"স্বেচ্ছাসেবী কাজ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

অনুবাদ, সংশোধন
(অনুবাদ)
(অনুবাদ, সংশোধন)
[[চিত্র:Laura Bush with Ghana Peace Corps volunteers.jpg|থাম্ব|লরা বুশ পিস কর্পস স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে ছবি তুলছেন।]]
[[চিত্র:FEMA - 15322 - Photograph by Andrea Booher taken on 09-05-2005 in Texas.jpg|থাম্ব|২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে হারিকেন ক্যাটরিনার পরে স্বেচ্ছাসেবকরা হিউস্টন অ্যাস্ট্রোডোমে বেঁচে থাকাদের সহায়তা করছেন।]]
'''স্বেচ্ছাসেবী কাজ''' বলতে সাধারণত স্বার্থহীন কার্যক্রমকেকাজকে বোঝায় যা একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কোনো  আর্থিক বা সামাজিক লাভের জন্য করে না, "একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীদল বা সংস্থার সুবিধাৰ্থে করে"।<sup>[১]</sup> স্বেচ্ছাসেবী কাজ দক্ষতা বিকাশের জন্যও অতি পরিচিত এবং প্রায়শইপ্রায়ই সৎকর্ম প্রচার অথবা মানুষের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে করা হয়। স্বেচ্ছাসেবী কাজ, নিশ্চিতভাবে স্বেচ্ছাসেবীস্বেচ্ছাসেবক সেই সাথে যে ব্যক্তি বা সম্প্রদায়গোষ্ঠী সেবা গ্রহণ করছে তার জন্য সুবিধাজনক।<sup>[২]</sup> এটি সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের জন্য যোগাযোগ তৈরি করতেও করা হয়। অনেক স্বেচ্ছাসেবীস্বেচ্ছাসেবক তাদের কাজের ক্ষেত্র গুলোতে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত, যেমন চিকিৎসাশাস্ত্র, শিক্ষা বা জরুরি উদ্ধারকার্য। অন্যরা প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা প্রদান করে, যেমন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রতিক্রিয়া হিসাবে।
 
সামরিক সূত্রানুসারে, একজন সেচ্ছাসেবক  হলেন সেই ব্যক্তি যিনি সশস্ত্র বাহিনীতে, বাধ্যতামূলকভাবে নয় বরং নিজ ইচ্ছানুসারে যোগদান করেন এবং সাধারণত বেতন পান।
 
== '''ব্যুৎপত্তি ও ইতিহাস''' ==
ক্রিয়া পদটি প্রথম নথিভুক্ত হয়েছিল ১৭৫৫ সালে। ধারণা করা হয়, ১৬০০, এটি বিশেষ্য পদ স্বেচ্ছাসেবক ''volunteer'' থেকে উদ্ভূত, যেটি মধ্য ফরাসি ''voluntaire'' থেকে এসেছে, যার অর্থ  "যিনি নিজেকে সামরিক বাহিনীতে যোগদানের জন্য বিবেচনা করেন"।<sup>[৩]</sup> অ-সামরিক অর্থে, শব্দটি ১৬৩০ এর দশকে প্রথম নথিভুক্ত হয়েছিল। স্বেচ্ছাসেবী শব্দটির আরও সাম্প্রতিক ব্যবহার রয়েছে- এখনও প্রধানত সামরিক - এটি নাগরিক সেবার সাথে মিলিয়ে ফেলা হয়।<sup>[৩][৪]</sup> সামরিক সূত্রানুসারে, একজন সেচ্ছাসেবক সেনা হল একটি সামরিক বাহিনী, যার সৈন্যরা বাধ্যতামূলকভাবে নয় বরং সেচ্ছায় চাকরিতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এ ধরণের স্বেচ্ছাসেবীরা "বিনা মূল্যে" কাজ করেন না এবং তাদের নিয়মিত বেতন দেওয়া হয়।
 
