"মোরিস মাতরলাঁক" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
মারিস তার আফ্রিকান জাতীয়তাবাদী বন্ধুদের এক সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়ে [[দক্ষিণ আফ্রিকা]]র গণমাধ্যমে ন্যায়বিচার চেয়েছিলেন এবং মেটারলিংকের বিরুদ্ধে একটা আন্তর্জাতিক মামলা করার চেষ্টা করেছিলেন । কিন্তু সেটা প্রমাণ করা আর্থিকভাবে অসম্ভব ছিল এবং মামলাটি আর চলেনি । যাইহোক, মারিস একজন আফ্রিকান গবেষক ও ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, যিনি নিজেকে তার সত্ত্ব চুরির মাধ্যমে প্রকাশ করেন, কারন তিনি আফ্রিকায় জাতীয়তাবাদী আনুগত্যের বাইরে নিবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন । মারিস এই কেলেঙ্কারির সময় গভীরভাবে চিন্তা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, "আমি বিস্মিত হয় যে মেটারলিংক যখন এই ধরনের বিষয়গুলো (সংকটপূর্ণ প্রশংসা) পড়েন, এবং অচেনা [[বোয়ার]]কর্মীর সাথে তিনি যে অবিচার করছেন সে সম্পর্কে কোন চিন্তাভাবনা করেন কি?"<ref name="swart" />
<br/><br/>
''সাদা পিঁপড়ের জীবন'' প্রবন্ধে মেটারলিংকের নিজস্ব কথায়কথা ইঙ্গিত করে যে সত্ত্ব চুরির কথা প্রকাশ হওয়া বা অভিযুক্ত হওয়া সম্ভব, যা তাঁকে চিন্তিত করেছিল :
<blockquote>পাঠ্যসূচি ও তথ্যসূত্রের সাথে নিবন্ধটিকে বদ্ধ করার জন্য প্রতিটি বিবৃতির বিষয়ে এটি সহজ ছিল । কিছু অধ্যায়ে কোনো বাক্য ছিল না তবে এর জন্য কথা বলা হবে ; এবং মুদ্রাঙ্কিত বিষয়সমূহ করায়ত্ত করা হবে, যেমনটা আমাদের স্কুলের বইয়ের মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণ্য বই করা হত । খন্ডটির শেষে একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থপঞ্জি রয়েছে যা একই তাত্পর্য সরবরাহ করবে না এতে সন্দেহ করার কিছুই নেই ।</blockquote>
এই বিভ্রান্তি থাকা সত্ত্বেও, উক্ত গ্রন্থপঞ্জিতে ইউগেন মারিসের কোনো উল্লেখ নেই । তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে মেটারলিংকের অন্যান্য রচনাসমূহ হচ্ছে ''পিঁপড়ের জীবন'' (১৯৩০) এবং ''দ্য গ্লাস স্পাইডার'' (১৯৩২) ।<br/><br/>
১৭৪টি

সম্পাদনা