"মাহবুব-উল আলম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
== সাহিত্য কর্ম ==
তিনি বাংলা গদ্য ও কল্পকাহীনি এবং গল্প লিখতেন। তাঁরতার সাহিত্য কর্মগুলি বিদ্যালয় স্তরের পাঠ্যক্রম, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতকোত্তর স্তরের বাংলা সাহিত্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
 
=== উপন্যাস ===
* ''পঞ্চ অন্ন'' (১৯৫৩) - আরেকটি ভলিউম, যার মধ্যে অতিপ্রাকৃতবাদ, দুর্ভিক্ষ, গার্হস্থ্য বিষয় এবং বিবাহ সম্পর্কিত ছোট গল্প রয়েছে।
 
তাঁরতার মৃত্যুর পর, চারটি মজাদার হাস্যরসাত্মক গল্প প্রকাশ করা হয় যা হল: ''রঙবেরঙ'' (১৯৯৮), ''পল্টনে'' (১৯৯৮), ''প্রধান অতিথি ও তাজা শিঙ্গি মাছের ঝোল'' (২০০২) এবং ''সাত সতেরো''।
 
=== অন্য কর্ম ===
 
== ব্যক্তিগত জীবন ==
চট্টগ্রাম কলেজে পড়াশোনা করার সময় আলম তার দূরবর্তী আত্মীয় জুলেখাকে বিয়ে করেছিলেন, যিনি সাত সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন এবং মারা যান (যার মধ্যে তিনজন শিশু কালে মারা যান)। মাহবুব-উল আলম পরে রাহেলা খাতুনকে বিয়ে করেন, যিনি ১১ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন এবং ২৬ বছর ধরে বেঁচে ছিলেন। অবসর গ্রহণে পর, তিনি সামাজিক কর্মে আগ্রহী হন এবং ১৯৫৩ সালে ‘জমানা’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা বের করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৬ সালে তা ‘দৈনিক জমানা’য় রূপান্তর ও প্রতিষ্ঠিত করেন। মাহবুব-উল আলম ১৯৮১ সালের ৭ আগস্ট চট্টগ্রামের কাজির দেউরীতে তাঁরতার নিজ বাড়িতে মারা যান। তাঁরতার মার্কিন লেখক-বন্ধু রবার্ট সি হ্যামক তার বই ''বেলো দ্য ললানো এস্তাকাদোতে'' তাঁকেতাকে নিয়ে একটি অধ্যায় লিখেন।
 
== পুরস্কার ==
১,৫২,৮২০টি

সম্পাদনা