১৯৬০ সালে কিউবার তথাকথিত বিপ্লবী যুদ্ধ শেষ হবার পর, আর্নেস্তো চে গুয়েভারা স্বেচ্ছাসেবীর কাজের ধারণা তৈরি করেছিলেন। এটা তৈরি করা হয়েছিলএই উদ্দেশ্যে যে, দেশজুড়ে কর্মচারীরা  তাদের কাজের ক্ষেত্র গুলিতে কয়েক ঘন্টা স্বইচ্ছায় কাজ করবে।
 
== '''ধরণ''' ==
 
=== স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম শিক্ষণীয়-কাজ কর্মসূচিগুলিতে ব্যবহৃত হয় ===
 
অনুষ্ঠানের শুরু হবার পূর্বে তাদের কাজ শুরু হয়েছিল: ২০১৭ সালের ১০ই মে ২০১৭ ফিফা  কনফেডারেশন্স কাপ, আর ২০১৮ সালের ১০ই মে ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ এর জন্য।
 
 
 
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছিলো: মাদের জন্য ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ, পুনরায় ব্যবহার যোগ্য প্লাষ্টিক দ্বারা ঢালু পথ তৈরী, তোমার চ্যাম্পিয়নশিপ স্টিকার প্যাক ইত্যাদি।[৩৫]
 
== '''স্বেচ্ছাসেবা দিবস, সপ্তাহ এবং বর্ষ''' ''' ==
নির্বাচিত দিন, সপ্তাহ এবং বর্ষ পালন করা হয় একটি দেশে অথবা এগুলো জাতিসংঘ দ্বারা নির্বাচিত হয়েছে স্বেচ্ছাসেবী কাজ/ নাগরিক সেবাকে উৎসাহিত করতে
 
* বিশ্ব সহানুভূতি দিবস
 
== '''রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি''' ==
আধুনিক সমাজের একটি পরিচিত গুণ হলো মানুষের একে অপরকে সাহায্য করা; স্বেচ্ছাসেবা কাজের দ্বারা শুধু অন্যদের সহযোগিতা করা হয় না, বরং তা স্বেচ্ছাসেবা দেয়া ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত পর্যায়ে সুবিধা দেয়।[৩৬] একই ধরণের উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও, স্বেচ্ছাসেবক এবং রাষ্ট্র প্রদত্ত সেবার মধ্যে চাপা উত্তেজনা দেখা দিতে পারে। এই ধরণের চাপা উত্তেজনা কমানোর জন্য, বেশিরভাগ রাষ্ট্রই নীতি তৈরী করেছে আর আইন পাস করেছে যা সরকারের অংশীদার এবং তাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রতিনিধিদের ভূমিকা আর সম্পর্কগুলো স্পষ্ট করে; এই নিয়ম প্রত্যেক পক্ষের স্থান নির্ধারণ করে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ, সামাজিক, প্রশাসনিক আর আর্থিক সহযোগিতা নির্ধারণ করে।
 
<br />
 
== '''নৈতিক সম্পদ, রাজনৈতিক মূলধন এবং নাগরিক সমাজ''' ==
চীনের একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে বলা যায়, এক্সিও এবং নাগই (২০১১) পেয়েছেন যে স্বেচ্ছাসেবাস্বেচ্ছাসেবার গড়েতৃণমূল তুলতে গেলে এটিহচ্ছে বিভিন্ন সংস্থার জন্য স্থানের ন্যায় কাজ করেছিটমহল এবং দেখা যায়এটি উন্নয়নশীল দেশের নাগরিক সমাজেরসমাজ উন্নয়নেগড়ে তুলতে এটি কাজ করে। গবেষকরা "নৈতিক সম্পদ আর রাজনৈতিক মূলধন" একটি পদ্ধতি গড়ে তুলেনতুলেছেন নাগরিক সমাজের প্রতি স্বেচ্ছাসেবার অবদানগুলো পরীক্ষা করতে। নৈতিক সম্পদ বলতে বোঝায় যেসকল সম্পদ রয়েছে সেগুলো থেকেনৈতিকতা এনজিওগুলো পছন্দ করবে। রাজনৈতিক মূলধন বলতে বোঝায় মূলধনযে যেগুলোমূলধনগুলো এনজিওগুলোর মর্যাদা, অধিকার বা বিদ্যমান রাজনীতিতেরাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রবেশে সহায়তা করবে।[৪০]
 
সেই সাথে, এক্সিও এবং নাগই (২০১১) দুই ধরণের নৈতিক সম্পদ পেয়েছেন: নৈতিক সম্পদ-I আর নৈতিক সম্পদ-II (ibid).
 
