"অপারেশন বারবারোসা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ একটি অধ্যায় পুর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে থেকেই নাৎসিদের সাথে সোভিয়েতদের সম্পর্ক মোটেই ভালো ছিল না। ১৯৩৯ এর পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।সেই সময় নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে সোভিয়েতরাও পোল্যান্ডের বেশ কিছু অংশ নিজেদের দখলে নিয়ে আসে। {{Infobox military conflict
{{Infobox military conflict
|conflict=অপারেশন বারবারোসা
|image=[[চিত্র:Operation Barbarossa corrected border.png|250px]]
}}
 
জার্মানীর পৃথিবী জয়ের অভিযান যতই অগ্রসর হতে থাকে ততই সোভিয়েতরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হতে থাকে। সেই সাথে জার্মানীর ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতাও সবার মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ভবিষৎ আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য সোভিয়েত কতৃপক্ষ প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। সেই সময়টায় হিটলার ব্রিটেনকে কাবু করার চেষ্টায় রত ছিলেন। আমেরিকা আর সোভিয়েত ইউনিয়নকে যুদ্ধের টেনে আনার জন্য ইংরেজদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করার জন্য হিটলার রাশিয়ার সাথে একটা চুক্তিতে আসার চেষ্টা করে। তারা চেয়েছিল সোভিয়েতরাও তাদের ত্রিদলীয় সংগঠনে যোগদান করুক। কিন্তু উক্ত সংগঠনে ঢোকার জন্য সোভিয়েত কতৃপক্ষ শর্ত দিয়ে বসল যে, সংগঠন থেকে ফিনল্যান্ড, বুলগেরিয়া, তুরস্ক এবং জাপানকে সংগঠন থেকে বের করে দিতে হবে। হিটলার স্বাভাবিকভাবেই উক্ত শর্ত মানল না। সোভিয়েতের সাথে চুক্তিও বাতিল হয়ে গেল এবং হিটলার সাথে সাথেই রাশিয়া হামলা করার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আদেশ প্রদান করে। ১৯৩৯ সালে অবশ্য [[রাশিয়া]] এবং [[জার্মানি]] একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলো। তারপরও দুইপক্ষের মধ্যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস প্রচন্ডভাবে বিরাজ করছিলো। পরবর্তীতে তা যুদ্ধের রূপ ধারণ করে।
১৯৪১ সালর ২২ জুন [[আডলফ হিটলার|হিটলার]] '''অপারেশন বারবারোসা''' (German: ''Fall Barbarossa'', literally "Case Barbarossa") নামে পরিচিত সোভিয়েত রাশিয়া অভিযান শুরু করেছিলেন। এই অভিযানে উনিশটি [[পানৎজার]] ডিভিশন, ৩ হাজার [[ট্যাংক]], ২৫০০ [[বিমান]] এবং ৭০০০ [[কামান]] অংশ গ্রহণ করে। ১৯৩৯ সালে অবশ্য [[রাশিয়া]] এবং [[জার্মানি]] একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলো। তারপরও দুইপক্ষের মধ্যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস প্রচন্ডভাবে বিরাজ করছিলো। পরবর্তীতে তা যুদ্ধের রূপ ধারণ করে। আক্রমণের প্রথম দিনেই জার্মান বিমান বাহিনী ১ হাজার সোভিয়েত বিমান ধ্বংস করে দেয়। সোভিয়েত বাহিনীর প্রতিরোধ সত্ত্বেও যুদ্ধ শুরুর কয়েকদিনের মধ্যে জার্মান বাহিনী রাশিয়ার ৩০০ মাইল ভেতরে ঢুকে পড়ে। তারা সোভিয়েত ভূখণ্ডের বিস্তির্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর মস্কো দখলের কাছাকাছি পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। নাৎসী বাহিনী কয়েক মাসের মধ্যে কিয়েভ ও রস্তুভ-অন-ডনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নগরী দখল করে নেয়। এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে, আর তা হলো, অপারেশন বারবারোসা শুরুর ঠিক ১২৯ বছর ১ দিন আগে নেপোলিয়ন বোনপার্ট রাশিয়া আক্রমণ করেছিলেন। তিনি এই অভিযানে সফল হতে পারেন নি একই ভাবে হিটলারের রাশিয়া অভিযানও ব্যর্থতার মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছিলো।শীতকালে নাৎসী বাহিনীর শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
 
একদল বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ভোর ৪ টায় ক্রেমলিন ওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। ১৯৪১ সালের ২২ জুন ভোর ৪টায় প্রথম জার্মান ট্যাংক সোভিয়েত সীমান্তে প্রবেশ করে।
১৯৪১ সালর ২২ জুন [[আডলফ হিটলার|হিটলার]] '''অপারেশন বারবারোসা''' (German: ''Fall Barbarossa'', literally "Case Barbarossa") নামে পরিচিত সোভিয়েত রাশিয়া অভিযান শুরু করেছিলেন। এই অভিযানে উনিশটি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার [[ট্যাংক]], ২৫০০ [[বিমান]] এবং ৭০০০ [[কামান]] অংশ গ্রহণ করে। সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভি্যানে।
 
১৯৪১ সালরসালের ২২ জুন [[আডলফভোর হিটলার|হিটলার]]৪টায় প্রথম '''অপারেশনজার্মান বারবারোসা''' (German: ''Fall Barbarossa'', literally "Case Barbarossa") নামে পরিচিতট্যাংক সোভিয়েত রাশিয়া অভিযান শুরু করেছিলেন। এই অভিযানে উনিশটি [[পানৎজার]] ডিভিশন, ৩ হাজার [[ট্যাংক]], ২৫০০ [[বিমান]] এবং ৭০০০ [[কামান]] অংশ গ্রহণ করে। ১৯৩৯ সালে অবশ্য [[রাশিয়া]] এবং [[জার্মানি]] একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলো। তারপরও দুইপক্ষের মধ্যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস প্রচন্ডভাবে বিরাজ করছিলো। পরবর্তীতে তা যুদ্ধের রূপসীমান্তে ধারণপ্রবেশ করে। আক্রমণের প্রথম দিনেই জার্মান বিমান বাহিনী ১ হাজার সোভিয়েত বিমান ধ্বংস করে দেয়। সোভিয়েত বাহিনীর প্রতিরোধ সত্ত্বেও যুদ্ধ শুরুর কয়েকদিনের মধ্যে জার্মান বাহিনী রাশিয়ার ৩০০ মাইল ভেতরে ঢুকে পড়ে। তারা সোভিয়েত ভূখণ্ডের বিস্তির্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর মস্কো দখলের কাছাকাছি পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। নাৎসী বাহিনী কয়েক মাসের মধ্যে কিয়েভ ও রস্তুভ-অন-ডনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নগরী দখল করে নেয়। এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে, আর তা হলো, অপারেশন বারবারোসা শুরুর ঠিক ১২৯ বছর ১ দিন আগে নেপোলিয়ন বোনপার্ট রাশিয়া আক্রমণ করেছিলেন। তিনি এই অভিযানে সফল হতে পারেন নি একই ভাবে হিটলারের রাশিয়া অভিযানও ব্যর্থতার মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছিলো।শীতকালে নাৎসী বাহিনীর শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
একদল বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ভোর ৪ টায় ক্রেমলিন ওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। ১৯৪১ সালের ২২ জুন ভোর ৪টায় প্রথম জার্মান ট্যাংক সোভিয়েত সীমান্তে প্রবেশ করে।
 
== তথ্যসূত্র ==
২৩টি

সম্পাদনা