"মানুষের গাত্রবর্ণ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
{{multiple issues|
{{context|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{essay-like|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{orphan|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{underlinked|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{অনুচ্ছেদসমূহ|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{উল্লেখযোগ্যতা|null|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{উৎসহীন|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{ছোট নিবন্ধ|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{বিভ্রান্তিকর|date=অক্টোবর ২০১৮}}
{{ভূমিকাংশ অনুপস্থিত|date=অক্টোবর ২০১৮}}
}}
'''মানুষের গাত্রবর্ণ''' ভিন্নতর হওয়ার নানাবিধ কারন বিদ্যমান। মূলত এক্ষেত্রে মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে জিনগত পার্থক্য,{{সত্যতা}} যা একজন ব্যক্তি নিজ পিতামাতার কাছ থেকে পেয়ে থাকে। গাত্রবর্ণ সূর্যরশ্মি থেকে বিকিরিত [[অতিবেগুনি রশ্মি]]র উপর নির্ভর করে থাকে।{{সত্যতা}}
২৬,৯২৫টি

সম্পাদনা