"নিকারাগুয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
|HDI_year = ২০০৬
|HDI_category = <font color="#FFCC00">medium</font>
|Gini = 40.5 <!--number only--><ref name="wb-gini">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://data.worldbank.org/indicator/SI.POV.GINI?page=1 |titleশিরোনাম=Gini Index |publisherপ্রকাশক=[[World Bank]] |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=2013-07-18}}</ref>
|Gini_year = ২০০৫
|Gini_category = <font color="#ffcc00">medium</font>
 
== নিকারাগুয়া নামের উদ্ভব ==
নিকারাগুয়া নামের উদ্ভব নিয়ে একাধিক কাহিনী প্রচলিত আছে। তার মধ্যে তিনটি সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। অনেকের মতে এই নামটি এসেছে স্থানীয় এক উপজাতিপ্রধানের নাম থেকে।<ref name="questconnect">[http://www.questconnect.org/ca_nicaragua.htm Questconnect. Nicaragua]</ref> জনশ্রুতি অনুযায়ী স্পেনীয় কঙ্কুইস্তাদোর গিল গঞ্জালেস দাভিলা এই অঞ্চলে আজকের সান হোর্খে বা রিভাসে এসে উপজাতিপ্রধান নিকারাও [[Nicarao]]'এর দেখা পান। দিনটি ছিল ১৫ অক্টোবর, ১৫২৩। তাঁরতার নাম থেকেই দেশটির নাম হয় নিকারাগুয়া। অন্যদের মতে নিকান শব্দের অর্থ স্থানীয় নাহুতল [[Nahuatl]] ভাষায় 'এখানে', আরাহুয়াক মানে 'মানুষ'। এই দুটি শব্দ থেকেই এসেছে নিকারাগুয়া শব্দটি। <ref>[https://de.wikipedia.org/wiki/Nicaragua]</ref> আরেকটি মত হল, এই অঞ্চলে স্পেনীয়দের আগমনকালে যে আমেরিন্ডিয়ান উপজাতি বাস করতো তাদেরই নাম ছিল নিকারাও। গিল গঞ্জালেস দাভিলা এই নিকারাও শব্দের সাথে স্পেনীয় শব্দ আকুয়া অর্থাৎ জল যুক্ত করে নিকারাগুয়া শব্দটি তৈরি করেন। এই অঞ্চলে দুটি বৃহৎ অন্তর্দেশীয় হ্রদ [[মানাগুয়া হ্রদ]] ও [[লেক নিকারাগুয়া|নিকারাগুয়া হ্রদের]] অবস্থানই হয়তো তাঁরতার এমন নামকরণের কারণ। <ref>[http://www.manfut.org/monumentos/nicarao.html নিকারাও'এর ঐতিহাসিকতা সম্পর্কিত ফের্নান্দো সিলভা লিখিত প্রবন্ধ]</ref>
 
== ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য ==
[[চিত্র:Nicaragua Topography.png|thumb|নিকারাগুয়ার প্রাকৃতিক মানচিত্র (উচ্চতা)]]
সাধারণভাবে নিকারাগুয়ায় তাপমাত্রা সারাবছরই প্রায় একরকম থাকে। ঋতুভেদে তাপমাত্রার পার্থক্য ঘটে কম। তবু অঞ্চলভেদে নিকারাগুয়ার জলবায়ুর মধ্যে যথেষ্ট প্রভেদ পরিলক্ষিত হয়। পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিম্নভূমি অঞ্চল ও পূর্বে আতলান্তিক উপকূলে ক্যারিবীয় নিম্নভূমি অঞ্চল সারাবছরই বেশ উষ্ণ। এই অঞ্চলের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ক্রান্তীয় অঞ্চলের মতো। কিন্তু দেশের মধ্যভাগে আগ্নেয়গিরি শৃঙ্খল ও তৎসন্নিহিত উচ্চভূমি অঞ্চলে ঋতুভেদে তাপমাত্রা যথেষ্ট ওঠানামা করে থাকে। শীতকালে এই অঞ্চলে ঠাণ্ডা পড়ে, তবে বৃষ্টিপাত ও জীবন্ত আগ্নেয়গিরিগুলি থেকে মাঝেমাঝেই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে তাপমাত্রার স্থিরতা সময়ে সময়ে বিঘ্নিত হতে দেখা যায়।<br />