১। নৈতিক সম্পদ-I: "আমার ঠিক কি করা উচিত", ইমানুয়েল কান্ট্ এর (১৯৯৮ [১৭৮৭]) যুক্তি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে নৈতিক সম্পদ-I এনজিওগুলোর সাহসিকতা বাড়িয়ে দিবে আর সমস্যার সময় কাজ করার এবং জয় করার জন্য শক্তি দিবে এই প্রশ্নের উত্তর দেবার মাধ্যমে যে "আমার ঠিক কি করা উচিত"।[৪১]
 
২। নৈতিক সম্পদ-II: আদরনো (২০০০) পেয়েছেন যে নৈতিক বা অনৈতিক বিষয়গুলো সমাজের দ্বারা ঠিক করা হয়, নৈতিক সম্পদ-II বলতে বোঝাচ্ছে সেই নৈতিকতাগুলো যেগুলো সমাজের দ্বারা ভালোভাবে গৃহীত হয়।[৪২]
 
ধন্যবাদ ব্লাউ এবং ডানকানের বুদ্ধিগত উত্তরাধিকারের জন্য (১৯৬৭),দুই ধরণের রাজনৈতিক মূলধন লক্ষ করা যায়:
 
১। রাজনৈতিক মূলধন-I বোঝায় সেই রাজনৈতিক মূলধনকে যা হচ্ছে আরোপিত মর্যাদা যা এনজিওগুলো সম্পূর্ণরূপে ঐতিহাসিকভাবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত (যেমন, সিওয়াইএল)।
 
২। রাজনৈতিক মূলধন-II বোঝায় সেই রাজনৈতিক মূলধনকে যা এনজিওগুলো তাদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পায়।[৪৩] 
 
স্পষ্টত, "নৈতিক সম্পদ-I ধারণ করে আত্মনির্ধারণ, যে নৈতিক বিশ্বাস অংশগ্রহণকারীরা পছন্দ করেছে, যা তাদের সাহসিকতা দেয়",[৪৪] প্রায় সব সংস্থাতেই নৈতিক সম্পদ-I আছে, যদিও তাদের অনেকের কাছেই সমাজের স্বীকৃতি প্রাপ্ত নৈতিক সম্পদ-II নেই। যদিও, স্বেচ্ছাসেবার সংস্থাগুলো প্রধানত নৈতিক সম্পদ-II দ্বারা চালিত কারণ একটি নৈতিক আধিপত্যের ধারণা এটাকে সম্ভব করেছে পক্ষগুলোর জন্য, যেখানে স্বেচ্ছাসেবী কাজের প্রচার করার জন্য বিভিন্ন মূল্যবোধ, লক্ষ্য এবং সংস্কৃতির একসাথে কাজ করতে হয়। তাই স্বেচ্ছাসেবার সংস্থাগুলো জনসাধারণ আর সরকারের বিশ্বাস আর সহযোগিতা খুব সহজেই জয় করবে তাদের থেকে যে সংস্থাগুলোর নৈতিকতা সমাজের মূলপ্রবাহ দ্বারা গৃহীত হয় না। অন্যভাবে বলতে গেলে, নৈতিক সম্পদ-II তৃণমূলের সংস্থাগুলোকে সাহায্য করে রাজনৈতিক মূলধন-I দ্বারা রাজনৈতিক মূলধন-II কে জয় করতে, যেটা উন্নয়নশীল দেশগুলো যেমন চীনে তাদের টিকে থাকা আর বেড়ে উঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অতএব, এই স্বেচ্ছাসেবার রাজ্যগুলো নাগরিক সমাজের বেড়ে উঠার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোতে একটি ছিটমহল হতে পারে।[৪০]
 
