"আবুল হোসেন (কবি)" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(1টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta14))
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
}}
 
'''আবুল হোসেন''' ([[১৫ আগস্ট]], [[১৯২২]] - [[২৯ জুন]], [[২০১৪]]) ছিলেন একজন বাংলাদেশী কবি। ত্রিশের দশকে অবিভক্ত ভারতে তাঁরতার লেখালিখির সূত্রপাত। ৪০ দশকের বাংলা ভাষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের কবিতা শাখায় তাঁরতার অবদানের জন্য তিনি ১৯৬৩ সালে [[বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার]] লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁরতার অবদানের জন্য তিনি ১৯৮০ সালে [[বাংলাদেশ সরকার]] তাঁকেতাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা [[একুশে পদক|একুশে পদকে]] ভূষিত করে।
 
== জন্ম ও শিক্ষাজীবন ==
আবুল হোসেন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট [[বাগেরহাট জেলা]]র [[ফকিরহাট উপজেলা]]র আরুয়াডাঙা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।<ref name="prothom-alo1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/254884 |শিরোনাম=কবি আবুল হোসেন চলে গেলেন|কর্ম=[[দৈনিক প্রথম আলো]]|তারিখ=২৯ জুন ২০১৪ |সংগ্রহের-তারিখ=২৯ জুন ২০১৪}}</ref> তার মায়ের নাম মেহেরুন নেসা।<ref name="gunijan1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.gunijan.org.bd/GjProfDetails_action.php?GjProfId=213 |শিরোনাম=:: Welcome to GUNIJAN :: The Eminent :: Largest electronic journal of bangladeshi eminents : |প্রকাশক=Gunijan.org.bd |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=২৯ জুন ২০১৪}}</ref> তাঁরতার পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে ২৪ এপ্রিল বাগেরহাটে পাকিস্তানিরা সৈন্যদের হাতে নিহত হন। তার ছোট ভাই আমজাদ হোসেন একসময় পাকিস্তানের মন্ত্রী ছিলেন।<ref name="শ্যামল চন্দ্র নাথ">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ1=নাথ|প্রথমাংশ1=শ্যামল চন্দ্র|শিরোনাম=‘দেশভাগ না হলে হয়তো আরও ভালো লিখতে পারতাম’|ইউআরএল=http://www.prothomalo.com/art-and-literature/article/1521041/‘দেশভাগ-না-হলে-হয়তো-আরও-ভালো-লিখতে-পারতাম’|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ জুন ২০১৮|কর্ম=[[দৈনিক প্রথম আলো]]|তারিখ=২৯ জুন ২০১৮}}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=জানুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref>
 
হোসেনের পৈতৃক নিবাস খুলনা জেলার রুপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামে। তাঁরতার শৈশব কাটে পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণ নগরে, এরপর কলকাতায় ও পরবর্তীকালে বাংলাদেশে। তিনি ১৯২৯ সালে সাত বছর বয়সে কৃষ্ণনগর কলিজিয়েট স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন।<ref name="gunijan1"/> অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন এই স্কুল ম্যাগাজিনে তার প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়।<ref name="শ্যামল চন্দ্র নাথ"/> ১৯৩৭ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন কুষ্টিয়া হাইস্কুল থেকে। তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯৪২ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক ও পরে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
 
== কর্মজীবন ==
 
== সাহিত্যকর্ম ==
তিনি কবিতাচর্চা শুরু করেছিলেন স্কুল জীবন থেকেই। তখন থেকেই তিনি সাহিত্যচর্চা আর সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক সংগঠনের লালনে তিনি সময় দিয়েছেন। তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্র পরিষদের সম্পাদক ছিলেন। তাঁরতার লেখালেখির শুরুর সময়ের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কবিতা হল ডাইনামো, ট্রেন, ডি এইচ রেলওয়ে, ঘোড়সওয়ার, ও বাংলার মেয়ে।<ref name="শ্যামল চন্দ্র নাথ"/> বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির কার্যকরী পরিষদ, পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ডের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও বাংলা একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ছিলেন। রবীন্দ্র চর্চাকেন্দ্রের সভাপতি ছিলেন। তার গ্রন্থসংখ্যা ২৫টি। তাঁরতার প্রথম কাব্য গ্রন্থ নববসন্ত ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://mzamin.com/details.php?mzamin=MzAxOTg=&s=Mw== |শিরোনাম=নববসন্ত’র কবি আবুল হোসেন আর নেই |প্রকাশক=[[দৈনিক মানবজমিন]]|তারিখ=২৯ জুন ২০১৪ |সংগ্রহের-তারিখ=২৯ জুন ২০১৪}}</ref>
 
তার প্রকাশিত বইগুলির মধ্যে রয়েছে:<ref name="gunijan1"/>
* ২০০৪ - রাজকাহিনী
 
২০০৭ সালে 'আবুল হোসেনর ব্যঙ্গ কবিতা' ও গদ্যের বই 'দুঃস্বপ্নের কাল', ২০০৮ সালে 'প্রেমের কবিতা' ও 'কালের খাতায়', ২০০৯ সালে গদ্য 'স্বপ্ন ভঙ্গের পালা' বইগুলি প্রকাশিত হয়।<ref name="gunijan1"/> তাঁরতার অনুবাদ করা কবিতাগুলি হচ্ছে- 'ইকবালের কবিতা', 'আমার জন্মভূমি', 'অন্য ক্ষেতের ফসল'। ২০০০ সালে তিনি 'আমার এই ছোট ভুবন', ২০০৫ সালে 'আর এক ভুবন' নামে দুটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ লিখেন। তাঁরতার অনুবাদ করা উপন্যাস হচ্ছে 'অরণ্যের ডাক'। 'পার্বত্যের পথে' নামক ভ্রমণ কাহিনীও লিখেছেন তিনি।
 
এছাড়াও তাঁরতার আরও অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে।
 
== মৃত্যু ==
১,৯৩,৬৭৬টি

সম্পাদনা