"ক্রিটেশিয়াস–প্যালিওজিন বিলুপ্তি ঘটনা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
{{কাজ চলছে/২০১৯}}
<b>'''ক্রিটেশিয়াস-প্যালিওজিন (K-Pg) বিলুপ্তি ঘটনা</b>''' (মতান্তরে <b>'''ক্রিটেশিয়াস-টার্শিয়ারি (K-T) বিলুপ্তি ঘটনা</b>''') বলতে আজ থেকে প্রায় ৬.৬ কোটি বছর আগে পৃথিবীর জীবজগতের প্রায় তিন চতুর্থাংশের আকস্মিক বিলোপনের ঘটনাকে বোঝায়<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.stratigraphy.org/index.php/ics-chart-timescale |titleশিরোনাম=International Chronostratigraphic Chart |publisherপ্রকাশক=International Commission on Stratigraphy |yearবছর=2015 |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=29 April 2015 |deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল=yes |archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140530005940/http://www.stratigraphy.org/index.php/ics-chart-timescale |archivedateআর্কাইভের-তারিখ=May 30, 2014 }}</ref><ref name="Renne2013">{{citeসাময়িকী journalউদ্ধৃতি |lastশেষাংশ=Renne |firstপ্রথমাংশ=Paul R. |last2শেষাংশ২=Deino |first2প্রথমাংশ২=Alan L. |last3শেষাংশ৩=Hilgen |first3প্রথমাংশ৩=Frederik J. |last4শেষাংশ৪=Kuiper |first4প্রথমাংশ৪=Klaudia F. |last5শেষাংশ৫=Mark |first5প্রথমাংশ৫=Darren F. |last6শেষাংশ৬=Mitchell |first6প্রথমাংশ৬=William S. |last7শেষাংশ৭=Morgan |first7প্রথমাংশ৭=Leah E. |last8শেষাংশ৮=Mundil |first8প্রথমাংশ৮=Roland |last9শেষাংশ৯=Smit |first9প্রথমাংশ৯=Jan |titleশিরোনাম=Time Scales of Critical Events Around the Cretaceous-Paleogene Boundary |journalসাময়িকী=Science |dateতারিখ=7 February 2013 |volumeখণ্ড=339 |issueসংখ্যা নং=6120 |pagesপাতাসমূহ=684–687 |doiডিওআই=10.1126/science.1230492 |pmid=23393261 |urlইউআরএল=http://www.cugb.edu.cn/uploadCms/file/20600/20131028144132060.pdf |bibcodeবিবকোড=2013Sci...339..684R}}</ref><ref name="Fortey">{{citeবই bookউদ্ধৃতি |lastশেষাংশ=Fortey |firstপ্রথমাংশ=Richard |authorlinkলেখক-সংযোগ=Richard Fortey |titleশিরোনাম=Life: A Natural History of the First Four Billion Years of Life on Earth |publisherপ্রকাশক=Vintage |yearবছর=1999 |pagesপাতাসমূহ=238–260 |isbnআইএসবিএন=978-0-375-70261-7|titleশিরোনামের-linkসংযোগ=Life: A Natural History of the First Four Billion Years of Life on Earth }}</ref>। সামুদ্রিক লেদারব্যাক কচ্ছপ ও কুমির ছাড়া ২৫ কিলোগ্রামের বেশি ওজনের কোনও চতুষ্পদ এই বিলোপনের হাত থেকে নিস্তার পায়নি<ref name="PrimalF">{{citeবই bookউদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=Primal Forces | publisherপ্রকাশক=Graphic Arts Center Publishing | lastশেষাংশ=Muench | firstপ্রথমাংশ=David | last2শেষাংশ২=Muench | first2প্রথমাংশ২=Marc | last3শেষাংশ৩=Gilders | first3প্রথমাংশ৩=Michelle A. | yearবছর=2000 | locationঅবস্থান=Portland | pagesপাতাসমূহ=20 | isbnআইএসবিএন=978-1-55868-522-2}}</ref>। এটি ক্রিটেশিয়াস যুগ তথা মেসোজোয়িক মহাযুগের অবসান ও বর্তমান সিনোজোয়িক মহাযুগের আরম্ভের সূচক ঘটনা।
 
