"গ্রাহাম গুচ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(সম্প্রসারিত রূপ!)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
}}
 
'''গ্রাহাম অ্যালেন গুচ''', <small>[[অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার|ওবিই]], ডিএল</small> ({{lang-en|Graham Alan Gooch}}; [[জন্ম]]: [[২৩ জুলাই]], [[১৯৫৩]]) লিটনস্টোনের হুইপস ক্রস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী [[ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক [[ক্রিকেট]] তারকা। [[এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব|এসেক্স]] এবং [[ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল|ইংল্যান্ডের]] পক্ষ হয়ে [[অধিনায়ক (ক্রিকেট)|অধিনায়কত্ব]] করেছেন তিনি। তিনি তাঁরতার সময়কালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অন্যতম সফল [[ব্যাটিং (ক্রিকেট)|ব্যাটসম্যান]] হিসেবে পরিগণিত ছিলেন। ১৯৭৩ থেকে ২০০০ সাল মেয়াদকালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ও সীমিত ওভারের খেলায় ৬৭,০৫৭ রান করে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখেন ‘জ্যাপ’ ডাকনামে পরিচিত '''গ্রাহাম গুচ'''।<ref name="Records / Combined First-class, List A and Twenty20 / Batting records / Most runs in career">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://stats.cricinfo.com/ci/content/records/284266.html|শিরোনাম=Records / Combined First-class, List A and Twenty20 / Batting records / Most runs in career|প্রকাশক=ESPNcricinfo|সংগ্রহের-তারিখ=23 February 2010|ভাষা=en}}</ref>
 
নভেম্বর, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 
== খেলোয়াড়ী জীবন ==
১০-১৪ জুলাই, ১৯৭৫ সালে ২১ বছর বয়সে [[ইয়ান চ্যাপেল|ইয়ান চ্যাপেলের]] নেতৃত্বাধীন সফরকারী [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়া দলের]] বিপক্ষে বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত ১ম টেস্টে অভিষেক ঘটে গুচের। কিন্তু সূচনালগ্নটি মোটেই ভাল হয়নি তাঁর।তার। উভয় ইনিংসেই তিনি [[শূন্য রান]] করেছিলেন।<ref>[http://content-uk.cricinfo.com/england/engine/match/63146.html Cricinfo - 1st Test: England v Australia at Birmingham, 10-14 July 1975<!-- Bot generated title -->]</ref> ঐ টেস্টে ইংল্যান্ড ইনিংস ও ৮৫ রানের বিরাট ব্যবধানে [[ফলাফল (ক্রিকেট)|পরাজিত]] হয়েছিল। পরের টেস্টে ৬ ও ৩১ রান করেন। ফলে দল থেকে বাদ পড়ে যান।
 
[[এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব|এসেক্সে]] ভাল ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করায় ১৯৭৮ সালে পুণরায় দলে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বিদ্রোহী দলের সাথে খেলার জন্য তিনি তিন বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন। তারপরও [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেটে]] ৮,৯০০ রান নিয়ে এপ্রিল, ২০১৫ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় [[রান (ক্রিকেট)|রান]] সংগ্রহকারীর ভূমিকায় আসীন রয়েছেন।<ref>[http://stats.espncricinfo.com/ci/engine/stats/index.html?class=1;team=1;template=results;type=batting Most Runs for England, stats.espncricinfo.com Retrieved on 4 September, 2011.]</ref>
 
[[ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল|ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের]] বৈশ্বিক টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে একাধিপত্য বিস্তারকালীন সময়ে তাঁরতার খেলোয়াড়ী জীবন কাটে। এ সময়ে তাঁরতার প্রায় চল্লিশ গড়ের ব্যাটিং সত্যিই উল্লেখযোগ্য অবদানরূপে বিবেচিত হয়। [[হেডিংলি স্টেডিয়াম|হেডিংলিতে]] ১৯৯১ সালে তাঁরতার করা ১৫৪ রান অনেকগুলো সেরা সেঞ্চুরিগুলোর একটি হিসেবে ক্রিকেট বোদ্ধা ও সাবেক খেলোয়াড়গণ মনে করেন। তাঁরতার এ ইনিংসের কল্যাণে ইংল্যান্ড দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় পায়। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে সংগৃহীত ২৫২ রানের মধ্যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন তিনি। এ পর্যায়ে [[ম্যালকম মার্শাল]], [[কার্টলি অ্যামব্রোস]] ও [[কোর্টনি ওয়ালস|কোর্টনি ওয়ালসের]] বোলিং আক্রমণ সামাল দিয়েছিলেন গ্রাহাম গুচ।
 
[[লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড|লর্ডসে]] তিনি নিজস্ব সর্বোচ্চ [[টেস্ট ক্রিকেটে ত্রি-শতকের তালিকা|৩৩৩ রান]] করার পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি করে সর্বোচ্চ রানের কীর্তিগাঁথা অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
== সম্মাননা ==
{{টেস্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ইংরেজ ক্রিকেটার}}
১৯৮০ সালে [[উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক|উইজডেন]] কর্তৃক [[উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার|উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটাররূপে]] পুরস্কৃত হন। ২০০৯ সালে [[রিচি বেনো]], [[ফ্রাঙ্ক ওলি]], [[ডেনিস কম্পটন]], [[হ্যারল্ড লারউড|হ্যারল্ড লারউডের]] সাথে তাঁকেওতাকেও [[আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেম|আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে]] অন্তর্ভূক্ত করা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thesportscampus.com/200907171413/test-cricket/hof-inducted|শিরোনাম=Benaud, Gooch, Compton, Larwood and Woolley inducted into Cricket Hall of Fame|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=২৯ মার্চ ২০১৩|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://archive.is/20120912060100/http://www.thesportscampus.com/200907171413/test-cricket/hof-inducted|আর্কাইভের-তারিখ=১২ সেপ্টেম্বর ২০১২|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> ৮ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে [[পূর্ব লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে সম্মানসূচক [[পুরস্কার]] গ্রহণ করেন।
 
== তথ্যসূত্র ==
১,৬৪,৩৯৫টি

সম্পাদনা