"পরাবাস্তববাদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎বাংলাভাষায় পরাবাস্তববাদী সাহিত্যচর্চা: উদ্ধৃতি বদলানো। এখানে বাংলাদেশ বলা হয়েছে সেটাকে বাংলা ভাষা করা হলো।
(1টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta10ehf1))
(→‎বাংলাভাষায় পরাবাস্তববাদী সাহিত্যচর্চা: উদ্ধৃতি বদলানো। এখানে বাংলাদেশ বলা হয়েছে সেটাকে বাংলা ভাষা করা হলো।)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
পরাবাস্তববাদ বিকশিত হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দাদাবাদী কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করে। এ-আন্দোলনের সূচনা ফ্রান্সের প্যারিস থেকে, ১৯২০-এর দিকে। তখন থেকেই এটি ধারাবাহিকভাবে ঢুকে পড়ে বিভিন্ন দেশ ও ভাষার Visual arts, Literature, Film এবং Music-এ। শুধু তাই নয়, এটি রাজনৈতিক চিন্তা (রাষ্ট্রচিন্তা) ও চর্চা, দর্শন এবং সামাজিক তত্ত্বেও (সমাজতত্ত্ব) স্থান পায়।
 
== বাংলাদেশেবাংলাভাষায় পরাবাস্তববাদী সাহিত্যচর্চা ==
বাংলাদেশেরবাংলাভাষায় [[জীবনানন্দ দাশ]], [[আবদুল মান্নান সৈয়দ]], [[সমীর রায়চৌধুরী]], [[রবীন্দ্র গুহ]], সিকদার আমিনুল হক প্রমুখ কবিগণের কবিতায় পরাবাস্তববাদিতা লক্ষ করা যায়। বর্তমান সময়ের মাদল হাসান, ফেরদৌস মাহমুদ, বিজয় আহমেদ, আমজাদ সুজন প্রমুখ কবিগণও, জ্ঞাতেভাবে হোক আর অজ্ঞাতভাবে হোক, মাঝেমধ্যে এ-জাতীয় কবিতা রচনা করছেন। কিন্তু, বাংলাদেশেবাংলাভাষায়, আঁদ্রে ব্রেতঁ (Andre Breton), পল এলুয়ার (Paul Eluard), লুই আরাগঁ (Louis Aragon), অঁরি মিশো (Henri Michaux), গার্সিয়া লোরকা (Garcia Lorca), সালভেদর দালি (Salvador Dali) প্রমুখ কবি-লেখকের এ-তত্ত্ব বা দর্শন বা আন্দোলন সম্প্রতি কোনো কোনো দার্শনিক সম্প্রদায় কর্তৃক সমালোচিত হচ্ছে। যেমন দৃষ্টান্তবাদীরা পরাবাস্তববাদীদের অবচেতনমন (Subconscious mind) সম্পর্কীয় ধারণাকে গ্রহণ করছেন না। তারা বলছেন, অবচেতনমনের ক্রিয়াকর্মকে নির্বিচারে গ্রহণ করলে, এ-অত্যাধুনিক যুগেও, সাহিত্য ও দর্শন চর্চায় দৈব বা ভৌতিক সত্তা তথা উদ্ভট-আশ্চর্যকর-অবাস্তব রূপকল্প হাজির হয়ে যায়। তারা ঘুমের ভেতরে পাওয়া স্বাপ্নিক তথ্যেরও যৌক্তিক উপস্থাপন দাবি করছে। প্রকৃত সত্য কেবলমাত্র অবচেতনেই বিরাজ করে - পরাবাস্তববাদীদের এ-ধরনের দৃঢ়নিশ্চয় কথার বিরোধিতা করে বলছেন, প্রকৃত সত্যের অনুভব চৈতন্যে বিদ্যমান এবং সাহিত্য এ-চৈতন্যেরই চারু উচ্চারণ। Littérature জার্নালে, পরাবাস্তবাদী লুই আরাগঁ ও ফিলিপ সোপল্টের (Philippe Soupault) প্রস্তাবিত অটোমেটিক রাইটিং (Automatic Writing)-এরই বিরোধিতা করে তারা বলছেন, কবি শুভবোধ বজায় রেখে অনিয়ন্ত্রিত বা স্বেচ্ছাচারী থাকবেন, কিন্তু দ্রুততার সাথে যা কিছু মনে আসবে তা লিখে সাহিত্য বলে চালিয়ে দিয়ে সমাজকে নৈরাজ্যিক এবং সাহিত্যকে বেদরকারী পাঠে পরিণত করবেন না।
 
== তথ্যসূত্র ==
বেনামী ব্যবহারকারী