ভূতাত্ত্বিক খতিয়ানে K-Pg ঘটনাটির নির্দেশক হল K-Pg সীমানা নামক একটি পাতলা অধঃক্ষেপের আস্তরণ, যা পৃথিবী জুড়ে স্থল ও সমুদ্রের তলদেশের শিলাস্তরে পাওয়া যায়। সীমানাটির রাসায়নিক বিশ্লেষণে অত্যধিক মাত্রায় ধাতব মৌল ইরিডিয়ামের সন্ধান পাওয়া যায়, যা পৃথিবীর শিলামণ্ডলে বিরল হলেও গ্রহাণুতে সহজলভ্য।
সমুদ্রতলে সঞ্চিত যে ক্যালশিয়ামের স্তরের ভিত্তিতে ক্রিটেশিয়াস যুগের নামকরণ হয়েছে, সেই স্তর গঠনকারী ক্যালশিয়াম-সঞ্চয়ক ন্যানোপ্ল্যাঙ্কটনের জীবাশ্মের রেকর্ডে K-Pg সীমানা অন্যতম আকস্মিক ও আমূল একটি পরিবর্তনের সূচক। প্রজাতি পর্যায়ে এই পরিবর্তনের অভিঘাত লক্ষ্য করা যায়। সমসাময়িক সামুদ্রিক জীবকুলের ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বোঝা যায়, এই ব্যাপক নেতিবাচক পরিবর্তনের কারণ ছিল প্রজাতিকরণের আকস্মিক হ্রাস নয়, বরং বিলোপনের আকস্মিক বৃদ্ধি। ডাইনোফ্ল্যাজেলেটদের K-Pg সীমানার রেকর্ড ভাল করে বোঝা যায় না, কারণ কেবলমাত্র অণুজীবীয় সিস্টরাই জীবাশ্মীভূত হয়, আর সমস্ত ডাইনোফ্ল্যাজেলেটের জীবনচক্রে সিস্ট নির্মাণকারী দশা থাকে না। এই কারণে তাদের জীববৈচিত্র্যের আসল পরিধি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানও ঝাপসা। সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যায়, উক্ত সীমানার আগে বা পরে ডাইনোফ্ল্যাজেলেটদের অবস্থায় কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।
 
রেডিওল্যারিয়া-রা অন্তত [[অর্ডোভিশিয়ান|অর্ডোভিশিয়ান]] যুগ থেকে নিরবচ্ছিন্ন ভূতাত্ত্বিক রেকর্ড রেখে আসছে। তাদের খনিজায়িত জীবাশ্ম K-Pg সীমানার আগে ও পরে উভয় সময়কাল থেকেই পাওয়া যায়। এই সমস্ত জীবের গণবিলুপ্তির কোনও ইঙ্গিত নেই, আর দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চ অক্ষাংশে আদি প্যালিওসিনের শীতল আবহাওয়ার ফলে এদের অত্যধিক সক্রিয়তার প্রমাণ মেলে। প্রায় ৪৬% ডায়াটম ক্রিটেশিয়াস থেকে আদি প্যালিওসিনে প্রবেশ করে। প্রজাতির পরিসংখ্যানগত অনুপাতের নিরিখে এটি বেশ বড়মাপের হ্রাস, কিন্তু বিপজ্জনক বিলোপনের মত অত ব্যাপকও নয়।
 
রেডিওল্যারিয়া-রা অন্তত [[অর্ডোভিশিয়ান|অর্ডোভিশিয়ান]] যুগ থেকে নিরবচ্ছিন্ন ভূতাত্ত্বিক রেকর্ড রেখে আসছে। তাদের খনিজায়িত জীবাশ্ম K-Pg সীমানার আগে ও পরে উভয় সময়কাল থেকেই পাওয়া যায়। এই সমস্ত জীবের গণবিলুপ্তির কোনও ইঙ্গিত নেই, আর দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চ অক্ষাংশে আদি প্যালিওসিনের শীতল আবহাওয়ার ফলে এদের অত্যধিক সক্রিয়তার প্রমাণ মেলে। প্রায় ৪৬% ডায়াটম ক্রিটেশিয়াস থেকে আদি প্যালিওসিনে প্রবেশ করে। প্রজাতির পরিসংখ্যানগত অনুপাতের নিরিখে এটি বেশ বড়মাপের হ্রাস, কিন্তু বিপজ্জনক বিলোপনের মত অত ব্যাপকও নয়।
 
