"আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(সম্প্রসারণ, তথ্যসূত্র)
(→‎স্বাধীনতা যুদ্ধে আন্দুলবাড়িয়া: সম্প্রসারণ, তথ্যসূত্র)
এই যুদ্ধে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন গ্রুপ কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, হতাহত হন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান সহ অনেকে<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://samajerkatha.com/2017/01/27/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96-%E0%A6%AF/|শিরোনাম=পাক-বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে দু’চোখ হারানো আব্দুল মান্নান আজও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি- সমাজের কথা}}</ref>।
 
১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে পাকবাহিনী অস্ত্র এবং রসদ সহ রেলপথে আন্দুলবাড়িয়া অতিক্রম করছিল। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের পেতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ট্রেনের তিনটি বগি ব্যপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। এসময় প্রায় ৫০ জন পাক সেনা হতাহত হয়। <ref>BANGLADESH FORCES H.Q.. MUJIBNAGAR PUBLIC RELATIONS DEPARTMENT WAR BULLETIN</ref>
 
'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র- একাদশ খন্ডে' (২রা ডিসেম্বর--যুদ্ধ বার্তায়) উল্লেখ আছে "মুক্তিবাহিনী জীবননগরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আন্দুলবাড়িয়াকে শত্রুমুক্ত করেছে। এটা বোঝা যাচ্ছে যে মুক্তিবাহিনীর প্রবল প্রতিরোধের মুখে শত্রুবাহিনী তাদের নবম ডিভিসনাল হেড-কোয়ার্টার যশোর থেকে মাগুরাতে স্থানান্তর করেছে"<ref>বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র- একাদশ খন্ড</ref>।
 
== শিক্ষা ==
২৬১টি

সম্পাদনা