"বিল কপসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(সম্প্রসারিত রূপ!)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
ডার্বিশায়ারের স্টোনব্রুম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী উইলিয়াম হেনরি কপসন খনি শ্রমিক ছিলেন। সতীর্থ বোলার [[টমি মিচেল|টমি মিচেলের]] সাথে তিনিও ১৯২৬ সালের সাধারণ ধর্মঘটের কারণে ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন। ধর্মঘটের পূর্ব-পর্যন্ত ক্রিকেট খেলায় কোনরূপ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়নি। তবে, সহকর্মী শ্রমিকদের সহযোগিতার কারণে স্থানীয় বিনোদন মাঠে ক্রিকেট খেলায় যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করে।
 
বোলার হিসেবে গ্রহণযোগ্য মাত্রায় পেস বোলিং করতেন ও ব্যতিক্রমধর্মী সোজাভাবে বলকে ডেলিভারি করতেন। এরফলে ব্যাটসম্যানকে প্রত্যেক বলকেই মোকাবেলা করতে বাধ্য করা হতো। পরের মৌসুমে মর্টন কলিয়ারি দলের পক্ষে খেলার সুযোগ ঘটে তাঁর।তার। এরপর ডার্বিশায়ার লীগে ক্লে ক্রস ক্লাবে যোগ দেন। বেশ সফলতা পাওয়ায় ১৯৩২ সালে ডার্বিশায়ার কর্তৃপক্ষ দলের সদস্য হিসেবে মনোনীত করে।<ref name=obit>[http://www.cricinfo.com/wisdenalmanack/content/story/234615.html Wisden Obituaries - William Copson]</ref>
 
== প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ==
প্রথম-শ্রেণীর খেলায় ডার্বিশায়ারের পক্ষে খেলেছেন। এ সময়ে তিনি সহস্রাধিক উইকেটের সন্ধান পেয়েছেন। তন্মধ্যে, ১৯৩৬ সালের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছেন। [[সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব|সারে দলের]] বিপক্ষে অভিষেক ঘটা ঐ খেলায় সারের ব্যাটসম্যান [[অ্যান্ডি স্যান্ডহাম|অ্যান্ডি স্যান্ডহামকে]] নিজের প্রথম বলেই বিস্ময়করভাবে আউট করেন। তবে মৌসুমের বাদ-বাকী সময় তাঁরতার ক্রীড়াশৈলী মাঝারিমানের ছিল।
 
১৯৩৩ সালে কপসনকে ডার্বিশায়ার দলের নিয়মিত সদস্যের মর্যাদা লাভ করেন। স্বল্প দূরত্ব থেকে দৌঁড়ে বোলিং করলেও ফাস্ট বোলারদের ন্যায় ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করতেন। গ্রীষ্মের অনুপযোগী পিচেও তিনি সফলতা পেয়েছেন। পরবর্তী দুই মৌসুমে কপসন আঘাতে জর্জরিত ছিলেন। ফলে তাঁরতার শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে দুঃশ্চিন্তার ঘনঘটা দেখা দেয়। সুস্থ হয়ে আসার পর তাঁরতার খেলায় প্রভূতঃ উন্নতি সাধিত হয়। ১৯৩৫ সালে বোলিং গড়ে ডার্বিশায়ারের বোলারদের শীর্ষে ছিলেন। যে-কোন সময়ের পূর্বে কিংবা পরবর্তী সময়ে সর্বাপেক্ষা বেশী জয়ের দেখা পায় ডার্বিশায়ার দল।
 
স্কেগনেসে শারীরিক সুস্থতার জন্য চলে যান। ফিরে আসার পর ১৯৩৬ সালে দারুণভাবে ফিরে আসেন। বাজে পিচে শক্তিশালী সারে দলের ব্যাটিংয়ের উপর খড়গ হস্ত চালিয়ে ১২/৫২ লাভ করেন যা তাঁরতার সেরা বোলিং পরিসংখ্যান হিসেবে রয়ে যায়। [[কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ|কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে]] ১৩-এর কম গড়ে ১৪০ উইকেট পান। ফলশ্রুতিতে মৌসুম শেষে [[দি অ্যাশেজ|অ্যাশেজ সফরের]] জন্য মনোনীত হন। সকল খেলায় শীর্ষস্থানে থাকলেও বেশ শক্ত অস্ট্রেলীয় পিচে অসীম সময়ের খেলার জন্য তাঁরতার বোলিং উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়নি। ফলে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করেননি তিনি।
 