 
K-Pg সীমানা জুড়ে প্ল্যাঙ্কটনিক ফোরামিনিফেরাদের প্রাপ্তির বিষয়টি ১৯৩০ এর দশক থেকেই চর্চিত হয়ে আসছে। উক্ত সীমানায় একটি সংঘর্ষজাত ঘটনার সম্ভাবনা দেখা দিতেই বহুসংখ্যক গবেষণা শুরু হয়ে যায়, আর তাতে সীমানা সন্নিহিত অঞ্চলে প্ল্যাঙ্কটনিক ফোরামিনিফেরার বিলোপন নিয়ে মন্তব্য করা হয়। অবশ্য এই বিলোপনের নিদর্শন প্রকৃতপক্ষে K-Pg সীমানায় কোনও এককালীন বড় বিলোপনের সূচক, নাকি ঐ সীমানা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অনেকগুলি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিলুপ্তি ঘটনার সূচক, তাই নিয়ে দু'টি দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে।
 
 
বেন্থিক ফোরামিনিফেরার অনেক প্রজাতি এই বিলুপ্তি ঘটনায় লোপ পায়, হয়তো খাদ্যের জন্য জৈব বর্জ্যের উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতার কারণে। সমসাময়িক সমুদ্রে জৈব বর্জ্যের পরিমাণ কমে গিয়েছিল ধারণা করা হয়। অবশ্য বিলোপনের ধাক্কা সামলে ওঠার পর সামুদ্রিক অণুজীবদের পুনরায় বংশবৃদ্ধি আরম্ভ হলে বর্ধিত খাদ্যের উৎসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেন্থিক ফোরামিনিফেরাদেরও প্রজাতিকরণের হার বৃদ্ধি পায়। আদি প্যালিওসিনে বহুসংখ্যক কর্কর ভক্ষক বেন্থিক ফোরামিনিফেরার ভরণপোষণের জন্য উপযুক্ত সংখ্যায় ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন জন্মাতে থাকে। সব মিলিয়ে আদি প্যালিওসিনের বহু লক্ষ বছর ধরে ধীর গতিতে বেন্থিক অণুজীবরা প্রাক্‌-K-Pg সীমানার সঙ্গে তুলনীয় সংখ্যায় ফিরে আসে।
=== সামুদ্রিক অমেরুদণ্ডী ===
K-Pg সীমানা জুড়ে সামুদ্রিক মেরুদণ্ডীদের বিলোপনের হারের খতিয়ানে যথেষ্ট তারতম্য আছে। আপাতভাবে যে বিলোপনের হার সামনে আসে, তা সম্ভবতঃ প্রকৃত বিলোপনের চেয়ে জীবাশ্মের অভাবের দ্বারাই বেশি প্রভাবিত।
 
 
অস্ট্রাকড নামক ক্ষুদ্র কবচীদের (ক্রাস্টেশিয়ান) এক গোষ্ঠী আদি মাস্ট্রিক্টিয়ানে প্রভাবশালী ছিল, এবং তারা বিভিন্ন জায়গায় জীবাশ্ম রেখে গেছে। এই সমস্ত জীবাশ্মের পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় অস্ট্রাকডদের বৈচিত্র্য গোটা সিনোজোয়িক অধিযুগের মধ্যে প্যালিওজিন যুগেই সবচেয়ে কম ছিল। অবশ্য সাম্প্রতিক গবেষণার দ্বারাও এই বিষয়টি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি যে, বৈচিত্র্যের এই হ্রাস K-Pg সীমানার সমসাময়িক কিনা।
 
 
অন্ত্য ক্রিটেশিয়াসের স্ক্লেরাটিনিয়া প্রবাল গণেদের প্রায় ৬০% K-Pg সীমানা পার করতে সক্ষম হয়নি। এই প্রবালদের বিলোপনের পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, উষ্ণ ও অগভীর ক্রান্তীয় সমুদ্রে বসবাসকারী ঔপনিবেশিক প্রবালের প্রায় ৯৮% এই সময়ে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যে সমস্ত প্রবাল একা থাকে অর্থাৎ যারা প্রবাল প্রাচীর নির্মাণ করে না এবং সমুদ্রের শীতলতর ও গভীরতর অঞ্চলে (আলোকিত অঞ্চলের নীচে) বাস করে, তাদের উপর উক্ত সীমানার বিলোপনের প্রভাব তেমন নয়। ঔপনিবেশিক প্রবালরা সালোকসংশ্লেষকারী শৈবালদের সঙ্গে মিথোজীবী জীবন কাটায়, আর ঐ সমস্ত শৈবাল K-Pg সীমানাঘটিত বিপর্যয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। অবশ্য প্রবালের জীবাশ্ম থেকে আহরিত তথ্য দিয়ে K-Pg বিলোপন ও পরবর্তী প্যালিওসিন পুনরুত্থানের তত্ত্ব সমর্থন করতে গেলে গোটা K-Pg সীমানা জুড়ে প্রবাল বাস্তুতন্ত্রসমূহে যে ক্রমপরিবর্তন ঘটে চলেছিল, তার কথাও বিবেচনা করতে হবে।
 
