ইউ নু: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বিষয়বস্তু বিয়োগ হয়েছে বিষয়বস্তু যোগ হয়েছে
InternetArchiveBot (আলোচনা | অবদান)
5টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta10ehf1)
NahidSultanBot (আলোচনা | অবদান)
বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
৪৪ নং লাইন:
 
== প্রারম্ভিক জীবন ==
ব্রিটিশ বার্মায় ইউ সান তুন ও ড স খিন দম্পতির সন্তান ছিলেন। ইয়াংগুনের মিওমা হাই স্কুলে ভর্তি হন। এরপর ১৯২৯ সালে র‌্যাঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৯ সালে বি.এ. ডিগ্রী লাভ করেন। আইন বিষয়ে স্নাতক শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে মায়া ই’র সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় তাঁর।তার।
 
র‌্যাঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংগঠনের সভাপতি হিসেবে তাঁরতার রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত ঘটে। ১৯৩৭ সালে থাকিন থান তুনের সাথে নাগানি বুক ক্লাব গঠন করেন। মার্কসবাদ বিষয়ে বর্মী ভাষায় অণুবাদকৃত গ্রন্থ এখান থেকেই প্রথমবারের মতো প্রকাশ হতে থাকে। এছাড়া্ও পিপলস রিভল্যুশনারী পার্টি (পিআরপি) গঠন করেন ও নেতৃত্বে ছিলেন। পরবর্তীকালে ঐ দলটি সোশ্যালিস্ট পার্টিতে রূপান্তরিত হয়। দলটি ১৯৪০-এর দশকে জাপান ও ব্রিটিশ - উভয়ের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভে আন্দোলন করে। ১৯৪০ সালে [[থাকিন সো]], থাকিন থান তুন, কিয় নেইন, ইউ মাদ এবং ড. বা ময়ের সাথে তিনি ঔপনিবেশিক সরকারের আমলে অভিযুক্ত হন। কিন্তু, ক্রমবর্ধমান জাপানীদের আক্রমণে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ নু’র কারাভোগ স্থগিত করে।<ref>Thakin Nu. Burma Under the Japanese, 15.</ref>
 
== রাজনৈতিক জীবন ==
আগস্ট, ১৯৪৩ সালে জাপান সরকার বা মকে প্রধান করে সীমিত পর্যায়ে বার্মার স্বাধীনতা ঘোষণা করে।<ref>Thakin Nu. Burma Under the Japanese, 108.</ref> এতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৪৪ সালে তথ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু, মার্চ, ১৯৪৫ সালে জাপানী সামরিকবাহিনী এএফপিএফএলের কাছ থেকে বিরোধীতার সম্মুখিন হয়। এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে নু জাপানীদের সালে সম্পর্কচ্ছেদ করেন। ১২ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে মিত্রশক্তির পাইলট কর্তৃক তিনি সমূহ মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছিলেন। বা ময়ের গৃহ ধ্বংস হয়। কিন্তু ঐ আক্রমণে তাঁরাতারা নিজেদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন। জাপানের আত্মসমর্পণের পর নু সাময়িকভাবে রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন। এ সময়ে তিনি যুদ্ধকালীন বছরগুলোকে ঘিরে আত্মজীবনী রচনা করেন।
 
অং সানের সাথে পূর্বেকার সম্পর্ক থাকায় ও ছাত্রাবস্থায় জাতীয়তাবাদীদের সাথে সম্পর্কের কারণে নু পুণরায় এএফপিএফএলের সাথে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু শুরুতে দলের মধ্যে বহমান সমাজতান্ত্রিক চেতনাকে বাস্তবায়নে তাঁকেতাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।<ref>Richard Butwell. U Nu of Burma, 52.</ref>
 
দলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা [[অং সান]] ও তাঁরতার মন্ত্রীসভার সদস্যগণ ১৯ জুলাই, ১৯৪৭ তারিখে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এরপর ইউ নু এএফপিএফএলের নেতৃত্ব দেন। অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী [[ক্লিমেন্ট এট্‌লি|ক্লিমেন্ট এটলি’র]] সাথে স্বাধীনতার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন যা নু-এটলি সন্ধি নামে পরিচিত।<ref>[http://peoplewinthrough.com/ U Nu of Burma - The First and Last Democratically Elected Leader of Burma]</ref>
 
৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮ তারিখে ব্রিটেনের কাছ থেকে বার্মা স্বাধীনতা লাভ করে। ওল্ড মাইওমা স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হন। স্বাধীন বার্মার প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন ও সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলোর সাথে আলোচনা করেন।
৬২ নং লাইন:
[[থেরবাদ]] বৌদ্ধ ধর্মে তিনি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। ১৯৫২ সালে কাবা আয়া প্যাগোডা ও মহা পসন্ন গুহ নির্মাণ করেন। কলমা সুত্তে আকৃষ্ট ইউ নু। বৌদ্ধ ধর্মীয় এ মতবাদে বিশ্বাসীগণকে তাঁদের বিশ্বাস ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তে গৃহীত যে-কোন বাস্তব বিষয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়: স্বয়ং যাচাই না করে কোন কিছু বিশ্বাস করা যাবে না।<ref name="cbs">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.youtube.com/watch?v=myi_Vg5vu9I|শিরোনাম=Burma, Buddhism, and Neutralism|তারিখ=3 February 1957|কর্ম=See It Now|প্রকাশক=Youtube|সংগ্রহের-তারিখ=12 August 2011}}</ref>
 
২৯ আগস্ট, ১৯৬১ নিজ উদ্যোগে রাষ্ট্রধর্ম বিষয়ে সংসদে অণুমোদন দেন।<ref name="sal">{{বই উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Sahliyeh|প্রথমাংশ=Emile F.|শিরোনাম=Religious resurgence and politics in the contemporary world|প্রকাশক=SUNY Press|বছর=1990|পাতাসমূহ=39–40|আইএসবিএন=978-0-7914-0382-2}}</ref> এ আইনে [[বৌদ্ধ ধর্ম|বৌদ্ধ ধর্মকে]] রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দেয়া হয়। তাঁরতার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেও এ বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছিল।
 
== ব্যক্তিগত জীবন ==
১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে ৮৭ বছর বয়সে ইয়াংগুনের বাহান শহরে তাঁরতার দেহাবসান ঘটে।<ref>[http://www.burmalibrary.org/reg.burma/archives/199502/msg00074.html U Nu Dies], Reuters, February 14, 1995</ref> তাঁরতার পূর্বেই ১৯৯৩ সালে মায়া ই’র মৃত্যু ঘটেছিল। এ দম্পতির পাঁচ সন্তান ছিল।
 
১৯৫৫ সালে যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকেতাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.bg.ac.rs/csrp/nauka/pocasni_doktori.php|শিরোনাম=University of Belgrade: Honorary Doctors|বিন্যাস=|কর্ম=|সংগ্রহের-তারিখ=2012-06-11|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120503231449/http://www.bg.ac.rs/csrp/nauka/pocasni_doktori.php|আর্কাইভের-তারিখ=২০১২-০৫-০৩|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==