যুধিষ্ঠির: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
==অস্ত্রশিক্ষা ==
পাণ্ডুর মৃত্যুর পর কুন্তী নিজের তিনটি পুত্র ও মাদ্রীর দুটি পুত্র নিয়ে হস্তিনাপুরে ধৃতরাষ্ট্র-এর আশ্রয়ে আসেন। এই সময় পঞ্চপাণ্ডব ও ধৃতরাষ্ট্রের একশত সন্তান দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রশিক্ষা লাভ করেন।
যুধিষ্ঠির বর্ষাযুদ্ধ এবং রথ চালনায় বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করেন। প্রাপ্তবয়স্ক হলে বংশের বড় সন্তান হিসাবে ধৃতরাষ্ট্র (পাণ্ডুর ভাই) তাঁকে যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করেন। এতে ধৃতরাষ্ট্র-এর পুত্ররা বিশেষ করে দুর্যোধন ঈর্ষান্বিত হয়ে পাণ্ডবদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে থাকেন। কিন্তু পাণ্ডবদের মধ্যে ভীম ও অর্জুন দুর্যোধনের একশত ভাইয়ের চেয়ে শক্তিশালী ও অপরাজেয় উঠলে, দুর্যোধন কৌশলে কুন্তীসহ পঞ্চপাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য জতুগৃহে পাঠান।
জতুগৃহের পথে যাত্রাকালে বিদুর সাঙ্কেতিক ভাষায় যুধিষ্ঠিরকে দুর্যোধনের দুরভিসন্ধি জানিয়ে দেন। পরে কৌশলে জতুগৃহ থেকে এঁরা রক্ষা পান এবং নৌকা যোগে নদী পার হয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করেন। অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে জঙ্গলে সকলে ঘুমিয়ে পড়লে দ্বিতীয় পাণ্ডব ভীম একা সকলকে পাহারা দেন। এই সময় তিনি হিড়িম্ব নামক এক রাক্ষসকে হত্যা করে পাণ্ডবদের রক্ষা করেন। পরে যুধিষ্ঠির ও কুন্তীর অনুগ্রহে ভীমের সাথে হিড়িম্বার বিবাহ হয়।
এরপর যুধিষ্ঠির সবাইকে নিয়ে একচক্রা নগরীর একটি ব্রাহ্মণ পরিবারের আশ্রয়ে উঠে আসেন। এখানে ভীম বক নামক রাক্ষসকে হত্যা করেন। এই নগরীতে থাকাকালীন সময়ে পাণ্ডবরা দ্রৌপদীর স্বয়ংবর-সভার কথা জানতে পারেন। এই স্বয়ংবর সভা দেখার জন্য পাণ্ডবরা রওনা হন। পথে গন্ধর্বরাজ অঙ্গারপর্ণের সাথে অর্জুনের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে অর্জুন অঙ্গারপর্ণকে পরাজিত করে বন্দী করেন। এরপর অঙ্গারপর্ণের স্ত্রী কুম্ভীনসী যুধিষ্ঠিরের কাছে স্বামীর মুক্তির আবেদন করেন। যুধিষ্ঠিরের আদেশে অর্জুন তাঁকে ছেড়ে দেন।
বেনামী ব্যবহারকারী