্যিন্তকুমার সেন রচিত ''কল্লোল যুগ'' এ বিষয়ে একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
১,৭৮,৫৭৪টি

সম্পাদনা