"সরস্বতী (দেবী)" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(2401:4900:3821:9B1A:FFCD:3A02:EF9:99B9-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে 223.176.43.245-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
==স্কন্দপুরাণে==
[[ব্রহ্মা]] তাঁরতার কন্যা সরস্বতীর প্রতি দুর্ব্যবহার করলে [[শিব]] তাঁকেতাকে শরবিদ্ধ করে হত্যা করেন। তখন ব্রহ্মার পত্নী [[গায়ত্রী]] কন্যা সরস্বতীকে নিয়ে স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে আনার জন্য গন্ধমাদন পর্বতে তপস্যা শুরু করেন। তাঁদেরতাদের দীর্ঘ তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে শিব ব্রহ্মার প্রাণ ফিরিয়ে দেন। সেই থেকে শিবের নির্দেশে গায়ত্রী ও সরস্বতীর তপস্যাস্থলে দুটি প্রসিদ্ধ তীর্থ সৃষ্টি হয়।<ref>স্কন্দপুরাণ, ব্রহ্মখণ্ড, সেতু, ৪০</ref>
 
জগতে সকল দেবতা তীর্থ আছে, শুধু ব্রহ্মার তীর্থ নেই – একথা ভেবে ব্রহ্মা পৃথিবীতে নিজের তীর্থ স্থাপনে উদ্যোগী হলেন। তিনি একটি সর্বরত্নময়ী শিলা পৃথিবীতে নিক্ষেপ করলেন। সেটি চমৎকারপুরে এসে পড়ল। ব্রহ্মা সেখানেই নিজের তীর্থ স্থাপন করবেন বলে ভাবলেন। ব্রহ্মার নির্দেশে সরস্বতী পাতাল থেকে উঠে এলেন। ব্রহ্মা তাঁকেতাকে বললেন, “তুমি এখানে আমার কাছে সব সময় থাকো। আমি তোমার জলে ত্রিসন্ধ্যা তর্পণ করব।” সরস্বতী ভয় পেয়ে বললেন, “আমি লোকের স্পর্শ ভয় পাই বলে সব সময় পাতালে থাকি। কিন্তু আপনার আদেশ আমি অমান্যও করতে পারি না। আপনি সব দিক বিচার করে একটি ব্যবস্থা করুন।” তখন ব্রহ্মা সরস্বতীর অবস্থানের জন্য একটি হ্রদ খনন করলেন। সরস্বতী সেই হ্রদে অবস্থান করতে লাগলেন। ব্রহ্মা ভয়ংকর সাপেদের সেই হ্রদ ও সরস্বতীর রক্ষক নিযুক্ত করলেন।<ref>স্কন্দপুরাণ, নাগখণ্ড, ৪০</ref>
 
===উপপুরাণে===
[[File:Gajalakshmi.jpeg|thumb|লক্ষ্মী ও সরস্বতী, [[রাজা রবি বর্মা]] অঙ্কিত]]
{{মূল নিবন্ধ|দেবীভাগবত পুরাণ}}
''দেবীভাগবত পুরাণ'' অনুসারে, দেবী আদ্যাপ্রকৃতির তৃতীয় অংশে দেবী সরস্বতীর জন্ম। তিনি [[কৃষ্ণ|কৃষ্ণের]] জিহ্বাগ্র থেকে উৎপন্ন হয়েছেন। সরস্বতী বাক্য, বুদ্ধি, বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী; সকল সংশয় ছেদকারিণী ও সর্বসিদ্ধিপ্রদায়িনী এবং বিশ্বের উপজীবিকা স্বরূপিনী। [[ব্রহ্মা]] প্রথম তাঁকেতাকে পূজা করেন। পরে জগতে তাঁরতার পূজা প্রতিষ্ঠিত হয়। সরস্বতী শুক্লবর্ণা, পীতবস্ত্রধারিণী এবং বীণা ও পুস্তকহস্তা। তিনি [[নারায়ণ|নারায়ণের]] অন্যতম পত্নী হয়েছিলেন। তারপর কৃষ্ণ জগতে তাঁরতার পূজা প্রবর্তন করেন [[মাঘ]] মাসের [[শ্রীপঞ্চমী|শুক্লপক্ষের পঞ্চমী]] তিথিতে তাঁরতার পূজা হয়।<ref>''দেবীভাগবত পুরাণ'', নবম স্কন্ধ, অধ্যায় ১, ২ ও ৪</ref>
 
[[গঙ্গা (দেবী)|গঙ্গা]], [[লক্ষ্মী]] ও সরস্বতী ছিলেন নারায়ণের তিন পত্নী। একবার গঙ্গা ও নারায়ণ পরস্পরের দিকে তাকিয়ে হাসলে, তিন দেবীর মধ্যে তুমুল বিবাদ উপস্থিত হয়। এই বিবাদের পরিণামে একে অপরকে অভিশাপ দেন। গঙ্গার অভিশাপে সরস্বতী নদীতে পরিণত হন। পরে নারায়ণ বিধান দেন যে, সরস্বতী এক অংশে নদী, এক অংশে ব্রহ্মার পত্নী ও এক অংশে তাঁরতার সঙ্গিনী হবেন এবং [[কলি যুগ|কলিযুগের]] পাঁচ হাজার বছর অতিক্রান্ত হলে সরস্বতী সহ তিন দেবীরই শাপমোচন হবে।<ref>''দেবীভাগবত পুরাণ'', নবম স্কন্ধ, অধ্যায় ৭</ref>
 
গঙ্গার অভিশাপে সরস্বতী মর্ত্যে নদী হলেনে এবং ব্রহ্মার প্রিয়তমা পত্নী ব্রাহ্মী হলেন।<ref>''দেবীভাগবত পুরাণ'', নবম স্কন্ধ, অধ্যায় ৮</ref>
 
[[শুম্ভ ও নিশুম্ভ]] অসুরদ্বয়কে বধ করার সময় দেবী [[দুর্গা|দুর্গার]] শরীর থেকে যে কৌশিকী দেবীর উৎপত্তি হয়েছিল, তাঁরতার অপর নাম সরস্বতী।<ref>''দেবীভাগবত পুরাণ'', দশম স্কন্ধ, অধ্যায় ১২</ref>
 
====শুক্ল যজুর্বেদ====
১,৭৪,২৯৯টি

সম্পাদনা