== স্বাস্থ্য সুবিধাসমূহ ==
স্বেচ্ছাসেবী কাজ জীবন আর স্বাস্থ্যের গুণগতমান উন্নত করে সেইসঙ্গে দীর্ঘ জীবন দেয় তাদের যারা তাদের সময় দান করে [৪৫] এবং গবেষণা থেকে পাওয়া গিয়েছে যে, স্বেচ্ছাসেবী কাজ থেকে বয়স্করা সব থেকে বেশি সুবিধা পায়। অন্যদের সাহায্য করার মতো একটি সহজ কাজের মাধ্যমে বয়স্করা শারীরিক আর মানসিক অসুখের কষ্টগুলো থেকে আরোগ্য লাভ করতে পারে; অবশ্য, একজনকে সেজন্য নিঃস্বার্থভাবে ভালো কাজ করতে হবে। কিছু বাধা স্বেচ্ছাসেবা কাজে যুক্ত হবার ক্ষেত্রে বয়স্কদের প্রতিরোধ করতে পারে, যেমন সামাজিক-আর্থিক অবস্থা, অন্যের মতামত, এবং এমনকি বর্তমান শারীরিক অবস্থা।অবশ্য, এধরণের বাধাকে দূর করে এগিয়ে আসতে হবে যেন কেউ যদি স্বেচ্ছাসেবা কাজে যুক্ত হতে চায় তাহলে তা করতে পারে। স্বেচ্ছাসেবী কাজ শুধু গোষ্ঠীদের অবস্থাকেই ভালো করে না যাদের একজন সেবা করে, বরং তার জীবন কেও ভালো করে যে গোষ্ঠীদের সেবা প্রদান করে।
 
== মানসিক স্বাস্থ্য সুবিধাসমূহ ==
স্বেচ্ছাসেবী কাজকে শুধু আনন্দের সাথে যুক্ত করলেই হবে না [৪৬] এটি আনন্দকে বাড়িয়েও তোলে।[৪৬][৪৭] সেইসঙ্গে বিবরণ থেকে জানা যায়, সাহায্য পাওয়া থেকে সাহায্য করা মানসিক  স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী।[৪৮] গবেষণা থেকে এটাও দেখা গেছে যে, স্বেচ্ছাসেবী কাজ একাকিত্ব কমিয়ে দেয়ার একটি কারণ হিসেবে কাজ করে তাদের জন্য যারা স্বেচ্ছাসেবী কাজে যুক্ত থাকে সেই সঙ্গে যাদের জন্য স্বেচ্ছাসেবী কাজ করা হয়।[৪৯]  
 
== পরিসংখ্যান ==
স্বেচ্ছাসেবা বিশেষজ্ঞ সুসান জে. এলিসের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে, ঐতিহাসিকভাবে স্বেচ্ছাসেবী কাজের পরিসংখ্যান সীমিত হয়েছে। [৫০] ২০১৩ সালে, ইউ.এস. বর্তমান জনসংখ্যা জরিপ (ইউএস) একটি স্বেচ্ছাসেবী কাজের ক্রোড়পত্র সংযুক্ত করে, যেখানে স্বেচ্ছাসেবী কাজের পরিসংখ্যান তৈরী ছিল।
 