প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিম্নভূমি অঞ্চলটি জলবায়ুর দিক থেকে ''তিয়েরা কালিয়েন্তে'' বা উষ্ণ মণ্ডল হিসেবে পরিচিত। সারা বছরই এখানে তাপমাত্রা মোটামুটি একই রকম থাকে, {{convertরূপান্তর|85|and|90|°F|°C|1|abbr=on|disp=flip}}'এর মধ্যে ঘোরাফেরা করে। নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আবহাওয়া এই অঞ্চলে মোটামুটি শুকনো থাকে। কিন্তু মে মাস থেকে বর্ষা শুরু হয়ে অক্টোবর পর্যন্ত চলতে থাকে। সারা বছরে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪০ - ৬০ মিলিমিটার। পূর্বে ক্যারিবীয় সাগর থেকে বয়ে আসা জলীয় বাস্প পূর্ণ বায়ু মধ্যভাগের উঁচু পর্বতমালায় বাধা পাওয়ার ফলে ঐ উচ্চভূমির পূর্ব ঢালের তুলনায় পশ্চিম ঢালে স্বভাবতই বৃষ্টির পরিমাণ কম। তবুও ভালো বৃষ্টিপাত, উর্বর জমি এবং অনুকূল জলবায়ুর কারণে দেশের এই পশ্চিম অঞ্চল আজ দেশের অর্থনৈতিক কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ এই অঞ্চলেই বাস করেন।<br />
মধ্যভাগের উচ্চভূমি অঞ্চলটি দেশের ''তিয়েরা তেমপ্লাদা'' বা নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলের জলবায়ু প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিম্নভূমি অঞ্চলের তুলনায় শীতল। এখানকার গড় উষ্ণতা {{convertরূপান্তর|75|to|80|°F|°C|1|abbr=on|disp=flip}}। বর্ষাকাল এখানে আরও দীর্ঘস্থায়ী, বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বেশি। বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ী অঞ্চলে মাঝেমাঝেই ধ্স নামে। সাধারণভাবে এই অঞ্চলে ভূমি রুক্ষ, জনঘনত্বও কম। তবে এই অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমের ঢালে যে উপত্যকাটি দেখতে পাওয়া যায়, সেটি যথেষ্ট উর্বর। ফলে এই অঞ্চলে জনঘনত্বও অপেক্ষাকৃত বেশি।<br />
দেশের পূর্ব উপকূলের ক্যারিবীয় নিম্নভূমির জলবায়ুও সম্পূর্ণ ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণ মণ্ডলীয় জলবায়ু। এই অঞ্চলের তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত বেশি, বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতাও যথেষ্ট বেশি। এই অঞ্চলে প্রচূর বৃষ্টিপাত হয়। বস্তুত এই অঞ্চল সমগ্র মধ্য আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল অঞ্চল। বছরে এর মোট পরিমাণ ২৫০০-৬৫০০ মিলিমিটার। অপেক্ষাকৃত কম জনবসতিপূর্ণ এই অঞ্চলের এক বড় অংশ জুড়ে ক্রান্তীয় [[রেনফরেস্ট]] দেখতে পাওয়া যায়।
বর্ষাকালে পূর্বদিকের ক্যরিবীয় নিম্নভূমি অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়া বিভিন্ন নদীগুলির নিম্ন, মধ্য ও এমনকী কিছু কিছু ক্ষেত্রে উচ্চপ্রবাহ অঞ্চলেও বন্যার প্রকোপ দেখা যায়। প্রতিবছর এই বন্যার ফলে চাষবাস ও নদী অববাহিকাগুলি ঘিরে থাকা বনাঞ্চলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। এছাড়া মূলত জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে মাঝেমাঝেই প্রবল সামুদ্রিক ঝড় বা হ্যারিকেনের প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়। এই সব ঝড়েও ক্যারিবীয় উপকূলীয় অঞ্চলের জীবনযাত্রা বহুসময়েই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকে।
 
=== ভাষা ===
