"দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
 
=== '''অক্ষশক্তি কতৃক সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ''' ===
<blockquote>''মুল নিবন্ধঃ [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পুর্ব ফ্রন্ট]]'' </blockquote>মুলতঃ পুর্ব ফ্রন্ট নামে অধিক পরিচিত। সোভিয়েতদের কাছে পরিচিত "পিতৃভূমি রক্ষার যুদ্ধ" নামে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর দিককার সমস্ত আঁচ ছিল পশ্চিম ইয়োরোপের দেশগুলোর ওপর। যেসব দখলের মাধ্যমে জার্মানী বেশ ভালো রকমের রসদ পেয়েছিল যুদ্ধ চালিয়ে যাবার। একই সাথে জার্মানীর প্রধান একজন প্রতিদ্বন্দ্বীকে দমিয়ে ফেলা হয়েছিল। যেটা ছিল ফ্রান্স। ফ্রান্সকে মাত্র ১মাসের ভেতর হারিয়ে দিয়ে হিটলার জার্মান জাতির প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অপমানের প্রতিশোধ নিয়ে ফেলে, যেটা জার্মান জনগণকে নাৎসিজমের সাথে এবং হিটলারের সাথে থাকতে উদ্বুদ্ধ করে।
<blockquote>''মুল নিবন্ধঃ [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পুর্ব ফ্রন্ট]]'' </blockquote><br />
 
উদ্ভুত পরিস্থিতকে সামনে রেখে জার্মানী, জাপান এবং সোভিয়েত রাশিয়া প্রস্তুতি নিতে থাকে। জাপানের সাথে রাশিয়ার অনাক্রমণ চুক্তি সম্পাদিত হয়ে যায়। জার্মানীও রাশিয়ার সাহে একটা মতৈক্যে আসার চেষ্টায় ছিল, কারণ সেই সময়টায় হিটলারের লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডকে বশে আনা।
 
ইংল্যান্ড যাতে করে আমেরিকা আর রাশিয়াকে যুদ্ধে টেনে আনতে না পারে সেই লক্ষ্যে হিটলার রাশিয়ার সাথে একটা চুক্তি চেয়েছিল। একই সাথে সে রাশিয়া আক্রমণের জন্য সীমান্তে বিশাল সৈন্য সমাবেশ করছিল। কারণ যদি সে রাশিয়ার সাথে চুক্তিতে ব্যর্থ হয় তবে রাশিয়ার ব্যাপারে চুড়ান্ত ফয়সালা করতে হবে যুদ্ধের মাধ্যমে।
 
বনিবনা না হওয়ায় রাশিয়া জার্মানী চুক্তি হল না, এবং ১৯৪০ সালের ১৮ ডিসেম্বর হিটলার রাশিয়া আক্রমনের প্রস্তুতি নেওয়ার আদেশ প্রদান করে।
 
২২জুন, ১৯৪১ সালে জার্মানী মিত্র ইতালি এবং রোমানিয়াকে নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নে আক্রমন করে। এই অভিযান "[[অপারেশন বারবারোসা|অপারেশন বার্বারোসা]]" নামে পরিচিত। এই অভিযানের মুল লক্ষ্য ছিলো ১৯৪১ এর ভেতর রাশিয়ার বিশাল উর্বর অংশের এবং শিল্পাঞ্চলসমূহের দহল নেয়া, [[কমিউনিজম|কমিউনিজমে]]<nowiki/>র বিনাশ করা এবং জার্মানীর পরবর্তী শত্রুদের বিপরীতে যুদ্ধ পরিচালনার পর্যাপ্ত রসদ যোগানো।
 
<br />
== প্রধান নিবন্ধসমূহ ==
=== শরণার্থী সমস্যা ===
২৩টি

সম্পাদনা