"হেয়াত মামুদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(2টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta10ehf1))
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
 
==প্রাথমিক জীবন==
মামুদ ১৬৯৩ সালে [[রংপুর জেলা|রংপুর জেলার]] ঘোড়াঘাটের অধীন ঝাড়বিশিলা গ্রামে জন্ম নেন। তাঁরতার পিতা শাহ কবীর ছিলেন ঘোড়াঘাট সরকারের দেওয়ান এবং তিনি নিজে ছিলেন ওই সরকারের কাজী।<ref name="বাংলাপিডিয়া"/> ব্যক্তিজীবনে তিনি সাধক ও সাত্ত্বিক পুরুষ ছিলেন এবং [[সূফী দর্শন|সূফী সাধনার]] প্রতি ছিল তাঁরতার গভীর অনুরাগ।
 
==সাহিত্যকর্ম==
তিনি মোট চারটি কাব্য রচনা করেন।<ref name="বাংলাপিডিয়া"/> হেয়াত মামুদ জন্মগত ভাবে রংপুরের অধিবাসী থাকায় তাঁরতার সাহিত্যে রংপুর অঞ্চলের ভাষা ও ভাষারীতির ব্যবহার রয়েছে। ''জঙ্গনামা'' (১৭২৩) কাব্যগ্রন্থে রয়েছে কারবালার বিষাদময় কাহিনীর বিবরণ। এটি মূলত ফারসি কাব্যের অনুসরণে রচিত। ''সর্বভেদবাণী'' (১৭৩২) কাব্যে রয়েছে নীতিকথামূলক বয়ান। মামুদ সংস্কৃত পঞ্চতন্ত্র কাব্যের ফারসি অনুবাদ মফরেহুল-কুলুব থেকে এর উপাদান সংগ্রহ করেন।
 
”যার বিদ্যা নাই সে জানে না ভাল মন্দ, শিরে দুই চক্ষু আছে তথাপি সে অন্ধ” - তাঁরতার বহুলপ্রচলিত অনেক আধ্যাতিক বানীর মধ্যে একটি।
 
==গ্রন্থের তালিকা==
১,৭০,৪৭২টি

সম্পাদনা