নিকারাগুয়ার সরকারি ভাষা [[স্পেনীয় ভাষা|স্পেনীয়]]। দেশের মানুষের ৯৭ শতাংশই মাতৃভাষা হিসেবে এই ভাষায় কথা বলে থাকেন।<ref name = censos2005resumen2/> সারা দেশেই এই ভাষা চলে। তবে অঞ্চলভেদে এই ভাষার নানা উপভাষাগত প্রভেদ দেখা যায়। ক্যারিবীয় উপকূলে কৃষ্ণাঙ্গ নিকারাগুয়ানদের মধ্যে ক্রেওল বা ক্যারিবীয় ইংরেজিরও প্রচলন দেখা যায়। মূলত ব্লুমসফিল্ড শহর ও তার আশেপাশে এই ভাষার প্রচলন বেশি। তবে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে এরা প্রত্যেকেই সাধারণত স্পেনীয় ভাষায় যথেষ্টই সচ্ছন্দ। এছাড়াও ক্যারিবীয় উপকূলে বসবাসকারী বিভিন্ন আমেরিন্ডিয়ান উপজাতির মানুষ তাদের নিজস্ব ভাষাতেও কথা বলে থাকেন। এই ভাষাগুলোর মধ্যে মেস্কিটো, মাতাগালপা, মায়াংনা, রামা, সুমো, গারিফুনা, প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।<ref name="ethnologue">[http://www.ethnologue.com/country/NI/languages Nicaraguya Languages. সংগৃহীত ১৪ জুলাই, ২০১৪]</ref> এদের মধ্যে কয়েকটি ভাষায় বর্তমানে এত কম মানুষ কথা বলেন যে সেগুলিকে আশঙ্কাজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেমন উলুওয়া ভাষা (২০০৯ সালের হিসেব অনুযায়ী এই ভাষায় মাত্র ৩৫০ জন মানুষ কথা বলেন।)। এছাড়া কয়েকটি ভাষা বিলুপ্তও হয়ে গেছে। যেমন সুবতিয়াবা ভাষা। ১৯৮১ সালের হিসেব অনুযায়ী যদিও এই ভাষা গোষ্ঠীর প্রায় ৫০০০ মানুষের খোঁজ পাওয়া যায়, তাঁদেরতাদের কেউই আর নিজেদের প্রথম ভাষা হিসেবে এই ভাষাটি ব্যবহার করতেন না। মাঙ্গুয়ে ভাষার ক্ষেত্রেও বিষয়টি একইরকম।<ref name = ethnologue/><br />
ভাষাবিদদের কাছে বর্তমানে নিকারাগুয়া [[প্রতীক ভাষা]](ইডিওমা দে সেনিয়াস দে নিকারাগুয়া) একটি অত্যন্ত আগ্রহোদ্দীপক বিষয়। ১৯৭০'এর পরবর্তী সময়ে পশ্চিম নিকারাগুয়ার একদল বধির স্কুলছাত্রের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে জন্ম নেওয়া এই ভাষাটি বর্তমানে অনেকের মতেই পৃথিবীর নবীনতম ভাষা। মূলত মানাগুয়া শহর সংলগ্ন এলাকায় বধির মানুষদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ভাষায় ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী প্রায় ৩০০০ মানুষ কথা বলেন। বধিরদের জন্য নির্মিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতেও বর্তমানে এই ভাষা শেখানো হয়ে থাকে।<ref>[http://www.ethnologue.com/language/ncs Nicaraguan Sign Language. At Ethnologue. সংগৃহীত ২৯ জুলাই, ২০১৪।]</ref>
 
যদিও নিকারাগুয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ (প্রায় ৮০ শতাংশ) [[ক্যাথলিক]] ধর্মের অনুসারী এবং ক্যাথলিক বিশপদের দেশের সাধারণ মানুষের উপর বিশেষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়, সরকারিভাবে ১৯৩৯ সাল থেকে নিকারাগুয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। দেশের সংবিধানেও দেশের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতার কথার উল্লেখ আছে।<br />