 
K-Pg সীমানার অব্যবহিত পরে সেফালোপড, কন্টকত্বকী, ও ঝিনুকের গণসমূহ রীতিমত স্পষ্ট ক্ষয়ক্ষতি প্রদর্শন করে। যদিও সামুদ্রিক অমেরুদণ্ডীদের একটি ক্ষুদ্র পর্ব ব্র্যাকিওপডরা K-Pg বিলুপ্তি ঘটনা কাটিয়ে ওঠে এবং আদি প্যালিওসিনে বহু শাখায় বিভক্ত হয়।
 
 
নটিলয়েড (আধুনিক নটিলিডা পর্ব যাদের জ্ঞাতি) এবং সিলয়েড (যা ক্রিটেশিয়াসেই আধুনিক অক্টোপাস, স্কুইড ও কাট্‌ল মাছে ভাগ হয়ে গিয়েছিল) ছাড়া অন্য সমস্ত সেফালোপোডা জাতীয় কম্বোজ শ্রেণির প্রাণি K-Pg সীমানায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। এদের মধ্যে ছিল বাস্তুতন্ত্রগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেলেম্‌নয়েড, এবং অতি বিচিত্র ও পরিব্যাপ্ত বাসস্থানের অধিকারী, খোলকযুক্ত সেফালোপড অ্যামোনয়েড। গবেষকরা দেখিয়েছেন, বেঁচে যাওয়া নটিলয়েডদের অল্পসংখ্যক ও বৃহত্তর ডিম দিয়ে প্রজননের পদ্ধতিটি বিলুপ্তি ঘটনার সময়ে অ্যামোনয়েডদের থেকে তাদেরকে এগিয়ে রাখতে পেরেছিল। অ্যামোনয়েডরা প্রজননের জন্য প্ল্যাঙ্কটনীয় পদ্ধতি অনুসরণ করত (অসংখ্য ডিম ও প্ল্যাঙ্কটনীয় লার্ভা), যা K-Pg বিলুপ্তি ঘটনায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। অতিরিক্ত গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী বাস্তুতন্ত্র থেকে অ্যামোনয়েডদের বিলুপ্তির পর থেকে নটিলয়েডরা এক বিবর্তনীয় বিকিরণের মধ্য দিয়ে যায় এবং ক্রমশঃ অ্যামোনাইটদের মত জটিল খোলক ও অন্যান্য জটিল শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াকলাপ প্রদর্শন করে।
 
 
কন্টকত্বকী গণের প্রায় ৩৫% K-Pg সীমানায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। এদের মধ্যে যারা অন্ত্য ক্রিটেশিয়াসে ক্রান্তীয় অঞ্চলের অগভীর সমুদ্রে বাস করত, তারাই সবচেয়ে বেশি হারে বিলুপ্ত হয়। গভীর সমুদ্র ও মধ্য অক্ষাংশবাসী গণগুলির উপর এই বিলোপনের প্রভাব নগণ্য। বিলুপ্তির এই বিন্যাস থেকে বোঝা যায় বিশেষ করে অগভীর সমুদ্রে প্রবাল প্রাচীর-সম্বলিত সমস্ত কার্বনেট প্ল্যাটফর্মের নিমজ্জন ও তজ্জনিত বাসস্থান লোপের ফলে বিলুপ্তি বেড়েছিল।
 
 
রুডিস্ট (প্রাচীর নির্মাতা ঝিনুক) ও ইনোসেরামিড (আধুনিক নোনাজলের ঝিনুকের দৈত্যাকার জ্ঞাতি) সমেত অন্যান্য অমেরুদণ্ডী গোষ্ঠীও K-Pg সীমানায় বিলুপ্ত হয়েছিল।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
{{Reflist}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:ভূতত্ত্ব]]
১,৯৩,৪৩২টি

সম্পাদনা