১৯৩৭ সালে আরও বড় ধরনের আঘাতের কবলে পড়েন তিনি। তবে, ৮/১১ নিয়ে কাউন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা বোলিং করেন। তন্মধ্যে, ধারাবাহিকভাবে ছয় বলে পাঁচটি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পান। ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে ঐ পিচে অন্য কোন বোলার তাঁকেতাকে কোন সহযোগিতা করতে পারেননি। ব্যাটিং উপযোগী পিচে সাসেক্সের বিপক্ষে ৮/৬৪ পান। পরের বছর আবারো ১০৩ উইকেট পান। তাস্বত্ত্বেও [[কেন ফার্নেস]] ও [[বিল বোস|বিল বোসকে]] টেস্ট দলে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখতে পারেননি।
 
== টেস্ট ক্রিকেট ==
১৯৩৬-৩৭ মৌসুমে [[মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব|মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের]] প্রতিনিধিত্ব করেছেন।<ref>{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ=ACS |প্রথমাংশ= |লেখক-সংযোগ=Association of Cricket Statisticians and Historians |শিরোনাম=A Guide to First-Class Cricket Matches Played in the British Isles |বছর=1982 |প্রকাশক=ACS |অবস্থান=Nottingham |আইএসবিএন=}}</ref><ref name="CA316">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://cricketarchive.com/Archive/Teams/0/206/Players.html |প্রকাশক=CricketArchive |শিরোনাম=Marylebone Cricket Club Players |সংগ্রহের-তারিখ=2 January 2017}}</ref> এ সময়ে তিনি এমসিসি দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড গমন করেন।
 
অবশেষে ১৯৩৯ সালে টেস্ট খেলার সুযোগ হয় তাঁর।তার। [[ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল|ওয়েস্ট ইন্ডিজের]] বিপক্ষে লর্ডসে তাঁরতার অভিষেক হয়। ২৪ জুন, ১৯৩৯ তারিখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হওয়া কপসন নিরাশ করেননি। নিখুঁত পিচে নয় উইকেট পান। তন্মধ্যে প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছিলেন।<ref name="espncricinfo">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/62658.html |শিরোনাম=1st Test: England v West Indies at Lord's, Jun 24-27, 1939 |সংগ্রহের-তারিখ=2011-12-13 |কর্ম=espncricinfo}}</ref> ঐ বছর তিনি ১৪৬ উইকেট পান। তবে, [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] কারণে নিয়মিত টেস্ট বোলার হতে পারেননি।
 
১৯৪৬ সালের মধ্যে পেসে সক্ষমতা হারান। অন্যদের তুলনায় সোজা বোলিং করলেও যুদ্ধের পূর্বেকার বছরগুলোর ন্যায় কার্যকর ছিল না। ১৯৪৭ সালে আরও একটি টেস্টে অংশ নেন; তবে কোন সফলতা পাননি। ১৯৪৯ সালে ৪১ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন।
 
== ব্যক্তিগত জীবন ==
১৯৫৮ থেকে ১৯৬৭ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে [[আম্পায়ার|আম্পায়ারের]] দায়িত্ব পালন করেন কপসন। তবে, ক্রমাগত স্বাস্থ্যহানীর কারণে এ দায়িত্ব থেকে দূরে সরে আসতে হয় তাঁকে।তাকে। ৬৩ বছর বয়সে ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ডার্বিশায়ারের ক্লে ক্রস এলাকায় তাঁরতার দেহাবসান ঘটে।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{১৯৩৭ উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার}}
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:কপসন, বিল}}
 
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:কপসন, বিল}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ মৃত্যু]]
১,৭৪,২৯৯টি

সম্পাদনা