"পাগলা জামে মসজিদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(ন)
 
(সম্প্রসারণ)
| designated =
}}
'''পাগলা জামে মসজিদ''' ('''রায়পুর বড় মসজিদ''' নামেও পরিচিত; [[সিলেটি ভাষা|সিলেটি]] {{font|ꠞꠣꠄꠚꠥꠞ ꠛꠠ ꠝꠌ꠆ꠌꠤꠖ|font=Surma|size=18px}}) হল বাংলাদেশের [[সুনামগঞ্জ জেলা]]র [[দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা]]র পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে অবস্থিত একটি মসজিদ। এটি মহাশিং নদীর তীরে অবস্থিত। এটি ইয়াসিন মির্জা নামক একটি স্থানীয় ব্যবসায়ী কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=সুনামগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা বড় জামে মসজিদ |ইউআরএল=https://thedhakatimes.com/97184/pagla-big-jami-mosque/ |ওয়েবসাইট=দি ঢাকা টাইমস |সংগ্রহের-তারিখ=১৪ জুলাই ২০১৯ |ভাষা=bn |তারিখ=১৬ মার্চ ২০১৮}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=ইয়াকুব শাহরিয়ার |শিরোনাম=পাগলা বড় জামে মসজিদে ছিলো দর্শনার্থীদের বাড়তি ভিড় |ইউআরএল=https://sunamganjerkhobor.com/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8B/ |ওয়েবসাইট=sunamganjerkhobor.com |সংগ্রহের-তারিখ=১৪ জুলাই ২০১৯ |ভাষা=bn |তারিখ=১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬}}</ref>
 
==ইতিহাস==
উপমহাদেশ ভবন ভ্রমণ করার সময় এর বিভিন্ন ভবন দেখার পর, বিশেষ করে কলকাতার, ইয়াসিন মির্জা নামক একটি স্থানীয় ব্যবসায়ী তার স্থানীয় গ্রাম রায়পুরে একটি মসজিদ নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন। এর জন্য ১৯২৪ সালে ভূমি খননের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৩১ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি সম্পন্ন হতে ১০ বছর লেগেছিল। ইয়াসিন মির্জা ব্রিটিশ রাজের শহর কলকাতা ও দিল্লির থেকে স্থপতি ও নির্মাতা আনিয়েছিলেন। প্রধান স্থপতি ছিলেন মুমিন আস্তাগর, যিনি তাজমহলের স্থপতিদের একজনের বংশধর ছিলেন। এই সময়কালে মুমিন ঢাকাতে বসবাস করতেন।<ref name="অনন্য নিদর্শন" >{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=মুহাম্মদ বুরহান |শিরোনাম=স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন পাগলা জামে মসজিদ |ইউআরএল=http://sylheterdak.com.bd/details.php?id=3386 |ওয়েবসাইট=sylheterdak.com.bd |সংগ্রহের-তারিখ=১৪ জুলাই ২০১৯ |তারিখ=২৬ অক্টোবর ২০১৬}}</ref>
 
==বিবরণ==
এটি একটি দুই তলা ভবন। ভবনের সামনে একটি বড় ঈদগাহ আছে। উত্তর দিকে একটি ফটক আছে। ভবনে তিনটি গম্বুজ আছে। মসজিদটির আয়তন হল দৈর্ঘ্যে ১৫০ মিটার ও প্রস্থে ১০০ মিটার। নামাজের জন্য নির্ধারিত স্থান দ্বিতীয় তলায়। সেখানকার মেঝে ও তার আশপাশের কারুকাজ রয়েছে। মেঝেতে শ্বেতপাথর ও তার চারপাশে কালোপাথর লাগানো।<ref name="অনন্য নিদর্শন" />
 
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা}}
 
==বহিঃসংযোগ==
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|
 
[[বিষয়শ্রেণী:সুনামগঞ্জ জেলার মসজিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ সম্পন্ন মসজিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা]]