প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অবদান অনেক। [[আবদুল কুদ্দুস মাখন|আবদুল কুদ্দুস মাখনের]] মত ব্যক্তিরা এখানে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সান্ধ্য আইন জারি করা হয় এবং এদিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী জনগণ সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করেন ।<ref>বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দশম খণ্ড), হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত, হাক্কানী পাবলিকেশনস, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৪৭</ref> ২৭ মার্চ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়োজিত চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার [[শাফায়াত জামিল|কর্নেল শাফায়াত জামিল বীর বিক্রম]] তাঁর সাথের বাঙালি সেনাদের নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আর্মি ক্যাম্পের সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সৈন্যকে বন্দি করেন। ঐদিন দুপুরে [[খালেদ মোশাররফ|মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম]] মৌলভীবাজারের শমসেরনগর হতে তাঁর সেনাদল নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন এবং কর্নেল শাফায়াত জামিল তাঁর কাছে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কোম্পানির দায়িত্ব অর্পণ করেন।<ref>{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম= একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাক্ত মধ্য আগস্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর |লেখক-সংযোগ= কর্নেল শাফায়াত জামিল (অব.) |coauthors= |বছর=ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ |প্রকাশক= সাহিত্য প্রকাশ |অবস্থান= ঢাকা |আইএসবিএন= 9844651441|পাতা= ২৩ |সংগ্রহের-তারিখ= |ইউআরএল=}}</ref> মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া হানাদার মুক্ত হয়।<ref>http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/707158/ব্রাহ্মণবাড়িয়া-মুক্ত-দিবসে-দেয়ালে-আঁকা-ছবির</ref> [[মোস্তফা কামাল (বীরশ্রেষ্ঠ)|বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল]] ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আখাউড়ার দরুইন গ্রামে শহীদ হন ।<ref>https://web.archive.org/web/20130616005013/http://www.brahmanbaria.gov.bd/node/653781</ref>
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুরে এস ফোর্সের অধিনায়ক তৎকালীন সেনাপ্রধান [[কে এম সফিউল্লাহ|মেজর কে এম সফিউল্লাহ বীর উত্তম]] এর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি বাহিনীর যুদ্ধ হয়। ঐ যুদ্ধে দুজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এবং ১১ জন আহত হন । পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২৫ জন নিহত ও ১৪ জন বন্দী হয়।<ref name="archive.prothom-alo.com">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-10-15/news/298110|শিরোনাম=তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না|প্রকাশক=}}</ref>
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে গড়ে তোলা হয়েছে [[কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ| কোল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্থল]]। এখানে ৫০ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর রয়েছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archive.prothom-alo.com/print/news/119160|শিরোনাম=Prothom Alo - Most popular bangla daily newspaper|কর্ম=archive.prothom-alo.com}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-04-30/news/254176|শিরোনাম=তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না|প্রকাশক=}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-10-24/news/300565|শিরোনাম=তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না|প্রকাশক=}}</ref><ref>http://bn.banglapedia.org/index.php?title=কামাল,_বীরশ্রেষ্ঠ_মোহাম্মদ_মোস্তফা</ref>
<ref name="vic08">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archive.thedailystar.net/suppliments/2004/victory_day/vic08.htm|শিরোনাম=Attack on Kalachara|তারিখ=December 16, 2004|কর্ম=The Daily Star |লেখক=Lieutenant General M Harun-Ar-Rashid|সংগ্রহের-তারিখ=6 October,2016 |অবস্থান=Dhaka, Bangladesh}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.banglanews24.com/cat/news/bd/69264.details#2|শিরোনাম=অপারেশন মুকুন্দপুর: অশ্রুসিক্ত জেনারেল|তারিখ=December 19, 2011|কর্ম=BanglaNews24.com|লেখক=|সংগ্রহের-তারিখ=13 May,2017 |অবস্থান=Dhaka, Bangladesh}}</ref>