স্পেনীয় কঙ্কিস্তাদোরদের নিকারাগুয়ায় আগমণ ও সেদেশ দখলের অল্পদিনের মধ্যেই ১৫৩০ সাল নাগাদ খ্রিষ্টান মিশনারিরা এদেশে আসতে শুরু করেন। সামান্য কিছু ব্যতিক্রম বাদে সে' সময়ই স্পেনীয়দের মদতে এখানকার বেশিরভাগ স্থানীয় মানুষও এই মূলত ক্যাথলিক ধর্ম প্রচারকদের প্রচেষ্টায় খ্রিষ্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। অবশ্য এক্ষেত্রে বিদ্রোহের ইতিহাসও আছে। কিন্তু মূলত স্পেনীয় শাসকদের বিরুদ্ধে সে বিদ্রোহ সে' সময় কঠোর হাতে দমন করা হয় ও অসংখ্য স্থানীয় অধিবাসীকে শাস্তি হিসেবে পেরুতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে অস্বাস্থ্যকর ও অমানবিক পরিস্থিতিতে পাহাড় ও খনিতে কাজ করতে তাদের বাধ্য করা হলে তাদের অধিকাংশেরই মৃত্যু ঘটে। ফলে নিকারাগুয়ায় সে' সময় থেকেই [[রোমান ক্যাথলিক]] ধর্ম সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মে রূপান্তরিত হয়। ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত এই ধর্মই দেশে সরকারি ধর্ম হিসেবে স্বীকৃত ছিল।<br />
বর্তমানে ক্যাথলিক চার্চ সমগ্র দেশকে ৮টি ডায়াসেশনে ভাগ করেছে। দেশের মোট প্রায় ৪৩.৫ লক্ষ মানুষ তাদের অনুসরণ করেন। মোট ৩৬৭ জন ক্যাথলিক প্যারিস প্রিস্টের অধীনে এই অনুগামীরা বিন্যস্ত। একেকজন প্রিস্টের অধীন এলাকা প্রায় ৩২৬ বর্গ কিলোমিটার ও গড়ে ১১,৮০০ অধিবাসী তাঁদেরতাদের অনুসরণ করেন।<br />
ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে খ্রিষ্ট ধর্মের অন্য শাখাগুলিও নিকারাগুয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। এদের মধ্যে প্রোটেস্টান্ট চার্চ, মোরাভীয় চার্চ, দ্য চার্চ অফ নাজারিন, দ্য অ্যাসেম্বলিজ অফ গড, প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। মূলত দেশের পশ্চিম অংশে এদের প্রভাব বেশি দেখা যায়। এদের মধ্যে মোরাভীয় চার্চের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ঊনবিংশ শতাব্দীতে [[জার্মানি]] থেকে এই ধর্ম প্রচারকরা নিকারাগুয়ায় আসেন। বিশেষ করে অস্পেনীয় স্থানীয় বিভিন্ন উপজাতি, যেমন মেস্কিটো, সুমু, রামা ও ক্রেওল জনসাধারণের কাছে এই চার্চ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৯০ এর দশক থেকে দেখা যাচ্ছে, [[প্রোটেস্টান্ট ধর্ম| প্রোটেস্টান্ট ধর্মের]] অনুরাগীর সংখ্যা দেশে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।<ref name="DOCID">[http://lcweb2.loc.gov/cgi-bin/query/r?frd/cstdy:@field(DOCID+ni0040) Nicaraguya: Religion,Country Studies (Library of Congress). সংগৃহীত ৭ আগস্ট, ২০১৪]</ref><br />
নিকারাগুয়ার মানুষ সাধারণভাবে ধর্মভীরু। প্রতি রবিবার নিয়ম করে গির্জার প্রার্থনায় যোগ দেওয়ার অভ্যাসে তাদের ঘাটতি থাকলেও, জনজীবনে ও এমনকী রাজনীতিতেও ক্যাথলিক বিশপদের বিশেষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে ১৯৭০ ও ৮০'র দশকে সোমোথা সরকারের বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে আন্দোলনে এঁদের প্রভাব ব্যাপকভাবে মানুষকে সংগঠিত করে। পরবর্তীকালে সান্দানিস্তা আন্দোলনের জনভিত্তি তৈরির ক্ষেত্রেও ক্যাথলিক গির্জার যথেষ্ট ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের গরিব মানুষকে এই আন্দোলনের পিছনে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এরা অত্যন্ত সদর্থক ভূমিকা পালন করে।<br />
১,৭৪,২৯৯টি

সম্পাদনা