== সমালোচনা ==
১৯৬০-এর দশকে, ইভান ইলিচ একটি বিশ্লেষণ প্রদান করেন যেখানে আমেরিকান স্বেচ্ছাসেবকদের মেক্সিকোতে ভূমিকাকে তিনি অভিহিত করেছিলেন জাহান্নামে ভালো উদ্দেশ্যে থাকা । পাউলো ফ্রেইরে আর এডওয়ার্ড সাইদ, এর মতো সমালোচকদের মতোই তার উদ্বেগ, ক্রিস্টিয়ান মিশনারি চিন্তাধারা প্রসারের কারণে পরার্থপরতা বিশ্বাসের চারপাশে আবর্তিত হয়েছে। এছাড়াও, তিনি উল্লেখ করেছেন দায়িত্ব/বাধ্যতা-এর জ্ঞান হচ্ছে একটি কারণ, যে ধারণাটি অভিজাতবর্গকে বাধ্য করে -  এটি প্রথম গড়ে উঠে ফ্রেঞ্চ অভিজাত-তন্ত্র থেকে যে এটি তাদের সম্পদ থেকে আসা নৈতিক দায়িত্ব। সাধারণভাবে বললে, এই চেতনাগুলো পৃথিবীব্যাপী দেশীয় সংস্কৃতির উপর ক্ষমতা আর কর্তৃত্ব বাড়িয়ে দেয়ার ইচ্ছা করে। ওয়েস্টমিয়ার এবং খান (১৯৯৬) এবং বেল হুক্স (née গ্লোরিয়া ওয়াটকিনস) (২০০৪) থেকে আধুনিক সমালোচনা এসেছে।সেসঙ্গে, জিওরজিয়াও (২০১২) (<nowiki>http://www।routledge।com/books/details/9780415809153/</nowiki>) আন্তর্জাতিক অনুদান স্বেচ্ছাসেবী কাজের উপর নব্যউদারনীতিবাদ এর প্রভাব সমালোচনা করেছেন।
 
চিকিৎসা পর্যটনের ক্ষেত্র (সেই স্বেচ্ছাসেবকরা যারা চিকিৎসা সেবা দিতে বিদেশ ভ্রমণ করে) বর্তমানে নেতিবাচক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে যখন টেকসই সক্ষমতা, অর্থাৎ,  দীর্ঘ সময় ধরে, স্থানীয় ভাবে, এবং বিদেশী সুবিধা নিয়ে কাজ করা সম্ভব, এমন বিকল্প ধারণার  সাথে তুলনা করা হয়েছে। অনেক বেশি পরিমান সমালোচনা বড় করে বিজ্ঞানবিষয়ক আর সহকর্মীদের লেখনীতে প্রকাশ পেয়েছে।[৫২][৫৩][৫৪] বর্তমানে, গণমাধ্যমের বিভিন্নদিকে সাধারণ পাঠকদের মাঝেও এই ধরণের সমালোচনা প্রকাশ পাচ্ছে।[৫৫]
 
স্বেচ্ছাসেবী কাজের অন্য একটি সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে যেটি হলো এটিকে কম বেতনের প্রবেশ পদের সাথে বদলি করা হচ্ছে। এই ধরণের কাজের ফলে সামাজিক গতিশীলতা কমবে, শুধু যারা বেতন ছাড়া কাজ করতে পারবে, তারা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।[৫৬] যুক্তরাজ্যের ট্রেড ইউনিয়ন্স সতর্ক করেছে যে দীর্ঘ সময়ের স্বেচ্ছাসেবী কাজ শোষণের একটি ধরণ, যা দাতব্যসংস্থা গুলো আইন অনুযায়ী ন্যূনতম বেতন পরিহার করতে ব্যবহার করে।[৫৭] কিছু সেক্টর গুলোতে এখন প্রত্যাশা করা হচ্ছে, কাজের সাথে সম্পৃক্ত হোক বা না হোক, অংশগ্রহণকারীদের কাজের জন্য অর্থ প্রদান করা হবে তবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবী কাজের  অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে, যা স্বেচ্ছাসেবার পূর্ণ যোগ্যতা নির্ধারণে সাহায্য করবে।[৫৮]
 
== আরো দেখুন ==
 
* স্বেচ্ছাসেবকদের যুক্তকরণে নেতাদের সমিতি
* স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশাসনিক সমিতি
* চিত্তবিনোদন মূলক পেশা
* গোষ্ঠীর সেবা
* অতিক্রমের  জন্য প্রহরী
* আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী কাজ
* স্বেচ্ছাসেবার পুরস্কার তালিকা 
* মাইক্রো-স্বেচ্ছাসেবী কাজ
* পিস কর্পস
* প্রো বোনো
* সাববোটনিক
* ভলান্টারিসম
৩৬টি

সম্পাদনা