"ফ্রেড রামসে" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(1টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta10ehf1))
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
== কাউন্টি ক্রিকেট ==
৪ ডিসেম্বর, ১৯৩৫ তারিখে লন্ডনের স্টেপনি এলাকায় ফ্রেড রামসের জন্ম। ১৯৬০ সালে [[Worcestershire County Cricket Club|ওরচেস্টাশায়ারের]] সদস্যরূপে [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে]] অভিষেক ঘটে তাঁর।তার। [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট ক্লাব|কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের]] বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় ভবিষ্যতের [[ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়কদের তালিকা|ইংরেজ]] [[অধিনায়ক (ক্রিকেট)|অধিনায়ক]] [[টনি লুইস (ক্রিকেটার)|টনি লুইসকে]] আউট করে প্রথম [[উইকেট]] পেয়েছিলেন। পরবর্তী দুই বছরে তিনি আরও কয়েকটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে, ১৯৬৩ সালে সমারসেটে স্থানান্তর হবার পূর্বে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় একাদশে খেলার সুযোগ পেতেন।
 
ছয় মৌসুম সমারসেটের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ফ্রেড রামসে। এ সময়কালে ২০.১৪ গড়ে ৫৪৭টি [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর]] উইকেটের সন্ধান পান। তন্মধ্যে, ১৯৬৩, ১৯৬৫ ও ১৯৬৬ সালে শত উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন তিনি। ১৯৬৫ সালে ব্যক্তিগত সেরা ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে সক্ষমতা দেখান তিনি। [[Hampshire County Cricket Club|হ্যাম্পশায়ারের]] বিপক্ষে নিম্নমুখী রানের খেলায় ৮/২৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। ঐ খেলায় ৩৩ উইকেট পতনে মাত্র ২৮৩ রান সংগৃহীত হয়েছিল। ঐ [[মৌসুম (ক্রীড়া)|মৌসুমে]] মাত্র ১৬.১৮ গড়ে ১১৯টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পেয়েছিলেন ফ্রেড রামসে। সাতবার [[ইনিংস|ইনিংসে]] পাঁচ বা ততোধিক উইকেট পেয়েছিলেন। সমারসেটের ইতিহাসে অন্যতম দ্রুতগতিসম্পন্ন বোলার হিসেবে ফ্রেড রামসে আবির্ভূত হন।
সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে মাত্র ৫ টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচটি টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
 
২৩ জুলাই, ১৯৬৪ তারিখে সফরকারী [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়ার]] বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ফ্রেড রামসে’র। ম্যানচেস্টারের [[Old Trafford (cricket)|ওল্ড ট্রাফোর্ডে]] [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেটে]] অভিষেক খেলায় [[বব সিম্পসন|বব সিম্পসনের]] ৩১১ রানের কল্যাণে পাহাড়সম ৬৫৬/৮ তুলে সফরকারীরা। ৩৫.৫ ওভার বোলিং করে ২/৯৯ পান যা কিছুটা স্বস্তিদায়ক ছিল। অবশ্য স্বাগতিক ইংরেজ দলও ৬০০ রানের কোটা স্পর্শ করতে পেরেছিল। [[দি ওভাল|ওভালের]] পঞ্চম টেস্টে তাঁকেতাকে মূল একাদশে রাখা হয়নি।
 
১৯৬৫ সালে [[নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল|নিউজিল্যান্ড দল]] ইংল্যান্ড গমন করে। তিন টেস্টে গড়া সিরিজের প্রত্যেকটিতেই তাঁরতার অংশগ্রহণ ছিল। লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টে ব্যক্তিগত সেরা ৪/২৫ লাভ করেন। সমগ্র সিরিজে ২৫.৪৪ গড়ে নয় উইকেট দখল করেছিলেন তিনি। জুলাইয়ের শেষদিকে [[দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দল|দক্ষিণ আফ্রিকার]] বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টেও তাঁকেতাকে দলে রাখা হয়েছিল। খেলায় ছয় উইকেট দখল করলেও এটিই তাঁরতার ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।<ref name="Cap"/>
 
== প্রশাসনে অংশগ্রহণ ==
১৯৬৭-৬৮ মৌসুমের শীতকালে সমারসেট কর্তৃপক্ষ তাঁকেতাকে জনসংযোগ ও তহবিল বৃদ্ধি কর্মকর্তা পদে নিযুক্ত করে। ইংরেজ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে এ ধরনের পদ এটিই প্রথম ছিল। ১৯৬৭ সালে ক্রিকেটে অনবদ্য ভূমিকা রাখেন। এ বছর [[প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন]] গঠন করেন। এ ধরনের সংগঠন গঠনের পূর্বে পিসিএ ইংলিশ ক্রিকেট প্লেয়ার্স খুব কমই [[ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড|ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস]] প্রশাসনে খুব কমই কথা বলতো। খেলোয়াড়দের সংগঠনটি পরবর্তীতে ফ্রেড রামসেকে আজীবন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সহঃসভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেয়।
 
১৯৬৯ মৌসুমে ফ্রেড রামসে পুণরায় কাউন্টি ত্যাগ করে [[Derbyshire County Cricket Club|ডার্বিশায়ারে]] চলে যান। সেখানে তিনি একদিনের ক্রিকেটে অংশ নিতে থাকেন এবং জনসংযোগ ও তহবিল বৃদ্ধি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা